📌 গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের কারণে শ্রমিক ছাঁটাই বন্ধে সরকারকে নির্দেশনা জারি ও শিল্প রক্ষায় নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহের দাবি জানিয়েছেন শ্রমিক নেতারা। জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত সমাবেশে তাঁরা শ্রম আইন পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন ও মজুরি বোর্ড গঠনেরও দাবি তুলেছেন
গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের কারণে শ্রমিক ছাঁটাই বন্ধে সরকারকে নির্দেশনা জারি এবং শিল্প রক্ষায় নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহের দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ গার্মেন্ট শ্রমিক সংহতির নেতারা। জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত এক সমাবেশে তাঁরা শ্রম আইনের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন ও মজুরি বোর্ড গঠনেরও দাবি জানান।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 শ্রমিক ছাঁটাই বন্ধে সরকারকে নির্দেশনা জারি করার দাবি শ্রমিক নেতাদের
- 📌 শিল্প রক্ষায় নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস-বিদ্যুৎ সরবরাহের দাবি
- 📌 শ্রম আইনের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন ও মজুরি বোর্ড গঠনের আহ্বান
- 📌 গত দুই বছরে শতাধিক কারখানা বন্ধ ও প্রায় ৪০ হাজার শ্রমিক কর্মহীন
- 📌 উৎপাদন ক্ষমতা কমে যাওয়ায় শ্রমিকদের জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠছে
📰 বিস্তারিত
গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের কারণে শ্রমিক ছাঁটাই বন্ধে সরকারকে নির্দেশনা জারি এবং শিল্প রক্ষায় নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহের দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ গার্মেন্ট শ্রমিক সংহতির নেতারা। জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত এক সমাবেশে তাঁরা শ্রম আইনের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন ও মজুরি বোর্ড গঠনেরও দাবি জানান। সমাবেশ শেষে একটি মিছিল পল্টন এলাকা প্রদক্ষিণ করে।
সভা পরিচালনা করেন বাংলাদেশ গার্মেন্ট শ্রমিক সংহতির সহসভাপ্রধান নুরুল ইসলাম। সভায় বক্তব্য রাখেন শ্রমিক নেতা মিজানুর রহিম চৌধুরী, হযরত বিল্লাল, সাবিনা আক্তার, মামুন ইসলাম প্রমুখ। এছাড়া আউটসোর্সিং কর্মচারী কল্যাণ পরিষদের সাধারণ সম্পাদক নুরুল হক, বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন ফেডারেশনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলিফ দেওয়ান ও বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের সভাপতি সৈকত আরিফ সংহতি জানিয়ে বক্তব্য দেন।
শ্রমিক নেতারা বলেন, গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে গত দুই বছরে আন্তর্জাতিক ও দেশীয় রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে পোশাকশ্রমিক ও শিল্প নানামুখী সংকটের মধ্য দিয়ে গেছে। শতাধিক কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় প্রায় ৪০ হাজার শ্রমিক কর্মহীন হয়ে দিশাহারা অবস্থায় রয়েছেন। অন্যদিকে গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটে পোশাকশিল্পের উৎপাদন ক্ষমতা কমেছে। শ্রমিকদের দৈনন্দিন জীবনও দুর্বিষহ হয়ে উঠছে।
সভা পরিচালনা করেন বাংলাদেশ গার্মেন্ট শ্রমিক সংহতির সহসভাপ্রধান নুরুল ইসলাম। সভাপতিত্ব করেন সংগঠনটির সভাপ্রধান তাসলিমা আখতার। তিনি বলেন, চলতি বছর শ্রম আইনের বেশ কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন শ্রমিকের অধিকারকে শক্তিশালী করেছে। তবে সেগুলো বাস্তবায়নে গড়িমসি হলে আইনটি কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ থাকবে।
‘গ্যাস ও বিদ্যুতের সংকটের কারণে উৎপাদন কমে গেলে তার জন্য সবচেয়ে বেশি ভুক্তভোগী হবেন শ্রমিক। তাই শিল্প ও শ্রমিকের স্বার্থে এই সমস্যা সমাধানে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। শিল্পের অব্যবস্থাপনা বা জ্বালানিসংকটের বোঝা শ্রমিকের ঘাড়ে চাপিয়ে ছাঁটাই করা বন্ধ করতে হবে। শ্রমিককে রক্ষা করেই শিল্পকে রক্ষা করতে হবে।’
শ্রমিক নেতারা আরও বলেন, শ্রম আইন সংশোধন করে ন্যূনতম মজুরি প্রতি তিন বছর পরপর পুনর্নির্ধারণের বিধান রয়েছে। এতে মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির সঙ্গে শ্রমিকের মজুরি সমন্বয় না হলে তাঁরা কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হন। তাই মজুরি বোর্ড গঠন করার ঘোষণা ও ন্যায্য মজুরি নির্ধারণের প্রক্রিয়া শুরু করার আহ্বান জানান তাঁরা।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জাতীয় প্রেসক্লাব, ঢাকা
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: তাসলিমা আখতার (সভাপতি, বাংলাদেশ গার্মেন্ট শ্রমিক সংহতি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪০ হাজার (কর্মহীন শ্রমিক)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!