📌 বাংলাদেশ সরকার চীনের অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানি, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও অবকাঠামো উন্নয়নে গুরুত্বারোপ করেছে। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় আবাসন উন্নয়নে ১০ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ প্রস্তাবও তুলে ধরা হয়েছে
ঢাকা, ২৭ আগস্ট ২০২৬: বাংলাদেশ সরকার চীনের অভিজ্ঞতা, প্রযুক্তি ও বিনিয়োগকে কাজে লাগিয়ে দেশের অবকাঠামো, বন্দর ব্যবস্থাপনা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিসহ বিভিন্ন খাতে উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে চায় বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সঙ্গে বৈঠককালে এসব বিষয়ে আলোচনা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সঙ্গে এলজিআরডি মন্ত্রীর বৈঠকে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উন্নয়নে চীনের সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা
- 📌 রাজধানীর কড়াইল, গুলশান ও মহাখালী বস্তির উন্নয়নে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ প্রস্তাব চীনের কাছে উপস্থাপন
- 📌 ঢাকার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থার আধুনিকায়নে চীনের সহযোগিতা গ্রহণের পরিকল্পনা
- 📌 আগামী সেপ্টেম্বরে প্রতিমন্ত্রীর চীন সফরের সময় বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন বিষয়ে চুক্তি স্বাক্ষরের উদ্যোগ
📰 বিস্তারিত
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সূত্রে জানা যায়, বৈঠকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরের মাধ্যমে দুই দেশের সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচনের বিষয়টি গুরুত্ব পায়। চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বাংলাদেশের উন্নয়নে চীনের অংশগ্রহণের বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে।’
বৈঠকে উপস্থিত প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানান, রাজধানীর বিভিন্ন বস্তির উন্নয়নে আধুনিক আবাসন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চীনের কাছ থেকে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ‘চীনের প্রাথমিকভাবে ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছে। আগামী সেপ্টেম্বরে প্রতিমন্ত্রীর চীন সফরের সময় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও বিদ্যুৎ উৎপাদন বিষয়ে চুক্তি স্বাক্ষরের উদ্যোগ রয়েছে।’
মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান বলেন, ‘চীন বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ উন্নয়ন অংশীদার। দেশের উন্নয়নের বিভিন্ন ক্ষেত্রে চীনের দীর্ঘদিনের সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পানি সরবরাহ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও নগর উন্নয়নের মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে চীনের অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তি বাংলাদেশের উন্নয়ন কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে পারে।’ বৈঠকে স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসান, ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মনিরুজ্জামানসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
‘বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারের পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে পিপল-টু-পিপল কানেক্টিভিটি আরও বৃদ্ধি করতে চীন আগ্রহী।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ড. আবদুল মঈন খান, ইয়াও ওয়েন, মীর শাহে আলম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!