📌 সিলেটে বিজিবির নতুন ড্রোন স্কুল উদ্বোধনকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, মব সংস্কৃতি ও সীমান্ত অপরাধ দমনে বিদ্যমান আইনই যথেষ্ট। তিনি ড্রোন প্রযুক্তির মাধ্যমে সীমান্ত নজরদারি বৃদ্ধির পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন
সিলেটে বাংলাদেশ বিজিবির নতুন প্রতিষ্ঠিত সীমান্ত স্কুল অব সার্ভেইলেন্স অ্যান্ড ড্রোন ওয়ারফেয়ার (এসএসএসডিডাব্লিউ)-এর উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, দেশে মব সংস্কৃতির বিরুদ্ধে বিদ্যমান আইনেই শক্ত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব। তিনি সাংবাদিকদের জানান, ‘আমরা খুব সজাগ ও সচেতন। বাংলাদেশে মব সংস্কৃতি যেভাবে ছড়িয়েছে, তা শক্তভাবে মোকাবিলা করা হবে, ইনশা আল্লাহ।’
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, মব সংস্কৃতি ও সংঘবদ্ধ জনতার হাতে আইন তুলে নেওয়ার ঘটনা বিদ্যমান আইনেই নিয়ন্ত্রণযোগ্য
- 📌 সিলেটে বিজিবির নতুন ড্রোন স্কুল উদ্বোধনকালে তিনি জানান, সীমান্ত এলাকায় ডিজিটাল নজরদারি বৃদ্ধির পরিকল্পনা রয়েছে
- 📌 স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, দেশে ইতিমধ্যে ড্রোন উৎপাদন শুরু হয়েছে এবং ভবিষ্যতে প্রতিরক্ষা শিল্প হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে
- 📌 তিনি জানান, ঢাকায় প্রায় ৮০ হাজার, কক্সবাজারে ২০ হাজার এবং চট্টগ্রামে প্রায় ৩০ হাজার মাদক মামলা বিচারাধীন রয়েছে
- 📌 স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, নতুন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মাধ্যমে মাদক সংক্রান্ত অপরাধ দমনে আরও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে
📰 বিস্তারিত
সিলেটে বিজিবির নতুন প্রতিষ্ঠিত সীমান্ত স্কুল অব সার্ভেইলেন্স অ্যান্ড ড্রোন ওয়ারফেয়ার (এসএসএসডিডাব্লিউ)-এর উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, দেশে মব সংস্কৃতির বিরুদ্ধে বিদ্যমান আইনেই শক্ত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব। তিনি সাংবাদিকদের জানান, ‘আমরা খুব সজাগ ও সচেতন। বাংলাদেশে মব সংস্কৃতি যেভাবে ছড়িয়েছে, তা শক্তভাবে মোকাবিলা করা হবে, ইনশা আল্লাহ।’
সিলেটে বিজিবির নতুন ড্রোন স্কুল উদ্বোধন প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সীমান্তের দুর্গম এলাকায় মাদক, অস্ত্র ও চোরাচালান ঠেকাতে প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি বাড়ানো হবে। যেসব এলাকায় জনবল দিয়ে ম্যানুয়ালি নজরদারি করা সম্ভব নয়, সেখানে ডিজিটাল সার্ভেইলেন্স, নাইট ভিশন ও থার্মাল ড্রোন ব্যবহার করা হবে। এসব প্রযুক্তির মাধ্যমে সীমান্তের ওপারের কর্মকাণ্ড পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি চোরাচালান, মাদক ও অস্ত্র পাচারের মতো কর্মকাণ্ড শনাক্ত করা সম্ভব হবে বলে জানান তিনি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, বর্তমানে বাহিনীর সদস্যদের ড্রোন পরিচালনা ও নজরদারি বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। ভবিষ্যতে বেসামরিক জনবলকেও এ ধরনের প্রশিক্ষণ ও পরীক্ষার সুযোগ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। অবৈধ অনুপ্রবেশ, চোরাচালান, মাদক ও মানব পাচারসহ সীমান্তকেন্দ্রিক অপরাধ মোকাবিলায় প্রযুক্তির ব্যবহার আরও বাড়ানো হবে বলে তিনি জানান।
‘আমরা নিজেরাও এখানে ড্রোন অ্যাসেম্বল করছি, বানাচ্ছি। ভবিষ্যতে এটাকে আমাদের ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রি হিসেবে গড়ে তুলতে পারি।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সিলেট
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮০ হাজার (ঢাকা), ২০ হাজার (কক্সবাজার), ৩০ হাজার (চট্টগ্রাম)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!