📌 দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (সিইপিএ) স্বাক্ষরের ফলে এফবিসিসিআই রপ্তানি বৃদ্ধির সুযোগ দেখছে। চুক্তির ফলে দুই দেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে
বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (সিইপিএ) স্বাক্ষরের ফলে রপ্তানি বৃদ্ধির সুযোগ দেখছে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই)।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক মো. ফজলুল হক দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে সিইপিএ স্বাক্ষরের ফলে রপ্তানি বৃদ্ধির সম্ভাবনার কথা জানান।
- 📌 দক্ষিণ কোরিয়া প্রতি বছর প্রায় ১ হাজার ২০০ কোটি (১২ বিলিয়ন) ডলারের তৈরি পোশাক আমদানি করলেও বাংলাদেশের অংশ মাত্র ৩ শতাংশ।
- 📌 চুক্তির ফলে দক্ষিণ কোরিয়ার বাজারে বাংলাদেশের প্রায় ৯৭ শতাংশ পণ্য শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে।
- 📌 বর্তমানে দুই দেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ ১৩৯ কোটি ডলার।
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (সিইপিএ) স্বাক্ষর হওয়ায় অভিনন্দন জানিয়েছে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই। সংগঠনটির প্রশাসক মো. ফজলুল হক জানান, এই চুক্তি কার্যকর হলে দক্ষিণ কোরিয়ায় বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে সিইপিএর অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে আগামী দিনে অন্যান্য দেশের সঙ্গেও আরও বড় পরিসরে বাণিজ্যচুক্তি করা সহজ হবে।
ফজলুল হক বলেন, দক্ষিণ কোরিয়া প্রতি বছর বিশ্ববাজার থেকে প্রায় ১ হাজার ২০০ কোটি (১২ বিলিয়ন) ডলারের তৈরি পোশাক আমদানি করে। কিন্তু সেখানে বাংলাদেশের অংশ মাত্র ৩ শতাংশ। সিইপিএ কার্যকর হলে কোরিয়ার বাজারে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি বৃদ্ধির বড় সুযোগ তৈরি হবে। পোশাকের পাশাপাশি চামড়াজাত পণ্য, জুতা, ওষুধ ও কৃষিপণ্য রপ্তানির পথও উন্মুক্ত হবে।
বর্তমানে দুই দেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ ১৩৯ কোটি ডলার। এর মধ্যে কোরিয়া থেকে বাংলাদেশ আমদানি করে ৯০ কোটি ৩০ লাখ ডলারের পণ্য, আর বিপরীতে রপ্তানি করে ৪১ কোটি ১০ লাখ ডলারের পণ্য।
"চুক্তির ফলে দক্ষিণ কোরিয়ার বাজারে বাংলাদেশের প্রায় ৯৭ শতাংশ পণ্য শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে। এতে বাংলাদেশ এলডিসি থেকে উত্তরণ-পরবর্তী চ্যালেঞ্জ সহজে মোকাবিলা করতে পারবে। একই সঙ্গে দুই দেশের মধ্যে কারিগরি সহযোগিতাও বহুগুণ বাড়বে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক মো. ফজলুল হক
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৩৯ কোটি ডলার, ৯৭ শতাংশ, ৩ শতাংশ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!