📌 পুরনো জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে ভেঙে দুটি স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান গঠনের সরকারি সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে। রাজস্ব নীতি বিভাগ ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ নামে দুটি সংস্থা গঠন করা হবে। অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন, রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা, যা আগের বছরের তুলনায় ৪৬ শতাংশ বেশি।
পুরনো জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) ভেঙে দুটি স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান গঠনের সরকারি সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে। রাজস্ব নীতি বিভাগ ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ নামে দুটি সংস্থা গঠন করা হবে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পুরনো এনবিআরকে ভেঙে দুটি স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান গঠনের সরকারি সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে
- 📌 রাজস্ব নীতি বিভাগ হবে সরকারের ‘থিংক ট্যাংক’, যা কর কাঠামো প্রণয়ন করবে
- 📌 রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ হবে ‘অ্যাকশন টিম’, যা রাজস্ব আদায় করবে
- 📌 ২০২৬-২৭ অর্থবছরের রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা
- 📌 রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা আগের বছরের তুলনায় ৪৬ শতাংশ বেশি নির্ধারণ করা হয়েছে
📰 বিস্তারিত
রাজস্ব প্রশাসনে সরকারের সংস্কার প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, পুরনো জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে ভেঙে দুটি স্বতন্ত্র ও স্বচ্ছ প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একটি হবে রাজস্ব নীতি বিভাগ, যা সরকারের ‘থিংক ট্যাংক’ হিসেবে কাজ করবে। এই সংস্থা একটি ভারসাম্যপূর্ণ, প্রতিযোগিতামূলক ও উন্নয়নবান্ধব কর কাঠামো প্রণয়ন করবে। অন্যটি হবে রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ, যা ‘অ্যাকশন টিম’ হিসেবে রাজস্ব আদায় করবে এবং দেশপ্রেমিক নাগরিকের মতো দায়িত্ব পালন করবে।
মঙ্গলবার রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলনকেন্দ্রে আয়োজিত ‘রাজস্ব সম্মেলন-২০২৬’-এ দেওয়া বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, কর প্রদান প্রক্রিয়া সহজ করা এবং আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য।
অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, অর্থনীতির আকার বাড়লেও সে অনুযায়ী রাষ্ট্রের রাজস্ব আহরণের সক্ষমতা বাড়েনি। এই ব্যবধান কমাতে বিদ্যমান করদাতাদের ওপর শুধু করের বোঝা বাড়ালে হবে না। বরং করের আওতা বাড়াতে হবে, কর অব্যাহতি যৌক্তিক করতে হবে, কর ফাঁকি ও পরিহার বন্ধ করতে হবে এবং অটোমেশনের মাধ্যমে করদাতাদের কমপ্লায়েন্স বাড়াতে হবে।
২০২৬-২৭ অর্থবছরের রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ অর্থবছরে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা, যা আগের বছরের তুলনায় ৪৬ শতাংশ বেশি। এই লক্ষ্যমাত্রা উচ্চাভিলাষী হলেও তা ইচ্ছাকৃতভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার ঋণনির্ভর অর্থনীতি থেকে বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতিতে যেতে চায়।
"রাজস্ব সম্মেলন শুধু রাজস্ব আদায়ের হিসাব-নিকাশের সম্মেলন নয়, এটি জাতীয় ঐকমত্য গঠনের একটি প্ল্যাটফর্ম। কীভাবে নিজস্ব অর্থায়নে একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলা যায়, সেই পথ নির্ধারণে এ সম্মেলন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলনকেন্দ্র, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা (২০২৬-২৭ অর্থবছরের রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা), ৪৬ শতাংশ (আগের বছরের তুলনায় বৃদ্ধি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!