📅 ২৭ আগস্ট ২০২৬, ৫:১৭ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ব্যবহৃত যন্ত্রাংশের চালানে মিলল চারটি বিলাসবহুল গাড়ির খণ্ডাংশ, মূল্য প্রায় সাড়ে চার থেকে সাত কোটি টাকা

ব্যবহৃত যন্ত্রাংশের চালানে মিলল চারটি বিলাসবহুল গাড়ির খণ্ডাংশ, মূল্য প্রায় সাড়ে চার থেকে সাত কোটি টাকা

📷 ছবি: Sarabangla

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Sarabangla ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মোংলা বন্দরে ব্যবহৃত গাড়ির যন্ত্রাংশ হিসেবে ঘোষিত চালানে চারটি বিলাসবহুল গাড়ির খণ্ডাংশ শনাক্ত করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা। চালানটির প্রকৃত মূল্য প্রায় সাড়ে চার থেকে সাত কোটি টাকা হলেও ঘোষণা করা হয়েছিল মাত্র নয় লাখ টাকা

মোংলা বন্দরে ব্যবহৃত গাড়ির যন্ত্রাংশ হিসেবে ঘোষিত একটি চালানে চারটি বিলাসবহুল গাড়ির খণ্ডাংশ শনাক্ত করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতর (সিআইআইডি)। বৃহস্পতিবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। শতভাগ কায়িক পরীক্ষা, বিশেষজ্ঞ দলের কারিগরি বিশ্লেষণ এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সহায়তায় চালানটির প্রকৃত পরিচয় উন্মোচিত হয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 চারটি বিলাসবহুল গাড়ির খণ্ডাংশ শনাক্ত: ২০১৭ সালের রেঞ্জ রোভার ভোগ, ২০১০ সালের বিএমডব্লিউ ৬৫০আই, ২০১৬ সালের লেক্সাস এলএক্স৫৭০ এবং টয়োটা ক্রাউন অ্যাথলেট
  • 📌 চালানের প্রকৃত মূল্য প্রায় সাড়ে চার থেকে সাত কোটি টাকা হলেও ঘোষণা করা হয়েছিল নয় লাখ টাকা
  • 📌 চালানটির বিল অব এন্ট্রি নম্বর সি-৬৯০৪, আমদানিকারক ঢাকার গেন্ডারিয়ার ক্রাউন অটো মোবাইল সার্ভিসেস
  • 📌 চালানটি জাপানের মাহি কার পোর্ট থেকে আমদানি করা হয়েছিল

📰 বিস্তারিত

ব্যবহৃত গাড়ির যন্ত্রাংশ হিসেবে ঘোষণা দিয়ে চারটি বিলাসবহুল গাড়ির খণ্ডাংশ আমদানি করতে চেয়েছিল এক ব্যবসায়ী দল। মোংলা বন্দরে পৌঁছানোর পর কাস্টমস গোয়েন্দা সূত্রে গোপন তথ্য আসে যে, চালানটির প্রকৃত পরিচয় গোপন করা হতে পারে। এর পরিপ্রেক্ষিতে অতিরিক্ত মহাপরিচালকের নির্দেশনায় চালানটির খালাস কার্যক্রম স্থগিত করা হয়। পরবর্তীতে গত ১৯ জুলাই শতভাগ কায়িক পরীক্ষা ও বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণের মাধ্যমে চালানের প্রকৃত পরিচয় উন্মোচিত হয়।

পরীক্ষায় অংশ নেওয়া বিশেষজ্ঞ দলের মধ্যে ছিলেন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এবং খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) বিশেষজ্ঞরা। তাদের কারিগরি সহায়তা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিশ্লেষণের মাধ্যমে চালানে থাকা চারটি গাড়ির মূল কাঠামো শনাক্ত করা সম্ভব হয়। চালানটিতে ব্যবহৃত যন্ত্রাংশের মধ্যে ছিল দরজা, ইঞ্জিন, সাসপেনশন শক অ্যাবসরবার, হেডলাইট, টেইললাইট, ফেন্ডার, স্টিয়ারিং হুইলসহ বিভিন্ন অংশ।

এনবিআর জানায়, চালানটির প্রকৃত মূল্য প্রায় সাড়ে চার থেকে সাত কোটি টাকা হলেও ব্যবহৃত যন্ত্রাংশ হিসেবে ঘোষণা করে ইনভয়েস মূল্য দেখানো হয়েছিল মাত্র সাত হাজার ৯৩৫ মার্কিন ডলার। শুল্কায়নযোগ্য মূল্য দেখানো হয়েছিল নয় লাখ ৯৩ হাজার ৫৪৭ টাকা এবং শুল্ক-করসহ পরিশোধযোগ্য অর্থ ছিল ছয় লাখ ১০ হাজার ৩০ টাকা।

"চালানটিতে ব্যবহৃত যন্ত্রাংশ হিসেবে ঘোষণা করা হলেও পরীক্ষায় প্রাপ্ত অংশগুলো পুনরায় সংযোজন করলে গাড়ির মূল কাঠামো পুনর্গঠন করা সম্ভব। ফলে এটি সাধারণ ব্যবহৃত যন্ত্রাংশ নয়, বরং আংশিক সংযোজিত অবস্থায় মোটরযান আমদানির চেষ্টা হয়ে থাকতে পারে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মোংলা বন্দর, বাগেরহাট
  • 👥 বিশেষজ্ঞ দল: বিআরটিএ, কুয়েট
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: চালানের মূল্য প্রায় সাড়ে চার থেকে সাত কোটি টাকা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖