📌 মিরপুর ও মোহাম্মদপুরের বাজারগুলোতে ফার্মের মুরগি ও ডিমের দাম স্থিতিশীল থাকলেও অন্যান্য নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধির প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। বিদ্যুৎ সংকটের কারণে বেচাকেনায় প্রভাব পড়েছে বলে বিক্রেতারা জানিয়েছেন
রাজধানীর মিরপুর ও মোহাম্মদপুর এলাকার বিভিন্ন বাজারে ফার্মের মুরগি ও ডিমের দাম স্থিতিশীল থাকলেও অন্যান্য নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধির প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। এক মাসেরও বেশি সময় ধরে বিদ্যুৎ সংকটের কারণে বাজারের বেচাকেনায় প্রভাব পড়েছে বলে বিক্রেতারা জানিয়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 প্রতি কেজি ফার্মের মুরগির দাম ২০০ টাকা ও ডিমের দাম দেড় শ টাকা স্থিতিশীল রয়েছে দুই-তিন সপ্তাহ ধরে
- 📌 গত মাসখানেক আগে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগির দাম ছিল ১৭০-১৮০ টাকা এবং ডিমের দাম ১৩০-১৪০ টাকা
- 📌 সোনালি মুরগির দাম প্রায় ৩০ টাকা কমে প্রতি কেজি ৩২০-৩৩০ টাকা এবং হাইব্রিড সোনালি মুরগি ২৯০-৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে
- 📌 রুই, কাতলা, পাবদা, তেলাপিয়া ও পাঙাশ মাছের দাম প্রতি কেজিতে ২০-৩০ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে
- 📌 খোলা চিনির দাম প্রতি কেজি ১১৫ টাকা এবং বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম প্রতি লিটারে ৫ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে ২০৪ টাকা হয়েছে
📰 বিস্তারিত
রাজধানীর মিরপুরের টোলারবাগ বাজার, মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেট ও টাউন হল বাজারে সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, ফার্মের মুরগি ও ডিমের দাম গত দুই-তিন সপ্তাহ ধরে একই রয়েছে। বিক্রেতারা জানিয়েছেন, আগস্টের শুরুতে দাম বৃদ্ধির পর থেকে এসব পণ্যের দাম আর কমেনি। তবে সোনালি মুরগির দাম কিছুটা কমেছে।
মাছবাজারে দেখা গেছে, রুই, কাতলা, পাবদা, তেলাপিয়া ও পাঙাশ মাছের দাম প্রতি কেজিতে ২০-৩০ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। চিনির দামও বেড়েছে। গ্যাস-বিদ্যুৎ সমস্যার কারণে বেসরকারি কোম্পানিগুলোর কারখানায় চিনির উৎপাদন কমেছে, ফলে সরবরাহ কমে দাম বেড়েছে। বর্তমানে প্রতি কেজি খোলা চিনি ১১৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বুধবার বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম প্রতি লিটারে ৫ টাকা বৃদ্ধি করে কোম্পানিগুলো। ফলে প্রতি লিটার সয়াবিন তেলের দাম ১৯৯ টাকা থেকে বেড়ে ২০৪ টাকা হয়েছে। তবে গতকাল রাজধানীর তিনটি বাজারে গিয়ে দেখা গেছে, নতুন দামের তেল এখনো খুচরা দোকানে আসেনি।
"লোডশেডিংয়ের কারণে বেচাকেনা কমেছে। দিনে অন্তত তিনবার বিদ্যুৎ চলে যায়; প্রতিবারে এক ঘণ্টার বেশি সময় লোডশেডিং থাকে। বিদ্যুৎ না থাকলে বাজারে ক্রেতা ঢুকতে চায় না। কারণ, একে গরম থাকে, আবার আলোর স্বল্পতায় পণ্য ভালো করে দেখাও যায় না।"
মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেটের মাছবিক্রেতা সাইফুল ইসলাম জানান, রুই ও কাতলা মাছ জ্যান্ত রাখতে বৈদ্যুতিক মোটরের সাহায্যে অক্সিজেন সরবরাহ করা হয়। একটানা বিদ্যুৎ না থাকায় প্রতিদিনই কিছু মাছ মারা যায়। এসব মাছ লোকসান দিয়ে বিক্রি করতে হয়।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মিরপুর, মোহাম্মদপুর, রাজধানী
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিক্রেতা, ক্রেতা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০০, ১৭০, ১৮০, ১৩০, ১৪০, ৩০, ৩২০, ৩৩০, ২৯০, ৩০০, ২০, ৩০, ১১৫, ৫, ২০৪
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!