📅 ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:২৬ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

গফরগাঁওয়ে জন্মদিন উদযাপনের পর হত্যার শিকার যুবক, তিন মাসেও আসামি গ্রেপ্তার নয়

গফরগাঁওয়ে জন্মদিন উদযাপনের পর হত্যার শিকার যুবক, তিন মাসেও আসামি গ্রেপ্তার নয়

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে নিজের ২৩তম জন্মদিন উদযাপনের পর হত্যার শিকার হন আশরাফুল আলম। তিন মাস পার হলেও পুলিশ মূল আসামিদের গ্রেপ্তার করতে পারেনি। হত্যার বিচার চেয়ে পরিবারের আহাজারি অব্যাহত।

ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার শিলাসী গ্রামে নিজের ২৩তম জন্মদিন উদযাপনের পর হত্যার শিকার হন স্থানীয় যুবক আশরাফুল আলম ওরফে রবিন। গত ৮ জুন দিবাগত রাত ১২টা ১ মিনিটে গফরগাঁও ডাকবাংলো চত্বরে বন্ধুদের আয়োজনে জন্মদিনের কেক কাটেন তিনি। অনুষ্ঠান শেষে রাত পৌনে একটার দিকে বন্ধু শাকিবুল হাসানের মোটরসাইকেলে চড়ে বাড়ি ফিরছিলেন আশরাফুল। পথে শিলাসী মাজার রোড এলাকায় চোখেমুখে মরিচের গুঁড়া ছিটিয়ে তাঁদের গতিরোধ করে একদল দুর্বৃত্ত। এ সময় শাকিবুল পালাতে সক্ষম হলেও আশরাফুলকে কুপিয়ে ও রড দিয়ে পেটাতে থাকেন তারা। হামলায় তাঁর বাঁ হাতের কবজি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে গফরগাঁও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে রাত সোয়া তিনটার দিকে তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকেরা।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 হত্যার শিকার হন ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার শিলাসী গ্রামের রাজমিস্ত্রি মোফাজ্জল হোসেন ও শান্তা আক্তার দম্পতির ছেলে আশরাফুল আলম ওরফে রবিন (২৩)
  • 📌 গত ৮ জুন দিবাগত রাত ১২টা ১ মিনিটে জন্মদিনের কেক কাটার পর হত্যার শিকার হন তিনি
  • 📌 হামলায় তাঁর বাঁ হাতের কবজি বিচ্ছিন্ন ও মাথায় রড দিয়ে আঘাত করা হয়
  • 📌 ঘটনার তিন মাস পার হলেও পুলিশ মূল আসামিদের গ্রেপ্তার করতে পারেনি

📰 বিস্তারিত

গফরগাঁও উপজেলার শিলাসী গ্রামের বাসিন্দা রাজমিস্ত্রি মোফাজ্জল হোসেন ও শান্তা আক্তার দম্পতির একমাত্র সন্তান ছিলেন আশরাফুল আলম। গত ৮ জুন দিবাগত রাত ১২টা ১ মিনিটে গফরগাঁও ডাকবাংলো চত্বরে বন্ধুদের আয়োজনে নিজের ২৩তম জন্মদিনের কেক কাটেন তিনি। অনুষ্ঠান শেষে রাত পৌনে একটার দিকে বন্ধু শাকিবুল হাসানের মোটরসাইকেলে চড়ে বাড়ি ফিরছিলেন আশরাফুল। পথে শিলাসী মাজার রোড এলাকায় চোখেমুখে মরিচের গুঁড়া ছিটিয়ে তাঁদের গতিরোধ করে একদল দুর্বৃত্ত। এ সময় শাকিবুল পালাতে সক্ষম হলেও আশরাফুলকে কুপিয়ে ও রড দিয়ে পেটাতে থাকেন তারা।

হামলায় তাঁর বাঁ হাতের কবজি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং মাথায় রড দিয়ে আঘাত করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে গফরগাঁও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে রাত সোয়া তিনটার দিকে তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকেরা। ঘটনার পর ১০ জুন আশরাফুলের বাবা মোফাজ্জল হোসেন বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন।

পুলিশ সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে কলেজ রোড এলাকার আবদুল মোতালেবের ছেলে মো. রাজিবকে অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করে দুই দিনের রিমান্ডে নেয়। তবে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদেও তাঁর কাছ থেকে কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যায়নি। নিহত আশরাফুলের সঙ্গে রাজিবদের বিরোধ ছিল বলে জানিয়েছেন পুলিশ। ঘটনার তিন মাস পার হলেও পুলিশ মূল আসামিদের গ্রেপ্তার করতে পারেনি।

"আমার একটাই ছেলে ছিল। বন্ধুদের সঙ্গে জন্মদিনের কেক কেটে বাড়ি ফেরার পথে কোপাইয়া মারল। মরিচের গুঁড়া ছিটাইয়া কুপাইয়া হাত কাইট্টা দিল, মাথায় রড দিয়ে পিডাইল। আমার ছেলের তো কোনো দোষ ছিল না। এত দিন হয়ে গেল; অথচ পুলিশ এখনো আসামিদের ধরে নাই। থানায় গেলে খালি কয় তদন্ত চলতাছে। আমি আমার ছেলে হত্যার বিচার চাই।" — শান্তা আক্তার, নিহত আশরাফুলের মা

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: গফরগাঁও উপজেলা, ময়মনসিংহ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আশরাফুল আলম ওরফে রবিন (২৩), শান্তা আক্তার (মা), মোফাজ্জল হোসেন (বাবা), মো. রাজিব (সন্দেহভাজন আসামি)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ মাস, ২৩ বছর, ৮ জুন, ১২টা ১ মিনিট

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖