📌 জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) বার্ষিক দুই কোটি টাকা পর্যন্ত লেনদেনকারী ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে টার্নওভার কর থেকে অব্যাহতি দিয়েছে। দুই থেকে চার কোটি টাকার ব্যবসায়ীদের জন্য কর হার নির্ধারণ করা হয়েছে দশমিক ৫ শতাংশ। এছাড়া চার কোটি টাকার বেশি লেনদেনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে আগের মতোই এক শতাংশ কর দিতে হবে
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) বার্ষিক দুই কোটি টাকা পর্যন্ত লেনদেনকারী ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও কোম্পানিগুলোকে টার্নওভার কর থেকে অব্যাহতি দিয়েছে। এছাড়া দুই থেকে চার কোটি টাকা পর্যন্ত বার্ষিক লেনদেনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য কর হার নির্ধারণ করা হয়েছে দশমিক ৫ শতাংশ। অন্যদিকে, চার কোটি টাকার বেশি লেনদেনকারী ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে আগের মতোই এক শতাংশ ন্যূনতম কর প্রদান করতে হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বার্ষিক দুই কোটি টাকা পর্যন্ত লেনদেনকারী ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে টার্নওভার কর থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে
- 📌 দুই থেকে চার কোটি টাকা পর্যন্ত বার্ষিক লেনদেনের ওপর দশমিক ৫ শতাংশ টার্নওভার কর প্রযোজ্য হবে
- 📌 চার কোটি টাকার বেশি লেনদেনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে এক শতাংশ ন্যূনতম কর দিতে হবে
- 📌 শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য উৎপাদন শুরুর প্রথম তিন বছর পর্যন্ত কর হার দশমিক ২ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে
- 📌 আয়কর আইনের ১৬৩ ধারায় টার্নওভার করের বিধান রয়েছে
📰 বিস্তারিত
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) বার্ষিক দুই কোটি টাকা পর্যন্ত লেনদেনকারী ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে টার্নওভার কর থেকে অব্যাহতি দেওয়ার প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। এর ফলে ছোট ব্যবসায়ীরা উল্লেখযোগ্য স্বস্তি পাবেন বলে মনে করা হচ্ছে। এনবিআরের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এই সিদ্ধান্ত ব্যবসায়ীদের জন্য ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
এছাড়া দুই থেকে চার কোটি টাকা পর্যন্ত বার্ষিক লেনদেনকারী ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য টার্নওভার কর হার নির্ধারণ করা হয়েছে দশমিক ৫ শতাংশ। এর অর্থ হলো, এই পরিমাণের ব্যবসায়ীদের তাদের বার্ষিক লেনদেনের ওপর দশমিক ৫ শতাংশ হারে কর প্রদান করতে হবে। অন্যদিকে, চার কোটি টাকার বেশি বার্ষিক লেনদেনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে আগের মতোই এক শতাংশ ন্যূনতম কর প্রদান করতে হবে।
এনবিআরের সূত্রে জানা গেছে, শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য উৎপাদন শুরুর প্রথম তিন বছর পর্যন্ত কর হার দশমিক ২ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। আয়কর আইনের ১৬৩ ধারায় টার্নওভার করের বিধান রয়েছে। এই ধারায় বিভিন্ন খাতের জন্য ভিন্ন ভিন্ন কর হার নির্ধারণ করা হয়েছে। যেমন, সিগারেট ও তামাকজাত পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর তিন শতাংশ, কার্বোনেটেড বেভারেজ ও মিষ্টি প্রস্তুতকারকদের ওপর আড়াই শতাংশ এবং মোবাইল ফোন অপারেটরদের ক্ষেত্রে দেড় শতাংশ টার্নওভার কর প্রযোজ্য হবে।
"ছোট ব্যবসায়ীদের স্বস্তি দিতেই এই করছাড় দেওয়া হয়েছে। এতে ব্যবসায়ীদের সুবিধা হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কর্মকর্তা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: দুই কোটি টাকা, দশমিক ৫ শতাংশ, চার কোটি টাকা, এক শতাংশ, দশমিক ২ শতাংশ, ১৬৩ ধারা, তিন শতাংশ, আড়াই শতাংশ, দেড় শতাংশ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!