📅 ২৭ আগস্ট ২০২৬, ৪:২৬ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ব্রহ্মপুত্রের ভাসমান তেল ডিপো বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা: চরাঞ্চলের অর্থনীতি বিপর্যয়ের মুখে

ব্রহ্মপুত্রের ভাসমান তেল ডিপো বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা: চরাঞ্চলের অর্থনীতি বিপর্যয়ের মুখে

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বাংলাদেশের একমাত্র ভাসমান তেল ডিপো চিলমারীতে চার বছর ধরে তেল সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। ফলে চরাঞ্চলের কৃষি উৎপাদন থেকে শুরু করে ব্যবসা-বাণিজ্যে বিরূপ প্রভাব পড়ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, রেলসংযোগ ও নদী খননের মাধ্যমে ডিপো পুনরায় চালু করা না হলে স্থানীয় অর্থনীতি ধ্বংসের মুখে পড়বে

বাংলাদেশের একমাত্র ভাসমান তেল ডিপো চিলমারীতে চার বছর ধরে জ্বালানি তেল সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। ফলে শুকনো মৌসুমে স্থানীয় চরাঞ্চলের মানুষকে প্রতি লিটার ডিজেলের জন্য ১১৫ টাকা পর্যন্ত খরচ করতে হচ্ছে। ব্রহ্মপুত্র নদের তীরবর্তী এই এলাকার অর্থনীতি পুরোপুরি নির্ভরশীল ছিল ভাসমান ডিপোর ওপর।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 চিলমারী ভাসমান তেল ডিপোতে ২০২১ সাল থেকে তেল সরবরাহ বন্ধ রয়েছে
  • 📌 শুকনো মৌসুমে ডিজেলের দাম প্রতি লিটারে ১১৫ টাকা পর্যন্ত উঠেছে
  • 📌 স্থানীয় ডিলাররা রংপুর ও পার্বতীপুর থেকে তেল আনতে বাধ্য হচ্ছেন
  • 📌 ব্রহ্মপুত্র নদের গভীরতা কমে যাওয়ায় বার্জ ও ট্যাংকার ভিড়তে পারছে না
  • 📌 চিলমারী বন্দরসংলগ্ন রমনা রেলস্টেশনে ২০০ গজ রেললাইন নির্মাণ করলে সমস্যার সমাধান হতে পারে

📰 বিস্তারিত

ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে অবস্থিত চিলমারী ভাসমান তেল ডিপো একসময় ছিল এই অঞ্চলের অর্থনীতির প্রাণকেন্দ্র। ১৯৯৪ সালে লেখক মোনাজাতউদ্দিন উল্লেখ করেছিলেন যে, ভাসমান ডিপো প্রতিষ্ঠিত হলেও সংযোগ সড়ক ও নদী খননের অভাবে এটি পুরোপুরি কার্যকর হয়নি। ফলে শুকনো মৌসুমে যখন জ্বালানি তেলের চাহিদা সবচেয়ে বেশি থাকে, তখন ডিপোটি বন্ধ থাকত।

২০০৮ সালে পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা নামে তিনটি কোম্পানি ভাসমান ডিপো চালু করলেও পরবর্তীতে পদ্মা কোম্পানি তাদের ডিপো সরিয়ে নেয়। ২০১০-১১ সাল থেকে বাকি দুটি ডিপোতেও তেল সরবরাহ কমিয়ে দেওয়া হয়। ফলে স্থানীয় ডিলারদেরকে দূরবর্তী এলাকা থেকে তেল আনতে হচ্ছে। একজন ডিলার জানান, "ক্যারিং কস্ট" বেশি পড়ার কারণে তাদের লাভ কমে যাচ্ছে।

চিলমারী ভাসমান ডিপোর ওপর নির্ভরশীল কুড়িগ্রাম, জামালপুর ও গাইবান্ধা জেলা। এই এলাকায় প্রায় ৩০ থেকে ৫০ হাজার লিটার ডিজেলের চাহিদা রয়েছে শুধুমাত্র চিলমারীর জোড়গাছ হাটেই। এছাড়া রৌমারীহাট, যাত্রাপুরহাট ও বকশীগঞ্জ হাটেও প্রচুর পরিমাণে ডিজেল প্রয়োজন হয়। স্থানীয় ব্যবসায়ী ও কৃষকরা জানান, ডিজেলের উচ্চমূল্যের কারণে তাদের উৎপাদন খরচ বেড়ে যাচ্ছে।

ব্রহ্মপুত্র নদের গভীরতা কমে যাওয়ায় বার্জ ও ট্যাংকার ভিড়তে পারছে না। বিআইডব্লিউটিএর কর্মকর্তারা জানান, ফেরি চলাচলের জন্য প্রয়োজনীয় গভীরতার চেয়ে ব্রহ্মপুত্রে দুই থেকে তিন ফুট কম রয়েছে। এছাড়া ভারতীয় জাহাজ চিলমারী বন্দরে কাস্টমস ক্লিয়ারেন্সের জন্য দাঁড়ালে ডিপো ব্যবস্থাপনার কাজ আরও ব্যাহত হচ্ছে।

স্থানীয়দের দাবি, চিলমারী বন্দরসংলগ্ন রমনা রেলস্টেশনে মাত্র ২০০ গজ রেললাইন নির্মাণ করলে পার্বতীপুর থেকে মালবাহী ট্রেনে জ্বালানি তেল চিলমারীতে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে। এছাড়া রমনা রেলস্টেশনে স্থায়ী ডিপো নির্মাণ করেও এই অঞ্চলের তেল চাহিদা পূরণ করা যেতে পারে।

"ক্যারিং কস্ট বেশি পড়ার নামে ডিলাররা লাভে লাল হয়ে যায়। এ অঞ্চলের কৃষি উৎপাদন বিশেষ করে বোরো ধান, গম, আলু, তামাক উৎপাদনে এই বিষয় কী রকম ক্ষতির কারণ হয়ে থেকেছে, আমাদের জ্বালানি মন্ত্রণালয় আর সংশ্লিষ্ট কয়েকটি মহল কোনোক্রমেই বুঝতে চাচ্ছেন না। চৌদ্দ টাকার ডিজেল বিশ টাকায় কিনতে হচ্ছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: চিলমারী, কুড়িগ্রাম
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: স্থানীয় ডিলার ও ব্যবসায়ীরা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০০ (গজ রেললাইন), ৩০-৫০ হাজার (লিটার ডিজেল), ১১৫ (টাকা প্রতি লিটার)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖