📌 মালয়েশিয়ায় জনশক্তি রপ্তানির নামে ৫৪ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দি জিএমজি অ্যাসোসিয়েটসের চেয়ারম্যানসহ দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন। সরকার নির্ধারিত ব্যয়ের চেয়ে কয়েক গুণ বেশি অর্থ আদায়ের অভিযোগে ১০০টি রিক্রুটিং এজেন্সির বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে
মালয়েশিয়ায় জনশক্তি রপ্তানির নামে ব্যাপক অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দি জিএমজি অ্যাসোসিয়েটসের চেয়ারম্যান গোলাম মাওলাসহ দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সোমবার দুদকের সেগুনবাগিচা প্রধান কার্যালয়ে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির উপপরিচালক আকতারুল ইসলাম।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মালয়েশিয়ায় জনশক্তি রপ্তানির নামে ৫৪ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের জিজ্ঞাসাবাদে অংশ নেন দি জিএমজি অ্যাসোসিয়েটসের চেয়ারম্যান গোলাম মাওলা ও আরও একজন
- 📌 সরকার নির্ধারিত জনশক্তি রপ্তানি ব্যয় ছিল প্রতি কর্মী প্রতি ৭৯ হাজার টাকা
- 📌 রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো শ্রমিকদের কাছ থেকে সাড়ে ৪ লাখ থেকে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত আদায় করেছে বলে অভিযোগ
- 📌 মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে সিন্ডিকেট করে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ১০০টি রিক্রুটিং এজেন্সির বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে দুদক
- 📌 দুদকের অভিযোগ অনুসারে প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকা লুটপাটের ঘটনায় ইতঃপূর্বে ২৩২ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে
📰 বিস্তারিত
দুদকের উপপরিচালক আকতারুল ইসলাম জানান, মালয়েশিয়ায় কর্মী প্রেরণের পুরো প্রক্রিয়ায় অনিয়মের বিষয়ে চলমান তদন্তের অংশ হিসেবে আজ দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর বিরুদ্ধে যে তদন্ত চলছে, তারই ধারাবাহিকতায় আজ দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।’
গোলাম মাওলা তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পর্কে বলেন, ‘মালয়েশিয়াগামী শ্রমিকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগে দুদক যে মামলা করেছে, সে বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদে অংশ নিতে এসেছি। তবে এসব মামলা ভিত্তিহীন।’ তিনি আরও বলেন, ‘সব অভিযোগ মিথ্যা নয়, কিছু ক্ষেত্রে অনিয়ম হয়েছে। তবে সবাই অর্থ আত্মসাৎ করেছে এমন অভিযোগের ভিত্তি নেই।’
দুদকের তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানান, মালয়েশিয়ায় কর্মী প্রেরণের পুরো প্রক্রিয়ায় কোন কোন এজেন্সি কীভাবে যুক্ত ছিল, শ্রমিকদের কাছ থেকে কত টাকা আদায় করা হয়েছে এবং নির্ধারিত ব্যয়ের বাইরে নেওয়া অর্থ কোথায় গেছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
‘রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর বিষয়ে যে চলমান তদন্ত চলছে, তারই ধারাবাহিকতায় আজ দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।’ — দুদকের উপপরিচালক আকতারুল ইসলাম
‘সব অভিযোগ মিথ্যা নয়, কিছু ক্ষেত্রে অনিয়ম হয়েছে। তবে সবাই অর্থ আত্মসাৎ করেছে এমন অভিযোগের ভিত্তি নেই।’ — গোলাম মাওলা, চেয়ারম্যান, দি জিএমজি অ্যাসোসিয়েটস
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: গোলাম মাওলা (চেয়ারম্যান, দি জিএমজি অ্যাসোসিয়েটস), আকতারুল ইসলাম (উপপরিচালক, দুদক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫৪ কোটি টাকা, ৭৯ হাজার টাকা, ৪ লাখ টাকা, ৫ লাখ টাকা, ১০০টি এজেন্সি, ৮ হাজার কোটি টাকা, ২৩২ জন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!