📌 ২০১৫ সালে উত্তরার বাসা থেকে অপহৃত বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমদকে ভারত থেকে উদ্ধার করা হয়। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে যে তাকে বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অপহরণ করে ভারতে নিয়ে ছেড়ে দেয়। ভারতীয় আদালত তাকে বেকসুর খালাস দিলেও বাংলাদেশে তার বিরুদ্ধে গুমের অভিযোগের তদন্ত চলমান
২০১৫ সালের ১০ মার্চ রাতে রাজধানীর উত্তরার একটি বাসা থেকে তৎকালীন বিএনপির মুখপাত্র সালাহউদ্দিন আহমদকে তুলে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেছিলেন তার স্ত্রী হাসিনা আহমদ। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। একই বছরের ১১ মে ভারতের মেঘালয়ের শিলংয়ে স্থানীয় পুলিশ তাকে উদ্ধার করে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সালাহউদ্দিন আহমদকে ২০১৫ সালের ১০ মার্চ উত্তরার বাসা থেকে অপহরণ করা হয়
- 📌 তাকে ৬১ দিন বাংলাদেশের ‘আয়নাঘর’ নামে পরিচিত টিএফআই সেলে আটকে রাখা হয়
- 📌 ভারতের শিলংয়ে উদ্ধারের পর তার বিরুদ্ধে ফরেনার্স অ্যাক্টের মামলা হয়
- 📌 ভারতীয় আদালত তাকে বেকসুর খালাস দেন এবং আপিলেও একই রায় বহাল থাকে
- 📌 আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে যে তাকে অপহরণ করে ভারতে নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল
- 📌 সালাহউদ্দিন আহমদ গুমের অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন
📰 বিস্তারিত
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম জানান, সালাহউদ্দিন আহমদের গুমের অভিযোগের তদন্ত প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। তাকে কী প্রক্রিয়ায় ভারতে নেওয়া হয়েছিল, সে বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। এছাড়া ভারতে তার বিরুদ্ধে হওয়া ফরেনার্স অ্যাক্টের মামলার অনুলিপিও সংগ্রহ করা হয়েছে।
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, সালাহউদ্দিন আহমদকে বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অপহরণ করে প্রায় ৬১ দিন টিএফআই সেলে আটকে রাখে। পরে তাকে মেঘালয়ের শিলংয়ে নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। সেখানে তিনি ট্রমাটাইজড অবস্থায় ঘোরাফেরা করছিলেন। স্থানীয় যুবকরা তাকে দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ তাকে উদ্ধার করে এবং হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
ভারতীয় আদালতে সালাহউদ্দিন আহমদের বিরুদ্ধে ফরেনার্স অ্যাক্টের ১৪ ধারায় মামলা করা হয়। ওই মামলার বিচার শেষে উভয় পক্ষের সাক্ষ্য-প্রমাণ গ্রহণ করা হয়। ভারতীয় পুলিশের সাক্ষীরাও আদালতে স্বীকার করেন যে তাকে বাংলাদেশ থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অপহরণ করে ভারতে নিয়ে গিয়ে সেখানে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল।
"ভারতীয় আদালতের রায়ে প্রমাণিত হয়েছে যে সালাহউদ্দিন আহমদ স্বেচ্ছায় ভারতে যাননি। বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাকে অপহরণ করে ভারতে নিয়ে ছেড়ে দিয়েছিল। এ কারণেই তিনি সেখানেও খালাস পান।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: উত্তরার, ঢাকা ও শিলং, ভারত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সালাহউদ্দিন আহমদ, আমিনুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬১ দিন, ১৪ ধারা, ৭ জন অভিযুক্ত
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!