📌 ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সরকারের জেলাভিত্তিক মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী দায়িত্ব বণ্টন চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে। রিটকারীদের দাবি, এ ধরনের সিদ্ধান্ত সংবিধান ও উচ্চ আদালতের রায়ের পরিপন্থী
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর গঠিত সরকারের জেলাভিত্তিক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও জাতীয় সংসদের হুইপদের দায়িত্ব বণ্টন চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে। রোববার (৩০ আগস্ট) ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন এমপিসহ জামায়াতের বিভিন্ন আসনের ১১ জন সংসদ সদস্য এই রিট আবেদন করেন। মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে বিবাদী করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন রিটকারীদের আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জেলাভিত্তিক মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী দায়িত্ব বণ্টন চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের
- 📌 রিটকারীদের মধ্যে রয়েছেন ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন, মীর আহমেদ বিন কাশেম, মো. গোলাম রব্বানীসহ ১১ জন এমপি
- 📌 রিট আবেদনে বলা হয়েছে, এ ধরনের সিদ্ধান্ত সংবিধান ও উচ্চ আদালতের রায়ের পরিপন্থী
- 📌 সরকারের দাবি, জেলাভিত্তিক দায়িত্ব বণ্টনের মাধ্যমে দুর্নীতি ও মাদক নিয়ন্ত্রণসহ সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা হবে
📰 বিস্তারিত
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর গঠিত সরকার দেশের ৬৪ জেলায় মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও জাতীয় সংসদের হুইপদের জেলাভিত্তিক দায়িত্ব বণ্টনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। তবে সরকারের এই সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন দায়ের করা হয়েছে। রিট আবেদনে বলা হয়েছে, ২০০১ সালে একই ধরনের সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা রিট মামলায় হাইকোর্ট বিভাগ এ ধরনের সিদ্ধান্ত অসাংবিধানিক ঘোষণা করেছিলেন।
রিট আবেদনকারীদের মধ্যে রয়েছেন পাবনা-১ আসনের ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন, ঢাকা-১৪ আসনের মীর আহমেদ বিন কাশেম, রংপুর-৫ আসনের মো. গোলাম রব্বানী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের মো. নুরুল ইসলাম বুলবুল, চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের মো. মাসুদ পারভেজ, যশোর-১ আসনের মুহাম্মদ আজিজুর রহমান, বাগেরহাট-২ আসনের শেখ মঞ্জুরুল হক রাহাদ, পটুয়াখালী-২ আসনের শফিকুল ইসলাম মাসুদ, শেরপুর-১ আসনের রাশেদুল ইসলাম, গাজীপুর-৪ আসনের সালাউদ্দিন ও চট্টগ্রামের মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম।
সরকারের পক্ষে যুক্তি দেওয়া হয়েছে যে, জেলাভিত্তিক দায়িত্ব বণ্টনের মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়ন, দুর্নীতি দমন, মাদক নিয়ন্ত্রণ, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী সংবিধানের ৫৫(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নির্বাহী ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন এবং রুলস অব বিজনেস অনুসারে প্রয়োজনীয় বিচ্যুতি অনুমোদন করতে পারেন।
"সরকার তথা মন্ত্রিপরিষদ দেশে উন্নয়ন, দুর্নীতি দমন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং জাতীয় নিরাপত্তাসহ রাষ্ট্র পরিচালনার সব কার্যাবলির জন্য সমষ্টিগতভাবে জাতীয় সংসদ ও জনগণের নিকট দায়বদ্ধ।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন, মীর আহমেদ বিন কাশেম, মো. গোলাম রব্বানী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১ জন এমপি, ৬৪ জেলা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!