📌 বিশ্বের ৪২২টি বড় প্রতিষ্ঠানের জরিপে দেখা গেছে, ৮৮% প্রতিষ্ঠানে টোকেনভিত্তিক ডিজিটাল মুদ্রা ব্যবহার শুরু হয়েছে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, ভারত ও অস্ট্রেলিয়ায় ব্যবসা সম্প্রসারণে এ প্রযুক্তি বিশেষ আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে
বিশ্বের শীর্ষ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসমূহ দ্রুত ডিজিটাল মুদ্রা ব্যবহারে রূপান্তরিত হচ্ছে। নগদ অর্থ ব্যবস্থাপনার সহজীকরণ, আন্তর্জাতিক লেনদেনের দ্রুত সম্পন্নকরণ এবং নতুন বাজারে ব্যবসা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠানগুলো টোকেনভিত্তিক ডিজিটাল অর্থ ব্যবস্থায় আগ্রহী। সাম্প্রতিক এক জরিপে দেখা গেছে, অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের ৮৮ শতাংশে ইতিমধ্যে টোকেনভিত্তিক অর্থের ব্যবহার শুরু হয়েছে অথবা পরীক্ষামূলকভাবে চালু রয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **৮৮ শতাংশ** বিশ্বের বড় প্রতিষ্ঠানে টোকেনভিত্তিক ডিজিটাল মুদ্রা ব্যবহার শুরু হয়েছে বা পরীক্ষামূলকভাবে চালু রয়েছে
- 📌 **৬৩ শতাংশ** প্রতিষ্ঠান স্টেবলকয়েন ব্যবহার করছে, যা মার্কিন ডলার বা অন্যান্য মুদ্রার সাথে সংযুক্ত থাকে
- 📌 **দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া** ব্যবসা সম্প্রসারণে সবচেয়ে আকর্ষণীয় অঞ্চল, এরপর অস্ট্রেলিয়া ও ভারত
- 📌 **চীনের রেনমিনবি** ব্যবহার বাড়ছে: অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাজ্যের ৫০ শতাংশের বেশি প্রতিষ্ঠান আগামী ১-২ বছরে এ মুদ্রায় লেনদেনের কথা বিবেচনা করছে
- 📌 **৪২২ জন** শীর্ষ ব্যবসা ও আর্থিক খাতের কর্মকর্তা জরিপে অংশ নিয়েছেন, তাদের প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক আয় **৫০ কোটি মার্কিন ডলার** এর বেশি
📰 বিস্তারিত
সিঙ্গাপুরভিত্তিক ব্যাংক ডিবিএসের বৈশ্বিক লেনদেন সেবা বিভাগের প্রধান **লিম সুন চং** জানান, টোকেনভিত্তিক অর্থের ব্যবহার প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে প্রত্যাশার চেয়ে দ্রুত বাড়ছে। জরিপে অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোতে দেখা গেছে, প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ প্রতিষ্ঠানে বড় পরিসরে টোকেনভিত্তিক অর্থের ব্যবহার ইতিমধ্যে চালু হয়েছে। অন্যদিকে, কিছু প্রতিষ্ঠান নির্দিষ্ট বাজার বা কার্যক্রমে এ প্রযুক্তির ব্যবহার শুরু করেছে।
জরিপে অংশ নেওয়া **৪২২ জন** শীর্ষ কর্মকর্তার প্রতিষ্ঠানগুলোর বার্ষিক আয় **৫০ কোটি মার্কিন ডলার** এর বেশি। জরিপে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, চীন, জার্মানি ও ভারতসহ বিভিন্ন দেশের প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে। স্টেবলকয়েন বা স্থিতিশীল ডিজিটাল মুদ্রা সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়, যা সাধারণত মার্কিন ডলার বা অন্যান্য প্রচলিত মুদ্রার সাথে সংযুক্ত থাকে।
লিম সুন চং বলেন, ডিবিএসের বিশ্লেষণে স্টেবলকয়েন ব্যবহারের বেশ কিছু সুবিধা পাওয়া গেছে। এটি ব্যাংকের মাধ্যমে নয়, বিভিন্ন আর্থিক মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে ব্যবহার করা যায়। পাশাপাশি, এ ধরনের মুদ্রা ব্যবহারের অনুমোদনপ্রক্রিয়া তুলনামূলক সহজ হতে পারে।
ব্যবসা সম্প্রসারণে আগ্রহী প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে সবচেয়ে আকর্ষণীয় অঞ্চল হিসেবে উঠে এসেছে **দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া**। এরপর রয়েছে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড, তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে **ভারত**। অন্যদিকে, অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাজ্যের জরিপে অংশ নেওয়া অর্ধেকের বেশি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আগামী এক থেকে দুই বছরের মধ্যে তারা বাণিজ্যিক লেনদেনের অর্থ পরিশোধে চীনের মুদ্রা **রেনমিনবি** ব্যবহারের কথা বিবেচনা করছেন।
"ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে টোকেনভিত্তিক অর্থের ব্যবহার প্রত্যাশার চেয়েও দ্রুত বাড়ছে। আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও আর্থিক লেনদেনে রেনমিনবির ব্যবহার বাড়াতে কাজ করছে চীনা কর্তৃপক্ষ। আগামী দিনগুলোতে বৈশ্বিক লেনদেনে এ মুদ্রার ব্যবহার আরও বাড়তে পারে।"
— **লিম সুন চং**, ডিবিএসের বৈশ্বিক লেনদেন সেবা বিভাগের প্রধান
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, চীন, জার্মানি, ভারত, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: লিম সুন চং, ৪২২ জন শীর্ষ ব্যবসা কর্মকর্তা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮৮%, ৬৩%, ৫৩%, ৫২%, ৫০ কোটি মার্কিন ডলার, ১১টি বাজার, ৪২২ জন কর্মকর্তা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!