📌 ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে গত সপ্তাহে বস্ত্র খাতের শেয়ারের লেনদেন ৪০% বৃদ্ধি পেয়েছে। এই খাতের কোম্পানিগুলোর দৈনিক গড় লেনদেন ২০২ কোটি টাকা হয়েছে, যা আগের সপ্তাহের তুলনায় ৫৮ কোটি টাকা বেশি। বাজারের মোট লেনদেনও ৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) গত সপ্তাহে বস্ত্র খাতের শেয়ারে উল্লেখযোগ্য লেনদেন বৃদ্ধি দেখিয়েছে। এই খাতের কোম্পানিগুলোর দৈনিক গড় লেনদেন ২০২ কোটি টাকা হয়েছে, যা আগের সপ্তাহের তুলনায় ৫৮ কোটি টাকা বা প্রায় ৪০ শতাংশ বেশি। ডিএসইর সাপ্তাহিক বাজার প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য উঠে এসেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গত সপ্তাহে বস্ত্র খাতের দৈনিক গড় লেনদেন ২০২ কোটি টাকা, আগের সপ্তাহের তুলনায় ৫৮ কোটি টাকা বা ৪০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে
- 📌 সর্বোচ্চ লেনদেন হয়েছে সায়হাম টেক্সটাইলের (৩২ কোটি টাকা), শার্প ইন্ডাস্ট্রিজ ও মালেক স্পিনিংয়ের (২৬ কোটি টাকা করে), সায়হাম কটনের (২৩ কোটি টাকা) শেয়ারে
- 📌 ঢাকার বাজারের মোট দৈনিক গড় লেনদেন ৬০৯ কোটি টাকা হয়েছে, আগের সপ্তাহের ৫৭২ কোটি টাকার তুলনায় ৩৭ কোটি টাকা বা ৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে
- 📌 ডিএসইএক্স সূচক ৬ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়ায় ৫ হাজার ৬৬২ পয়েন্টে, কিন্তু শেয়ারের মূল্যবৃদ্ধি ও দরহ্রাসের সংখ্যা কাছাকাছি হওয়ায় সূচকের বড় পরিবর্তন হয়নি
- 📌 বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, বিনিয়োগকারীরা এক খাত থেকে অন্য খাতে টাকা সরিয়ে নিচ্ছেন, যা বাজারের জন্য ইতিবাচক
- 📌 ব্যাংক খাতের লেনদেন কমে গেছে, গত সপ্তাহে দৈনিক গড় লেনদেন ৫১ কোটি টাকা হয়েছে, আগের সপ্তাহের ৫৭ কোটি টাকার তুলনায় ৬ কোটি টাকা কম
📰 বিস্তারিত
গত সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে বস্ত্র খাতের শেয়ারের লেনদেনে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে। এই খাতের কোম্পানিগুলোর দৈনিক গড় লেনদেনের পরিমাণ ২০২ কোটি টাকা হয়েছে, যা আগের সপ্তাহের তুলনায় ৫৮ কোটি টাকা বা প্রায় ৪০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ডিএসইর তথ্য অনুযায়ী, এই বৃদ্ধির মূল কারণ হলো কয়েকটি বস্ত্র খাতের কোম্পানির শেয়ারে বাড়তি লেনদেন।
বস্ত্র খাতের কোম্পানির মধ্যে সর্বোচ্চ লেনদেন হয়েছে সায়হাম টেক্সটাইলের শেয়ারে, দৈনিক গড় লেনদেনের পরিমাণ প্রায় ৩২ কোটি টাকা। এরপর ছিল শার্প ইন্ডাস্ট্রিজ ও মালেক স্পিনিংয়ের শেয়ারে, প্রতিটি কোম্পানির দৈনিক গড় লেনদেনের পরিমাণ ছিল ২৬ কোটি টাকা। চতুর্থ অবস্থানে ছিল সায়হাম কটনের শেয়ার, যার দৈনিক গড় লেনদেন ২৩ কোটি টাকা। অর্থাৎ গত সপ্তাহ শেষে ঢাকার বাজারের শীর্ষ পাঁচটি লেনদেনকারী কোম্পানির মধ্যে চারটি ছিল বস্ত্র খাতের। পঞ্চম অবস্থানে ছিল আর্থিক খাতের কোম্পানি আইপিডিসি।
বস্ত্র খাতের লেনদেন বৃদ্ধির কারণে ঢাকার বাজারের মোট লেনদেনও বেড়েছে। গত সপ্তাহ শেষে ঢাকার বাজারের দৈনিক গড় লেনদেনের পরিমাণ ৬০৯ কোটি টাকা হয়েছে, যা আগের সপ্তাহের ৫৭২ কোটি টাকার তুলনায় ৩৭ কোটি টাকা বা প্রায় ৬ শতাংশ বেশি। তবে সূচকের পরিবর্তন খুব বেশি হয়নি। গত সপ্তাহ শেষে ঢাকার বাজারের প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের সপ্তাহের তুলনায় মাত্র ৬ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়ায় ৫ হাজার ৬৬২ পয়েন্টে। সূচকের খুব বেশি পরিবর্তন না হওয়ার কারণ হলো লেনদেন হওয়া শেয়ার ও ইউনিটের মধ্যে মূল্যবৃদ্ধি ও দরহ্রাসের সংখ্যাটি ছিল কাছাকাছি। গত সপ্তাহ শেষে ১৮৭ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দর বেড়েছে, তার বিপরীতে কমেছে ১৭০টির শেয়ারের দর।
বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, সূচকের বড় ধরনের কোনো পরিবর্তন না হলেও লেনদেন বৃদ্ধি বাজারের জন্য ইতিবাচক। বিনিয়োগকারীরা এখন এক খাতের শেয়ার বিক্রি করে অন্য খাতে টাকা সরিয়ে নিচ্ছেন। যেসব খাতের শেয়ারের মূল্যবৃদ্ধি সূচকে বড় ধরনের প্রভাব ফেলে, সেসব খাত থেকে টাকা যাচ্ছে সূচকে কম প্রভাব রাখে এমন শেয়ারে। ঢাকার বাজারে সূচকে খাতভিত্তিক সবচেয়ে বেশি প্রভাব ব্যাংক খাতের। গত সপ্তাহে এই খাতের কোম্পানির প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ ছিল কম। এ কারণে এই খাতের লেনদেন কমে গেছে। গত সপ্তাহে ব্যাংক খাতের শেয়ারের দৈনিক গড় লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৫১ কোটি টাকা, আগের সপ্তাহের তুলনায় ৬ কোটি টাকা কম।
"লেনদেন বৃদ্ধি বাজারের জন্য ইতিবাচক, বিনিয়োগকারীরা এক খাত থেকে অন্য খাতে টাকা সরিয়ে নিচ্ছেন"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০২ কোটি টাকা (বস্ত্র খাতের দৈনিক গড় লেনদেন), ৫৮ কোটি টাকা (বৃদ্ধি), ৪০ শতাংশ (বৃদ্ধির হার), ৬০৯ কোটি টাকা (মোট দৈনিক গড় লেনদেন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!