📌 নেপাল-চীন সীমান্তের গিরং এলাকায় আকস্মিক বন্যার ভয়াবহতা উন্মোচিত হয়েছে। স্থানীয় সময় সকাল ১০টা ৫৯ মিনিট ৫৩ সেকেন্ডে ধারণ করা সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, পাহাড়ের আড়াল থেকে বিশাল স্রোত ধেয়ে আসছে। এতে ফ্রেন্ডশিপ ব্রিজসহ একাধিক স্থাপনা ধ্বংস হয়ে গেছে। ভারতীয় নাগরিকসহ অন্তত ২৭৫ জন এখনো নিখোঁজ রয়েছেন
নেপাল-চীন সীমান্তের গিরং এলাকায় আকস্মিক বন্যার ভয়াবহতা উন্মোচন করেছে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ। স্থানীয় সময় গত ২৬ আগস্ট সকাল ১০টা ৫৯ মিনিট ৫৩ সেকেন্ডে ধারণ করা সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, পাহাড়ের আড়াল থেকে কালো মেঘের মতো একটি বিশাল স্রোত ধেয়ে আসছে। কয়েক মুহূর্তের মধ্যেই তা রূপ নেয় পানি, কাদা, পাথর, বরফ ও বিশাল শিলাখণ্ডের ভয়ংকর স্রোতে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গত ২৬ আগস্ট নেপাল-চীন সীমান্তের গিরং এলাকায় আকস্মিক বন্যা আঘাত হানে
- 📌 স্থানীয় সময় সকাল ১০টা ৫৯ মিনিট ৫৩ সেকেন্ডে ধারণ করা সিসিটিভি ফুটেজে বন্যার ভয়াবহতা ধরা পড়ে
- 📌 ফ্রেন্ডশিপ ব্রিজসহ নেপালের অভিবাসন ও শুল্ক কার্যালয় সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যায়
- 📌 তিমুরে অবস্থিত দোকান, হোটেল, বাড়িঘর ও অন্যান্য স্থাপনা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়
- 📌 ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, নেপালে অন্তত ২৭৫ ভারতীয় নাগরিক এখনো নিখোঁজ রয়েছেন
- 📌 নেপালের অভিবাসন বিভাগের ইলেকট্রনিক রেকর্ড থেকে জানা যায়, বন্যার আগে ৮৯ জন নেপালি ও বিদেশি নাগরিক তিব্বতের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছিলেন
📰 বিস্তারিত
নেপাল-চীন সীমান্তের গিরং এলাকায় আকস্মিক বন্যার ভয়াবহতা উন্মোচন করেছে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ। স্থানীয় সময় গত ২৬ আগস্ট সকাল ১০টা ৫৯ মিনিট ৫৩ সেকেন্ডে ধারণ করা সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, পাহাড়ের আড়াল থেকে কালো মেঘের মতো একটি বিশাল স্রোত ধেয়ে আসছে। কয়েক মুহূর্তের মধ্যেই তা রূপ নেয় পানি, কাদা, পাথর, বরফ ও বিশাল শিলাখণ্ডের ভয়ংকর স্রোতে।
জলবিদ্যাবিদ অজয় দীক্ষিত বিবিসিকে জানান, কাঠমান্ডু ও তিব্বতের মধ্যে এটি একটি ঐতিহাসিক যাতায়াতপথ হলেও গভীর গিরিখাত, খাড়া পাহাড় এবং দ্রুতগতির নদীর কারণে এলাকাটি ভূতাত্ত্বিকভাবে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। এসব নদী বিপুল পরিমাণ পলি ও বড় বড় পাথর বহন করে নিয়ে আসে। ফলে দুর্যোগের সময় সীমান্ত এলাকাটিতে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ঘটে।
বন্যার কারণে ফ্রেন্ডশিপ ব্রিজটি সম্পূর্ণ ভেসে গেছে। ধ্বংস হয়েছে নেপালের অভিবাসন ও শুল্ক কার্যালয়। সীমান্তের কাছে থাকা ছোট বাণিজ্যিক জনপদ তিমুরে দোকান, হোটেল, বাড়িঘর ও অন্যান্য স্থাপনাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, নেপালে অন্তত ২৭৫ ভারতীয় নাগরিক এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। এর মধ্যে সীমান্ত এলাকায় থাকা বহু তীর্থযাত্রীও রয়েছেন।
"কাঠমান্ডু ও তিব্বতের মধ্যে এটি একটি ঐতিহাসিক যাতায়াতপথ। তবে গভীর গিরিখাত, খাড়া পাহাড় এবং দ্রুতগতির নদীর কারণে এলাকাটি ভূতাত্ত্বিকভাবে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। এসব নদী বিপুল পরিমাণ পলি ও বড় বড় পাথর বহন করে নিয়ে আসে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গিরং, নেপাল-চীন সীমান্ত
- 👥 গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি: অজয় দীক্ষিত (জলবিদ্যাবিদ)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৭৫ (ভারতীয় নাগরিক নিখোঁজ), ৮৯ (বিদেশি নাগরিক যাত্রা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!