📌 দুর্নীতি ও অপচয় কমাতে সরকার পার্টনারশিপ প্রক্রিয়া সম্প্রসারণ করছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। চট্টগ্রাম বিভাগের বন্যাদুর্গতদের পুনর্বাসনে এইচএসবিসির ১০ কোটি টাকার প্রকল্প উদ্বোধনকালে তিনি এ তথ্য প্রকাশ করেন
চট্টগ্রাম বিভাগের সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে সরকার নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, দুর্নীতি ও অপচয় কমাতে পার্টনারশিপ প্রক্রিয়াকে আরও শক্তিশালী করা হচ্ছে। রবিবার (৩০ আগস্ট) চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সরকার পার্টনারশিপ প্রক্রিয়া সম্প্রসারণ করে দুর্নীতি ও অপচয় রোধের উদ্যোগ নিয়েছে
- 📌 অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানান, প্রাইভেট সেক্টর ও এনজিওদের সাথে সমন্বয় করে ক্রিয়েটিভ ইকোনমিক মডেল তৈরি করা হয়েছে
- 📌 এইচএসবিসির ১০ কোটি টাকার মানবিক সহায়তা প্রকল্পের উদ্বোধন করা হয়েছে
- 📌 প্রকল্পের আওতায় ১২ হাজার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে সহায়তা দেওয়া হবে
📰 বিস্তারিত
অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, সরকার দুর্নীতি ও অপচয় কমাতে পার্টনারশিপ প্রক্রিয়াকে আরও শক্তিশালী করছে। তিনি বলেন, প্রাইভেট সেক্টর ও এনজিওদের সাথে সমন্বয় করে ক্রিয়েটিভ ইকোনমিক মডেল তৈরি করা হয়েছে, যার ফলে বিতরণ প্রক্রিয়ায় কোনো সমস্যা হবে না। বিগত সময়ে সমন্বয়ের অভাবের কারণে ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছিল বলে উল্লেখ করেন তিনি।
মন্ত্রী আরও জানান, সাম্প্রতিক বন্যায় বিতরণ প্রক্রিয়ায় কোনো দুর্নীতি হয়নি। এমনকি ফ্যামিলি কার্ড বিতরণেও সরকার রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা করেনি। তিনি বলেন, এই মডেল অনুসরণ করলে দুর্নীতি ও অপচয় উভয়ই কমবে।
এইচএসবিসির ১০ কোটি টাকার মানবিক সহায়তা প্রকল্পের উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন। প্রকল্পটির মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত ৫০টি স্কুল সংস্কার, ২৫০টি ঘরবাড়ি পুনর্নির্মাণ, নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন ব্যবস্থার উন্নয়ন করা হবে। এছাড়া জীবিকা পুনর্গঠনে ৩০০টি পরিবার এবং ৬০০টি কৃষক পরিবারকে সহায়তা দেওয়া হবে।
"উন্নয়ন ও সঠিক ডিস্ট্রিবিউশনের জন্য পার্টনারশিপ প্রক্রিয়াকে ডেভলপ করছে সরকার, এর ফলে দুর্নীতি ও অপচয় কমে আসবে। প্রাইভেট সেক্টর ও এনজিওদের সাথে সমন্বয় করে ক্রিয়েটিভ ইকোনমিক মডেল তৈরী করেছে সরকার, যেন কোনো দুর্নীতি না হয়। সাম্প্রতিক বন্যায় বিতরণ প্রক্রিয়ায় কোনো দুর্নীতি হয়নি। এমনকি ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমেও সরকার কোনো রাজনৈতিক পরিচয়ে কাউকে কার্ড দেয়নি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রাম, চকরিয়া উপজেলা, বাঁশখালী, সাতকানিয়া, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ৩৮ নম্বর ওয়ার্ড
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ কোটি টাকা, ৭ মাস, ৫০টি স্কুল, ২৫০টি ঘরবাড়ি, ৩০০টি পরিবার, ৬০০টি কৃষক পরিবার, ১২ হাজার পরিবার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!