📅 ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৫৪ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

দিনাজপুরের উত্তরণ ইঞ্জিনিয়ারিং: শতকোটি টাকার প্রতিষ্ঠান থেকে বছরে আড়াই হাজার কৃষিযন্ত্র উৎপাদন

দিনাজপুরের উত্তরণ ইঞ্জিনিয়ারিং: শতকোটি টাকার প্রতিষ্ঠান থেকে বছরে আড়াই হাজার কৃষিযন্ত্র উৎপাদন

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 দিনাজপুরের উত্তরণ ইঞ্জিনিয়ারিং শতকোটি টাকার প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি বছরে ৫১ ধরনের ২ হাজার ৫০০টির বেশি কৃষিযন্ত্র উৎপাদন করে। আমদানিনির্ভরতা কমাতে দেশীয় যন্ত্র তৈরিতে গুরুত্ব দিচ্ছে তারা

দিনাজপুর সদরের কালীতলায় অবস্থিত উত্তরণ ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের কারখানায় প্রতিদিন শত শত শ্রমিকের ব্যস্ততা চোখে পড়ে। স্টিলের পাত থেকে শুরু করে কৃষিযন্ত্রের বিভিন্ন অংশ নির্মাণে ব্যস্ত থাকেন তাঁরা। প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক অমিতাভ পাল জানান, ১৯৯১ সালে মাত্র ১০ লাখ টাকা বিনিয়োগে ছোট্ট একটি ওয়ার্কশপ হিসেবে যাত্রা শুরু করলেও বর্তমানে এটি শতকোটি টাকার প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 উত্তরণ ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের যাত্রা শুরু ১৯৯১ সালে মাত্র ১০ লাখ টাকা বিনিয়োগে
  • 📌 প্রতিষ্ঠানটি বছরে ৫১ ধরনের ২ হাজার ৫০০টির বেশি কৃষিযন্ত্র উৎপাদন করে
  • 📌 উত্তরণের তৈরি যন্ত্রের দাম আমদানি করা যন্ত্রের তুলনায় ২০ হাজার টাকা থেকে ৪ লাখ টাকা পর্যন্ত কম
  • 📌 দেশে কৃষিযন্ত্রের বাজার প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকার, যার মধ্যে মাত্র ৭০০ কোটি টাকার যন্ত্র দেশে তৈরি হয়
  • 📌 উত্তরণের বার্ষিক বিক্রির পরিমাণ ৫০ কোটি টাকার বেশি

📰 বিস্তারিত

উত্তরণ ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. রাফেদ উল ইসলাম জানান, তাঁরা আমদানি বিকল্প কৃষিযন্ত্র তৈরিতে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন। আমদানি করা একটি যন্ত্রের দাম যেখানে ৫০ হাজার টাকা, সেখানে উত্তরণের তৈরি একই যন্ত্রের দাম মাত্র ৩০ হাজার টাকা। শক্ত স্টিল ব্যবহার করায় তাঁদের যন্ত্রগুলো চীনের তুলনায় বেশি টেকসই ও মজবুত। উত্তরণের তৈরি যন্ত্রগুলো ধান ও ভুট্টা মাড়াই, চাল তৈরি, সরিষা ভাঙানো, আলু উত্তোলন এবং ছোট সিডারসহ ৫১ ধরনের হয়ে থাকে।

প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা জানান, উত্তরণের তৈরি যন্ত্রগুলো উত্তরবঙ্গের গণ্ডি পেরিয়ে এখন দেশের দক্ষিণাঞ্চলেও যাচ্ছে। বিশেষ করে বরগুনা ও পটুয়াখালীর মতো উপকূলীয় এলাকায় চাহিদা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। উত্তরণের সারা দেশে নিজস্ব বিক্রয়কেন্দ্র রয়েছে ১০টি। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, আধুনিক লেজার কাটিং মেশিন ব্যবহারের ফলে তাঁদের যন্ত্রের মান ও ফিনিশিং উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হয়েছে।

খাত-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, দেশে কৃষিযন্ত্রের বাজারের আকার প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকার। এর মধ্যে মাত্র ৭০০ কোটি টাকার যন্ত্র দেশে উৎপাদিত হয়। বাকি চাহিদা আমদানির মাধ্যমে পূরণ করা হয়। অ্যাগ্রিকালচার মেশিনারি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন-বাংলাদেশের (এএমএমএ-বি) সভাপতি আলিমুল আহসান চৌধুরী জানান, কাঁচামাল আমদানিতে উচ্চ শুল্ক ও ব্যাংকঋণের উচ্চ সুদের কারণে দেশীয় উৎপাদন ব্যয়বহুল রয়ে গেছে।

"আমাদের যন্ত্রের দাম কম এবং মান ভালো হওয়ায় চাহিদা প্রতিনিয়ত বাড়ছে। আগামী ১০ বছরে দেশে কৃষিযন্ত্রের মোট চাহিদার অন্তত ৫০ শতাংশ উৎপাদনের সক্ষমতা গড়ে তুলতে চাই। তবে এর জন্য সরকারি নীতিসহায়তা ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রয়োজন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: দিনাজপুর সদরের কালীতলা
  • 👥 প্রতিষ্ঠানের পরিচালক: অমিতাভ পাল
  • 👥 ব্যবস্থাপনা পরিচালক: মো. রাফেদ উল ইসলাম
  • 🔢 প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক উৎপাদন: ২ হাজার ৫০০টি যন্ত্র
  • 🔢 প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক বিক্রির পরিমাণ: ৫০ কোটি টাকা
  • 🔢 দেশে কৃষিযন্ত্রের বাজার: ১০ হাজার কোটি টাকা
  • 🔢 দেশীয় উৎপাদনের পরিমাণ: ৭০০ কোটি টাকা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖