📌 স্বাধীন বাংলাদেশে আর কোনো গোপন বন্দিশালা বা ‘আয়নাঘর’ থাকবে না বলে ঘোষণা দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি প্রতিটি গুমের ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিচারের মুখোমুখি করার দাবি জানান এবং গুম প্রতিরোধে সরকারের পদক্ষেপ তুলে ধরেন
স্বাধীন বাংলাদেশে আর কোনো গোপন বন্দিশালা বা ‘আয়নাঘর’ থাকবে না বলে ঘোষণা দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, প্রতিটি গুমের ঘটনার সঙ্গে জড়িত অপরাধীদের বিচারের মুখোমুখি করা হবে এবং তাদের আইনের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 স্বাধীন বাংলাদেশে আর কোনো ‘আয়নাঘর’ থাকবে না বলে ঘোষণা রাষ্ট্রপতির
- 📌 প্রতিটি গুমের ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিচারের মুখোমুখি করার দাবি
- 📌 গুম প্রতিরোধে জাতীয় সংসদে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ উত্থাপনের ঘোষণা
- 📌 গুম সংক্রান্ত তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনে ১ হাজার ৫৬৯টি গুমের ঘটনা চিহ্নিত
- 📌 গুমের শিকার ব্যক্তিদের মধ্যে ২৮৭ জন নিখোঁজ ও মৃত বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ
📰 বিস্তারিত
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রোববার রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত ‘আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির ভাষণে এসব কথা বলেন। তিনি উল্লেখ করেন, অতীতে গুম ও গোপন বন্দিশালা ‘আয়নাঘর’ বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ের আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবহৃত হয়েছে।
তিনি নিখোঁজ বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলী, চৌধুরী আলম, সাজেদুল ইসলাম সুমন, ব্যারিস্টার আরমান ও অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল আজমীরের কথা স্মরণ করেন। এছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে গুম করে বিদেশে ফেলে দেওয়ার ঘটনার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
গুম সংক্রান্ত তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনের ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরে রাষ্ট্রপতি জানান, কমিশন ১ হাজার ৫৬৯টি ঘটনাকে গুম হিসেবে চিহ্নিত করেছে, যার মধ্যে ২৮৭ জন নিখোঁজ ও মৃত। তিনি বলেন, রাষ্ট্রক্ষমতাকে কুক্ষিগত করতে দলীয় ও ব্যক্তি স্বার্থে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের নেতাকর্মীদের গুম ও খুন করা হয়েছে।
"প্রতিটি গুমের ঘটনার সঙ্গে জড়িত অপরাধীদের বিচারের মুখোমুখি করা হবে এবং তাদের আইনের সর্বোচ্চ শাস্তি পেতেই হবে। স্বাধীন বাংলাদেশে আর কোনো ‘আয়নাঘর’ থাকবে না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র, রাজধানী ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ হাজার ৫৬৯টি গুমের ঘটনা, ২৮৭ জন নিখোঁজ ও মৃত
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!