📌 চীন-বাংলাদেশ টেক্সটাইল ও ফ্যাশন সম্মেলনে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির জানিয়েছেন, পাটপণ্যের উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে পাটের দাম ও কৃষকের উৎসাহ দুটিই বাড়ানো সম্ভব। দুই দেশের যৌথ সহযোগিতায় টেক্সটাইল খাতের রপ্তানি দ্বিগুণ করার পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়েছে
বাণিজ্য, শিল্প ও পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, চীন-বাংলাদেশ যৌথ উদ্যোগে পাটপণ্যের উৎপাদন বৃদ্ধি পেলে পাটের মূল্য বৃদ্ধির পাশাপাশি কৃষকদের মধ্যে পাট চাষে উৎসাহ সৃষ্টি হবে। সোমবার রাজধানীর জেডিপিসি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত চীন-বাংলাদেশ টেক্সটাইল অ্যান্ড ফ্যাশন কনফারেন্সে তিনি এ অভিমত ব্যক্ত করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চীন-বাংলাদেশ যৌথ উদ্যোগে পাটপণ্যের উৎপাদন বৃদ্ধির ফলে পাটের দাম ও কৃষকের উৎসাহ বৃদ্ধির সম্ভাবনা
- 📌 দুই দেশের টেক্সটাইল খাতের রপ্তানি দ্বিগুণ করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ
- 📌 চীনের সঙ্গে শিক্ষা ও গবেষণা আদান-প্রদানের মাধ্যমে টেক্সটাইল খাতের উন্নয়ন
- 📌 সম্মেলনে চীনে পাট রপ্তানি বৃদ্ধির পরিকল্পনা উপস্থাপন
📰 বিস্তারিত
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির জানান, চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে টেক্সটাইল ও ফ্যাশন খাতের যৌথ সহযোগিতা বৃদ্ধির মাধ্যমে দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে। তিনি উল্লেখ করেন, পাটপণ্যের উৎপাদন বৃদ্ধি পেলে বাজারে এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে, যা কৃষকদের জন্য লাভজনক হবে। একই সঙ্গে দুই দেশের অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশের টেক্সটাইল খাতের রপ্তানি দ্বিগুণ করার পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়েছে।
সম্মেলনে তিনি জানান, চীনের সঙ্গে যৌথভাবে বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে চীনের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষা ও গবেষণা আদান-প্রদানের মাধ্যমে টেক্সটাইল খাতের উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা হবে। এছাড়া চীনে পাট রপ্তানি বৃদ্ধির পরিকল্পনা তুলে ধরে তিনি বলেন, দুই দেশের মধ্যে ব্যবসায়িক সম্পর্ক আরও গভীর হবে।
"পাটপণ্যের উৎপাদন বৃদ্ধি পেলে পাটের দাম বাড়বে, একই সঙ্গে কৃষকও পাট চাষে আরও উৎসাহিত হবেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজধানীর জেডিপিসি মিলনায়তন, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির (বাণিজ্য, শিল্প ও পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭ আগস্ট ২০২৬
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!