📅 ২ নভেম্বর ২০২৬, ১:০৩ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

পায়রা বন্দরে বিদেশি জাহাজের আগমন ৮০% কমে ২৯টিতে, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় চাপে সংসদ কমিটিতে আলোচনা

👥 উল্লেখিত ব্যক্তিত্ব: শেখ রবিউল আলম শেখ রবিউল আলম
পায়রা বন্দরে বিদেশি জাহাজের আগমন ৮০% কমে ২৯টিতে, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় চাপে সংসদ কমিটিতে আলোচনা

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 পায়রা বন্দরে বিদেশি জাহাজের আগমন ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ১২৩টি থেকে কমে গেছে মাত্র ২৯টিতে। নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ও সাংসদীয় কমিটির বৈঠকে রাবনাবাদ চ্যানেলের পলি প্রবণতা, সড়ক যোগাযোগের প্রতিবন্ধকতা ও টোল ব্যবস্থার সমস্যা তুলে ধরা হয়

পায়রা বন্দরে বিদেশি জাহাজের আগমন উল্লেখযোগ্য হারে কমে গেছে। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে এসেছিল ১২৩টি জাহাজ, কিন্তু গত অর্থবছরে (২০২৫-২৬) মাত্র ২৯টি জাহাজ বন্দরে প্রবেশ করেছে। এই সমস্যা নিয়ে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সাংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে আলোচনা হয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 পায়রা বন্দরে বিদেশি জাহাজের আগমন ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ১২৩টি থেকে কমে গেছে মাত্র ২৯টিতে (২০২৫-২৬ অর্থবছর)।
  • 📌 রাবনাবাদ চ্যানেলের পলি প্রবণতা ও নাব্যতা বজায় রাখার জন্য নিয়মিত ড্রেজিং প্রয়োজন বলে উল্লেখ করা হয়।
  • 📌 পায়রা বন্দর ব্যবহারকারীদের জন্য বরিশাল ও খুলনা কাস্টম হাউসের উপর নির্ভরশীলতা কমাতে পূর্ণাঙ্গ কাস্টম হাউস স্থাপনের দাবি করা হয়।
  • 📌 ভাঙ্গা-কুয়াকাটা সড়কটি চার লেনে উন্নীত না হওয়ায় সড়ক যোগাযোগ ব্যাহত হচ্ছে।
  • 📌 ঢাকা-পায়রা রুটে ৬টি টোল পয়েন্ট পণ্য পরিবহনের ব্যয় ও সময় বাড়াচ্ছে।
  • 📌 বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও রপ্তানি পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়।
  • 📌 সংসদ কমিটির সভাপতি জয়নুল আবদিন ফারুক ও নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমসহ কমিটির সদস্যরা অংশ নেন।

📰 বিস্তারিত

পায়রা বন্দর বাংলাদেশের অন্যতম বাণিজ্যিক বন্দর হিসেবে পরিচিত। কিন্তু গত কয়েক বছরে বিদেশি জাহাজের আগমন উল্লেখযোগ্য হারে কমে গেছে। ২০২২-২৩ অর্থবছরে এসেছিল ১১১টি জাহাজ, পরের অর্থবছরে ১২৩টি, কিন্তু ২০২৪-২৫ অর্থবছরে কমে দাঁড়ায় ৮৫টি এবং সর্বশেষ ২০২৫-২৬ অর্থবছরে মাত্র ২৯টি জাহাজ বন্দরে প্রবেশ করেছে।

নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সাংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এই সমস্যা নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে জানানো হয়, রাবনাবাদ চ্যানেলের পলি প্রবণতা নৌযান চলাচলের নিরাপত্তা ও নাব্যতা বজায় রাখার জন্য নিয়মিত ড্রেজিং প্রয়োজন। পাশাপাশি, পণ্য ছাড়করণের প্রক্রিয়াটি বর্তমানে বরিশাল ও খুলনা কাস্টম হাউসের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। পায়রা বন্দর ব্যবহারকারীদের আকর্ষণ করতে সংলগ্ন এলাকায় একটি পূর্ণাঙ্গ কাস্টম হাউস স্থাপনের দাবি করা হয়।

সড়ক যোগাযোগের প্রতিবন্ধকতাও উল্লেখযোগ্য সমস্যা হিসেবে উঠে আসে। ভাঙ্গা থেকে কুয়াকাটা পর্যন্ত সড়কটি এখনো দুই লেনবিশিষ্ট, যা পায়রা বন্দরের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ ব্যাহত করছে। এই সড়কটি চার লেনে উন্নীত করার বিষয়টি ইতিমধ্যে অনুমোদিত হয়েছে, কিন্তু দ্রুত বাস্তবায়নের প্রয়োজন রয়েছে। এছাড়া, ঢাকা-পায়রা রুটে মোট ৬টি টোল পয়েন্ট পণ্য পরিবহনের সময় ও ব্যয় বাড়াচ্ছে, যা বন্দরের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

বৈঠকে বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও রপ্তানি পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়। দুই দেশের মধ্যে রপ্তানি বাণিজ্যের বিদ্যমান ব্যবধান, বাণিজ্য সম্প্রসারণের সম্ভাবনা এবং স্থলবন্দরকেন্দ্রিক বাণিজ্যচুক্তির বিস্তারিত তথ্য পরবর্তী বৈঠকে উপস্থাপনের বিষয়ে আলোচনা হয়।

"বন্দর ব্যবহারকারীদের আকৃষ্টকরণে পায়রা বন্দর সংলগ্ন এলাকায় একটি পূর্ণাঙ্গ কাস্টম হাউস স্থাপন করা প্রয়োজন। সড়ক যোগাযোগ প্রতিবন্ধকতা দ্রুত সমাধান করতে হবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: পায়রা বন্দর, রাবনাবাদ চ্যানেল, ভাঙ্গা-কুয়াকাটা সড়ক, ঢাকা-পায়রা রুট
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জয়নুল আবদিন ফারুক (সভাপতি), শেখ রবিউল আলম (নৌপরিবহনমন্ত্রী), রাজিব আহসান (প্রতিমন্ত্রী)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২৩টি (২০২৩-২৪ অর্থবছরে বিদেশি জাহাজ), ২৯টি (২০২৫-২৬ অর্থবছরে), ২১টি (দেশের স্থলবন্দর), ১৭টি (কার্যকর বন্দর)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖