📌 সরকারি কর্মচারীদের জন্য নতুন পে-স্কেল ঘোষণার প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব। একইসঙ্গে কারাগার থেকে পালিয়ে যাওয়া ১৮২ বন্দীর পরিচয় নথিতে পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানিয়েছে কারা অধিদপ্তর
সরকারি কর্মচারীদের জন্য নতুন পে-স্কেল ঘোষণার প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এবিএম আব্দুস সাত্তার। রোববার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি জানান, যে কোনো মুহূর্তে এই পে-স্কেল ঘোষণা করা হতে পারে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সরকারি কর্মচারীদের নতুন পে-স্কেল চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে এবং যে কোনো সময় ঘোষণা করা হতে পারে
- 📌 মুখ্য সচিব এবিএম আব্দুস সাত্তার জানান, পে-স্কেল বিবেচনাধীন রয়েছে এবং সরকারের প্রতিশ্রুতি রয়েছে
- 📌 বিগত সরকার ১১ বছর যাবত কোনো পে-স্কেল ঘোষণা করেনি, যার ফলে ১৮ লাখ কর্মচারী চাপের মধ্যে রয়েছে
- 📌 কারাগার থেকে পালিয়ে যাওয়া ৫১৯ বন্দীর মধ্যে ১৮২ জনের পরিচয় ও মামলার তথ্য নথিতে পাওয়া যাচ্ছে না
- 📌 ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর পাঁচটি কারাগারে হামলায় ২ হাজার ২৪০ বন্দী পালিয়ে যায়
📰 বিস্তারিত
প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এবিএম আব্দুস সাত্তার রোববার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে জানান, সরকারি কর্মচারীদের জন্য নতুন পে-স্কেল ঘোষণার প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। তিনি বলেন, 'যে কোনো মুহূর্তে এটি ঘোষণা করা হতে পারে।' পে-স্কেল ঘোষণার ফলে অর্থনীতিতে অতিরিক্ত চাপ ও মূল্যস্ফীতি বাড়ার আশঙ্কা সম্পর্কে জানতে চাইলে মুখ্য সচিব বলেন, 'না, সেটা তো আমাদের মাথায় আছে।'
তিনি আরও জানান, সাধারণত পাঁচ থেকে ছয় বছর পরপর পে-স্কেল হওয়ার কথা থাকলেও বিগত সরকার ১১ বছর যাবত কোনো পে-স্কেল ঘোষণা করেনি। যার ফলে ১৮ লাখ কর্মকর্তা-কর্মচারী চাপের মধ্যে রয়েছে। মুখ্য সচিব বলেন, 'এখন মূল্যস্ফীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তাদের বেতন তো বাড়াতে হবে।'
এদিকে কারাগার থেকে পালিয়ে যাওয়া ৫১৯ বন্দীর মধ্যে ১৮২ জনের পরিচয় ও মামলার কোনো তথ্যই কারা অধিদপ্তরের নথি বা অনলাইন ব্যবস্থায় পাওয়া যাচ্ছে না। কারা কর্তৃপক্ষ জানায়, আদালতের নথি ধরে অনুসন্ধান করলে কিছু বন্দীর পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হতে পারে, তবে বিপুলসংখ্যক মামলা ও নথি ঘেঁটে তা বের করা অত্যন্ত কঠিন।
"না, সেটা তো আমাদের মাথায় আছে। কিন্তু কী করবেন? সাধারণত পাঁচ-ছয় বছর পরপর পে-স্কেল হওয়ার কথা। কিন্তু বিগত সরকার ১১ বছর যাবত কোনো পে-স্কেল ঘোষণা করেনি। যার ফলে এই ১৮ লাখ কর্মকর্তা-কর্মচারী আমরা চাপের মধ্যে আছি। তিনি বলেন, এখন মূল্যস্ফীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তাদের বেতন তো বাড়াতে হবে। এটা হয়তো জনগণের জন্য একটু কষ্টকর হবে। কিন্তু এটাও তো ঠিক যে, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাদের মূল্যস্ফীতির সঙ্গে জীবনযাত্রার সমন্বয়ের দাবি করছেন। এটি একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া, পাঁচ থেকে ছয় বছরের মধ্যে পে-স্কেল হওয়ার কথা কিন্তু আজ প্রায় ১২ বছর হয়ে যাচ্ছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: এবিএম আব্দুস সাত্তার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৮ লাখ কর্মচারী, ১১ বছর, ১৮২ জন বন্দী
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!