📌 ঝালকাঠি জেলায় আমড়ার চাষ দ্রুত বাড়ছে। ৬০৫ হেক্টর জমিতে চাষের ফলে উৎপাদিত হয়েছে ৪ হাজার ৫৯০ মেট্রিক টন আমড়া। ভাসমান হাটে তাজা আমড়ার চাহিদা বাড়ছে এবং কৃষকরা লাভজনক ব্যবসায় অংশ নিচ্ছেন।
ঝালকাঠি জেলায় আমড়ার চাষের প্রবণতা দিন দিন বাড়ছে। বিশেষ করে ভিমরুলী গ্রামের ভাসমান হাটে তাজা আমড়ার ব্যাপক চাহিদা দেখা যাচ্ছে। কৃষকদের জন্য আমড়া চাষ লাভজনক হওয়ায় এই ফসলের আবাদ উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ঝালকাঠি জেলায় ৬০৫ হেক্টর জমিতে আমড়ার চাষ হয়েছে, উৎপাদন হয়েছে ৪ হাজার ৫৯০ মেট্রিক টন
- 📌 বর্তমান বাজারে আমড়ার মূল্য প্রায় ১২ কোটি টাকা
- 📌 প্রতি মণ আমড়া ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৬০০ টাকা দরে কিনছেন পাইকাররা
- 📌 ৬ বিঘা জমিতে চাষ করে এক চাষি ৬ লাখ টাকা আয়ের আশা করছেন
- 📌 পেয়ারা চাষের তুলনায় আমড়ার আবাদে খরচ কম এবং লাভ বেশি
📰 বিস্তারিত
ঝালকাঠি জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এই বছর জেলার চারটি উপজেলায় আমড়ার চাষের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য। মোট উৎপাদিত আমড়ার মূল্য বাজারে প্রায় ১২ কোটি টাকা। দেশজুড়ে বরিশাল অঞ্চলের সুস্বাদু এই আমড়ার চাহিদা বাড়ছে। প্রতিদিনই জেলার বিভিন্ন হাটে আমড়া কেনাবেচা হয়, যার মধ্যে ভিমরুলী গ্রামের ভাসমান হাট সবচেয়ে বড়। এখান থেকে ঢাকাসহ সারা দেশে আমড়া সরবরাহ করা হয়।
আমড়া চাষের লাভজনকতা সম্পর্কে জানতে চাইলে অনিমেষ হালদার নামের এক চাষি বলেন, তিনি ৬ বিঘা জমিতে আমড়ার চাষ করেছেন এবং এবার ফলন খুব ভালো হয়েছে। তিনি প্রায় ৬ লাখ টাকা আয়ের আশা করছেন। স্থানীয়রা জানান, রোগবালাই ও বেশি শ্রমিক খরচের কারণে পেয়ারা চাষে এখন আর লাভজনক নয়। সে তুলনায় আমড়ার আবাদে খরচ কম এবং লাভ বেশি।
স্বরূপকাঠির পাইকার নোমান খান জানান, পরিবহন ও শ্রমিকসহ সব খরচ বাদ দিয়ে প্রতি মণ আমড়া ঢাকায় পাঠিয়ে তাদের ১০০ টাকার মতো লাভ থাকে। ঝালকাঠি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিদ আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, উৎপাদন খরচ কম হওয়ায় জেলায় আমড়ার আবাদ দিন দিন বাড়ছে। কৃষকদের রোগবালাই দমনসহ নানা বিষয়ে প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। শিক্ষিত ও বেকার যুবকদের জন্য ব্যবসার সুযোগ তৈরি করে আমড়া এখন এই এলাকার একটি অর্থকরী ফসলে পরিণত হয়েছে।
"আমড়ার আবাদে খরচ কম এবং লাভ বেশি। সে তুলনায় আমড়ার চাষে কৃষকরা বেশি আগ্রহী"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঝালকাঠি জেলা, ভিমরুলী গ্রাম, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অনিমেষ হালদার, নোমান খান, আবদুল্লাহ আল মামুন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬০৫ হেক্টর জমি, ৪ হাজার ৫৯০ মেট্রিক টন উৎপাদন, ১২ কোটি টাকা মূল্য, ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৬০০ টাকা প্রতি মণ দাম, ৬ বিঘা জমি, ৬ লাখ টাকা আয়ের আশা, ১০০ টাকা লাভ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!