📅 ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৪০ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

নওগাঁর কৃষকদের আউশ ধান বিক্রি: প্রতি মণ ৮০০-৯৫০ টাকায় লোকসান, উৎপাদন খরচ উঠছে না

নওগাঁর কৃষকদের আউশ ধান বিক্রি: প্রতি মণ ৮০০-৯৫০ টাকায় লোকসান, উৎপাদন খরচ উঠছে না

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 নওগাঁ জেলায় আউশ ধানের বাম্পার ফলন সত্ত্বেও প্রতি মণ ৮০০-৯৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। উৎপাদন খরচ ৬৪ হাজার টাকা প্রতি একর হলেও কৃষকরা লোকসান করছেন। স্থানীয় কৃষক ও ব্যবসায়ীরা দাম কমে যাওয়ার কারণে চাপে পড়েছেন।

নওগাঁ জেলায় আউশ ধানের বাম্পার ফলন সত্ত্বেও কৃষকদের মুখে হাসি নেই। প্রতি মণ ধানের বাজারদর ৮০০ থেকে ৯৫০ টাকায় পড়ার কারণে উৎপাদন খরচ উঠছে না। স্থানীয় কৃষকদের কথায়, গত বছরের তুলনায় প্রতি মণ ধানের দাম কমে গেছে ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা। সার, বীজ, শ্রমিকের মজুরি ও সেচের খরচ বৃদ্ধির কারণে উৎপাদন খরচ বেড়ে গেছে, কিন্তু বিক্রয় মূল্য কমে গেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 নওগাঁ জেলায় প্রতি মণ আউশ ধানের বাজারদর ৮০০-৯৫০ টাকা (গত বছরের তুলনায় ৩০০-৪০০ টাকা কম)
  • 📌 প্রতি একর উৎপাদন খরচ ৬৪ হাজার টাকা, প্রতি বিঘা খরচ ২১ হাজার টাকা
  • 📌 জিরাশাইল, কাটারি ও ব্রি-২৮ জাতের ধান বিক্রি হচ্ছে ৮০০-৯৬০ টাকায়
  • 📌 প্রতি বিঘায় ২০-২২ মণ ধান উৎপাদন হলেও বিক্রি থেকে কৃষক পাচ্ছেন ১৭-১৯ হাজার টাকা
  • 📌 কৃষক আনোয়ার হোসেন প্রতি মণ ৮৮০ টাকায় বিক্রি করলেন, গত বছরের তুলনায় ৪০০ টাকা কম
  • 📌 চালের মোকামে ধানের দাম কমলেও চালের দামে কোনো প্রভাব পড়েনি
  • 📌 অন্তর্বর্তী সরকারের চাল আমদানি চালের চাহিদা কমিয়ে দিয়েছে

📰 বিস্তারিত

নওগাঁ জেলায় আউশ ধানের বাম্পার ফলন সত্ত্বেও কৃষকদের মুখে হাসি নেই। জেলার বিভিন্ন হাটে জিরাশাইল, কাটারি ও ব্রি-২৮ জাতের প্রতি মণ ধান বিক্রি হচ্ছে ৮০০ থেকে ৯৫০ টাকায়। স্থানীয় কৃষকদের কথায়, গত বছরের তুলনায় প্রতি মণ ধানের দাম কমে গেছে ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা। তবে উৎপাদন খরচ বৃদ্ধির কারণে কৃষকরা লোকসান করছেন।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত মৌসুমে ৫১ হাজার ৩০০ হেক্টর জমিতে আউশ ধানের আবাদ হয়েছিল। এবার আবাদ বেড়ে ৫৮ হাজার ৫৭৩ হেক্টরে দাঁড়িয়েছে। প্রতি একর উৎপাদন খরচ ৬৪ হাজার টাকা, প্রতি বিঘা খরচ ২১ হাজার টাকা। প্রতি বিঘায় ধানের ফলন হয়েছে ২০ থেকে ২২ মণ। প্রতি মণ ধান ৮০০ থেকে ৯০০ টাকায় বিক্রি করে প্রতি বিঘায় কৃষক পাচ্ছেন মাত্র ১৭ থেকে ১৯ হাজার টাকা।

কৃষক আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘দাম শুনে আর কী হবে? প্রতি মণ ধান ৩০ টাকা ভ্যানভাড়া দিয়ে বাজারে আনছি। প্রতি মণ ৮৮০ টাকায় ১০ মণ ধান বিক্রি করে দিয়েছি। গত বছর প্রতি মণ আউশ ধান ১ হাজার ৩০০ থেকে ১ হাজার ৪০০ টাকায় বিক্রি করতাম।’ অন্যদিকে, নিয়ামতপুর উপজেলার কৃষক সেলিম হোসেন বলেন, তিন বিঘা জমি বর্গা নিয়ে আউশ ধান আবাদ করলেও ঋণ পরিশোধ ও সংসারের খরচ চালানোর জন্য চাপে পড়েছেন।

"বর্তমানে বাজারে ধানের দাম পড়তি। দেড় সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি মণ ধানের দাম ২০০ থেকে ৩০০ টাকা কমেছে। কাটারি ধান প্রতি মণ ৯০০ থেকে ৯৬০ টাকায়, জিরাশাইল ৮৫০ থেকে ৯০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।"

মেসার্স রেখা ধান আড়তের স্বত্বাধিকারী শহিদুল ইসলামের কথায়, বাজারে ধানের দাম পড়তি। জেলা চালকল মালিক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ হোসেন চকদার বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের চাল আমদানি দেশে চালের চাহিদা কমিয়ে দিয়েছে। এ কারণে কারখানাগুলোতে চালের বিক্রি কমে গেছে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: নওগাঁ জেলা (মহাদেবপুর, নিয়ামতপুর, ডাঙ্গাপাড়া গ্রাম)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আনোয়ার হোসেন, সেলিম হোসেন, শহিদুল ইসলাম, মনজুর রহমান, ফরহাদ হোসেন চকদার
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮০০-৯৫০ টাকা (প্রতি মণ ধানের দাম), ৫১ হাজার ৩০০ হেক্টর (গত মৌসুমের আবাদ), ৫৮ হাজার ৫৭৩ হেক্টর (এবারের আবাদ), ৬৪ হাজার টাকা (প্রতি একর উৎপাদন খরচ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖