📌 হরমুজ প্রণালিতে অনিশ্চয়তার কারণে কাতার থেকে এলএনজি সরবরাহ স্থগিত হওয়ায় বাংলাদেশসহ ইউরোপ ও এশিয়ার দেশগুলোতে জ্বালানি সংকট তীব্র হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। অক্টোবর পর্যন্ত সরবরাহ বন্ধ থাকতে পারে বলে জানিয়েছে কাতার এনার্জি
হরমুজ প্রণালিতে চলমান অনিশ্চয়তার কারণে কাতার থেকে এলএনজি সরবরাহ স্থগিতের মেয়াদ আরও বাড়িয়েছে কাতার এনার্জি। ফলে বাংলাদেশসহ ইউরোপ ও এশিয়ার দেশগুলোতে এলএনজি সরবরাহ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। ইউরো নিউজের বরাতে জানা গেছে, অক্টোবর পর্যন্ত সরবরাহ বাতিল হতে পারে বলে জানিয়েছে কাতার এনার্জি। বাংলাদেশের জন্য নির্ধারিত সেপ্টেম্বরের পরের চালানগুলোও বিঘ্নিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 হরমুজ প্রণালিতে অনিশ্চয়তার কারণে কাতার থেকে এলএনজি সরবরাহ স্থগিতের মেয়াদ বাড়িয়েছে কাতার এনার্জি
- 📌 বাংলাদেশসহ ইউরোপ ও এশিয়ার দেশগুলোতে এলএনজি সরবরাহ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে
- 📌 অক্টোবর পর্যন্ত সরবরাহ বাতিল হতে পারে বলে জানিয়েছে কাতার এনার্জি
- 📌 বাংলাদেশের জন্য নির্ধারিত সেপ্টেম্বরের পরের চালানগুলোও বিঘ্নিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে
- 📌 ইতালির প্রতিষ্ঠান এডিসনের সঙ্গে কাতার এনার্জির ২৯টি চালান বাতিল হয়েছে
- 📌 বাতিল হওয়া চালানগুলোর মধ্যে প্রায় ৩৮০ কোটি ঘনমিটার প্রাকৃতিক গ্যাস আমদানির কথা ছিল
📰 বিস্তারিত
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে কাতার ও ওমান থেকে বাংলাদেশের এলএনজি সরবরাহ ব্যাহত হয়ে আসছে। নিয়মিত সরবরাহ না আসায় দেশে গ্যাসের সংকট তীব্র হয়েছে। ইউরোপ ও এশিয়ার ক্রেতাদের পক্ষে এলএনজি পাওয়া অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। ইতালির জ্বালানি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান এডিসনের সঙ্গে কাতার এনার্জির চুক্তির আওতায় এপ্রিল থেকে এ পর্যন্ত বাতিল হওয়া চালানের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৯টি। এসব চালানে প্রায় ৩৮০ কোটি ঘনমিটার প্রাকৃতিক গ্যাস আমদানির কথা ছিল।
এডিসন জানিয়েছে, এর মধ্যে বাতিল হওয়া ২১টি চালানের বিকল্প ব্যবস্থা করা হয়েছে। ফলে গ্রাহকদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। কলাম্বিয়া ইউনিভার্সিটির সেন্টার অন গ্লোবাল এনার্জি পলিসির বিশেষজ্ঞ অ্যান-সোফি করবো বলেন, রাজনৈতিক সমাধান না হলে এ পরিস্থিতি আরও কিছুদিন চলতে পারে। তিনি আরও বলেন, স্বাভাবিকভাবে এলএনজি রপ্তানি কবে শুরু হবে, সে বিষয়ে কাতার এনার্জি নিশ্চয়তা দিয়ে কিছু বলতে পারেনি।
যুদ্ধের প্রথম ৬ মাসে কাতার মাত্র ১৮টি এলএনজি চালান রপ্তানি করেছে। আগের বছরের একই সময়ে এ সংখ্যা ছিল ৫০৯। এতে কাতারের গ্যাস বিক্রি থেকে আয় কমেছে প্রায় ২৪ বিলিয়ন ডলার। অন্য রপ্তানিকারকেরা অবশ্য ঘাটতির একাংশ পূরণ করছে। যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা থেকে এলএনজি সরবরাহ বেড়েছে। গত এক বছরে যেসব নতুন স্থাপনা থেকে উৎপাদন শুরু হয়েছে, সেগুলোও তাতে ভূমিকা রাখছে।
"হরমুজ প্রণালি দিয়ে স্বাভাবিকভাবে এলএনজি পরিবহন এখনো প্রায় বন্ধ। এ পরিস্থিতিতে ইউরোপ ও এশিয়ার ক্রেতাদের পক্ষে এলএনজি পাওয়া অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কাতার, বাংলাদেশ, ইউরোপ, এশিয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কাতার এনার্জি, এডিসন, অ্যান-সোফি করবো
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৯টি চালান, ৩৮০ কোটি ঘনমিটার গ্যাস, ২৪ বিলিয়ন ডলার আয় হ্রাস
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!