📌 সুগন্ধি চালের অভ্যন্তরীণ সরবরাহ ও দাম নিয়ন্ত্রণে সরকার রপ্তানি কোটা যাচাই শুরু করেছে। ২৭৮ প্রতিষ্ঠানকে তিন কর্মদিবসের মধ্যে প্রকৃত রপ্তানির তথ্য জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে কৃত্রিম সংকট প্রতিরোধে ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়
সুগন্ধি চালের অভ্যন্তরীণ বাজার স্থিতিশীল রাখতে সরকার রপ্তানি কোটা যাচাই ও সমন্বয়ের উদ্যোগ নিয়েছে। এর অংশ হিসেবে আগে অনুমোদিত ২৭৮টি প্রতিষ্ঠানের প্রকৃত রপ্তানির পরিমাণ যাচাই করা হবে। আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিষ্ঠানগুলোকে তাদের রপ্তানি তথ্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে জমা দিতে বলা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সুগন্ধি চালের অভ্যন্তরীণ সরবরাহ ও দাম নিয়ন্ত্রণে সরকার রপ্তানি কোটা যাচাই শুরু করেছে
- 📌 আগে অনুমোদিত ২৭৮টি প্রতিষ্ঠানকে তিন কর্মদিবসের মধ্যে প্রকৃত রপ্তানির তথ্য জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে
- 📌 ২ আগস্ট অনুষ্ঠিত বৈঠকে উঠে আসে অনেক প্রতিষ্ঠান তাদের পুরো কোটা ব্যবহার করতে পারেনি
- 📌 বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের নেতৃত্বে বৈঠকে সুগন্ধি চালের বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হয়
📰 বিস্তারিত
সুগন্ধি চালের অভ্যন্তরীণ বাজারে সরবরাহ ও দাম নিয়ন্ত্রণে সরকার রপ্তানি কোটা যাচাই ও সমন্বয়ের উদ্যোগ নিয়েছে। এর অংশ হিসেবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের রপ্তানি-২ শাখা থেকে আগে অনুমোদন পাওয়া ২৭৮টি প্রতিষ্ঠানকে তাদের প্রকৃত রপ্তানির পরিমাণ আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার জারি করা চিঠিতে মন্ত্রণালয় জানায়, সুগন্ধি চালের বর্তমান বাজার পরিস্থিতি ও অভ্যন্তরীণ চাহিদা বিবেচনায় আগে দেওয়া রপ্তানি অনুমোদনের পরিমাণ হ্রাস বা সমন্বয় করা প্রয়োজন। মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, অনুমোদিত কোটা আর বাস্তবে রপ্তানি হওয়া চালের পরিমাণ এক নয়। অনেক প্রতিষ্ঠান নির্ধারিত কোটা অনুযায়ী রপ্তানি করতে পারেনি; কেউ কেউ করেছে আংশিক। ফলে অনুমোদিত কোটার একটি অংশ অব্যবহৃত পড়ে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সুপারিশের ভিত্তিতে চলতি বছরের ১৩ মে প্রথম দফায় ২১১টি এবং পরে আরও ৬৭টি প্রতিষ্ঠানকে সুগন্ধি চাল রপ্তানির অনুমতি দেওয়া হয়। সব মিলিয়ে ২৭৮টি প্রতিষ্ঠানকে ৪৫ হাজার ২৭০ টন সুগন্ধি চাল রপ্তানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। তবে ২ আগস্ট বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে উঠে আসে, অনুমোদন পাওয়া অনেক প্রতিষ্ঠান তাদের বরাদ্দ করা পুরো কোটা ব্যবহার করতে পারেনি। কোনো কোনো প্রতিষ্ঠান আংশিক রপ্তানি করেছে। ফলে কাগজে অনুমোদিত রপ্তানির পরিমাণের সঙ্গে বাস্তব রপ্তানির বড় ব্যবধান তৈরি হয়েছে।
"সুগন্ধি চালের অভ্যন্তরীণ বাজার স্থিতিশীল রাখতে সরকার রপ্তানি কোটা যাচাই ও সমন্বয়ের উদ্যোগ নিয়েছে। অব্যবহৃত কোটা বাতিল বা কমানোর মাধ্যমে দেশের বাজারে সরবরাহ বাড়ানোর সুযোগ তৈরি করা হবে।"
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে সুগন্ধি চালের উৎপাদন, অভ্যন্তরীণ চাহিদা, বাজার পরিস্থিতি এবং রপ্তানির প্রকৃত চিত্র পর্যালোচনা করা হয়। বৈঠকে দেশের বাজারে সুগন্ধি চালের দাম ও সরবরাহ পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা হয়। ব্যবসায়ীদের একাংশের অভিযোগ, দেশের শীর্ষ ১০টি বড় মিলমালিকের কাছে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ সুগন্ধি চাল মজুত রয়েছে। বাজারের চাহিদা অনুযায়ী এসব চাল সরবরাহ না করায় কৃত্রিম সংকট তৈরি হচ্ছে এবং এর প্রভাব পড়ছে দামে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৭৮, ৪৫ হাজার ২৭০
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!