📌 বিশ্বখ্যাত বই 'রিচ ড্যাড পুওর ড্যাড'-এর লেখক রবার্ট কিওসাকির প্রায় ১.২ বিলিয়ন ডলার ঋণ রয়েছে। তিনি ঋণকে সম্পদ বৃদ্ধির হাতিয়ার হিসেবে দেখালেও সাধারণ মানুষকে সতর্ক করেছেন। বিশেষজ্ঞরা এ ধরনের বিশাল ঋণের বিপদ সম্পর্কে সতর্ক করেছেন
বিশ্বখ্যাত আর্থিক শিক্ষাবিষয়ক লেখক রবার্ট কিওসাকির প্রায় ১.২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ রয়েছে। তার এই বিশাল ঋণ তার বিস্তৃত রিয়েল এস্টেট বিনিয়োগের অংশ বলে জানিয়েছেন তিনি। সম্প্রতি এক পডকাস্টে তিনি নিজেই এই তথ্য প্রকাশ করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিশ্বখ্যাত লেখক রবার্ট কিওসাকির প্রায় ১.২ বিলিয়ন ডলার ঋণ রয়েছে
- 📌 তার এই ঋণ তার রিয়েল এস্টেট বিনিয়োগের বিপরীতে নেওয়া হয়েছে
- 📌 তিনি ঋণকে সম্পদ বৃদ্ধির হাতিয়ার হিসেবে দেখেন
- 📌 সাধারণ মানুষকে অন্ধভাবে তার পথ অনুসরণ না করার পরামর্শ দেন
- 📌 তার স্ত্রী কিম কিওসাকি জানান, পুরো ঋণ তার ব্যক্তিগত নয়, অংশীদারদের সঙ্গে যৌথ মালিকানাধীন প্রকল্পের বিপরীতে নেওয়া হয়েছে
- 📌 বিশেষজ্ঞরা বিশাল ঋণের বিপদ সম্পর্কে সতর্ক করেছেন
📰 বিস্তারিত
বিশ্বখ্যাত বই 'রিচ ড্যাড পুওর ড্যাড'-এর লেখক রবার্ট কিওসাকি সম্প্রতি নিজের বিশাল ঋণের বিষয়টি প্রকাশ করেন। তিনি জানান, তার প্রায় ১.২ বিলিয়ন ডলার ঋণ রয়েছে। তবে তিনি এই ঋণকে ব্যর্থতা হিসেবে দেখেন না। বরং তিনি মনে করেন, আয়বর্ধক সম্পদ গড়ে তুলতে ঋণ একটি কার্যকর হাতিয়ার হতে পারে।
তার স্ত্রী ও ব্যবসায়িক অংশীদার কিম কিওসাকি জানান, এই বিশাল অঙ্কের ঋণ পুরোপুরি তার ব্যক্তিগত নয়। বরং এটি প্রায় এক হাজার ৫০০টি অ্যাপার্টমেন্ট ও আবাসন প্রকল্পের বিপরীতে নেওয়া যৌথ ঋণ। তিনি বলেন, মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে কিওসাকি প্রায়ই এই বিশাল অঙ্কের ঋণের কথা উল্লেখ করেন। এরপর তিনি ব্যাখ্যা করেন, কীভাবে বিনিয়োগের বিপরীতে নেওয়া ঋণ লাভজনক হতে পারে।
কিওসাকি তার বিনিয়োগ কৌশলের অংশ হিসেবে প্রতিটি প্রকল্প আলাদা লিমিটেড লায়াবিলিটি কোম্পানির অধীনে রাখেন। এর ফলে একটি প্রকল্প ক্ষতিগ্রস্ত হলেও অন্যগুলো সুরক্ষিত থাকে। তিনি বলেন, 'পরিস্থিতি খারাপ হলে আমার আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলা যাবে। ধনীরা ফায়ারওয়াল বা সুরক্ষাব্যবস্থা তৈরি করে এভাবেই ব্যবসা পরিচালনা করে।'
তবে আর্থিক বিশেষজ্ঞরা এ ধরনের বিশাল ঋণের বিপদ সম্পর্কে সতর্ক করেছেন। কর পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ট্যাক্স ম্যাভেরিক এআই'-এর প্রতিষ্ঠাতা ডেভিড এ. পেরেজ বলেন, রিয়েল এস্টেট সম্পদের বিপরীতে বড় অঙ্কের ঋণ থাকা অস্বাভাবিক নয়। তবে এতে বন্ধকের কিস্তি ও সুদের বোঝা বাড়ে এবং নগদ প্রবাহ কমে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়। অন্যদিকে, আর্থিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান 'জেপিটিডি পার্টনার্স-এর প্রতিষ্ঠাতা জন পুল বলেন, বিশাল ঋণ ব্যবস্থাপনায় অত্যন্ত দক্ষ ও সতর্ক থাকা প্রয়োজন। তিনি বলেন, 'সম্পদের মূল্য বাড়তে থাকলে ঋণ চমৎকার ফল দেয়। কিন্তু বাজার বিপরীত দিকে ঘুরলে এটি মারাত্মক আর্থিক বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে।'
"আমি প্রায় ১.২ বিলিয়ন ডলারের ঋণে আছি। তবে প্রয়োজনীয় আর্থিক শিক্ষা ছাড়া সাধারণ মানুষকে অন্ধভাবে তার পথ অনুসরণ না করার পরামর্শ দেন তিনি। কিওসাকি বলেন, '১৯৭৪ সাল থেকে আমি এ বিষয়ে বিস্তারিত পড়াশোনা করেছি। ঋণকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে চাইলে আগে এ সম্পর্কে সঠিক শিক্ষা নেওয়া জরুরি।'"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বিশ্বব্যাপী
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রবার্ট কিওসাকি, কিম কিওসাকি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১.২ বিলিয়ন ডলার, ৭৯ বছর, ১৯৭৪ সাল
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!