📅 ৩০ আগস্ট ২০২৬, ৪:০৯ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ঢাকায় মেট্রোরেল সম্প্রসারণে ব্যয় দ্বিগুণ, পরিকল্পনা কমিশনে প্রস্তাব

👥 উল্লেখিত ব্যক্তিত্ব: শেখ রবিউল আলম শেখ রবিউল আলম
ঢাকায় মেট্রোরেল সম্প্রসারণে ব্যয় দ্বিগুণ, পরিকল্পনা কমিশনে প্রস্তাব

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ঢাকায় দুটি নতুন মেট্রোরেল প্রকল্পে ব্যয় দ্বিগুণের বেশি বৃদ্ধির প্রস্তাব করেছে ডিএমটিসিএল। পরিকল্পনা কমিশনে অনুমোদনের অপেক্ষায় থাকা প্রকল্প দুটির ব্যয় দাঁড়িয়েছে দুই লাখ ১৩ হাজার ৯৮৫ কোটি টাকা। মূল্যস্ফীতি ও নির্মাণসামগ্রীর দাম বৃদ্ধির কারণে ব্যয় বৃদ্ধির বিষয়টি যৌক্তিক বলছেন বিশেষজ্ঞরা

ঢাকায় দুটি নতুন মেট্রোরেল প্রকল্পের ব্যয় দ্বিগুণের বেশি বৃদ্ধির প্রস্তাব করেছে ঢাকা মাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল)। শুরুতে প্রকল্প দুটির ব্যয় প্রাক্কলন করা হয়েছিল ৯৩ হাজার ৮০০ কোটি টাকা। বর্তমানে ব্যয় বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে দুই লাখ ১৩ হাজার ৯৮৫ কোটি টাকা। পরিকল্পনা কমিশনে অনুমোদনের অপেক্ষায় থাকা এই প্রস্তাব নিয়ে আজ বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 এমআরটি লাইন-১ প্রকল্পের অংশ হিসেবে কমলাপুর থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত পাতালপথ নির্মাণ চলমান
  • 📌 এমআরটি লাইন-৫ (উত্তর) প্রকল্পের অংশ হিসেবে সাভার থেকে গাবতলী, মিরপুর, গুলশান হয়ে ভাটারা পর্যন্ত মেট্রোরেল নির্মাণের পরিকল্পনা
  • 📌 ব্যয় বৃদ্ধির কারণ হিসেবে মূল্যস্ফীতি, নির্মাণসামগ্রীর দাম বৃদ্ধি ও বৈদেশিক মুদ্রার অবমূল্যায়নকে উল্লেখ করেছে ডিএমটিসিএল
  • 📌 জাপানের আন্তর্জাতিক সহায়তা সংস্থা জাইকা প্রকল্প দুটির অর্থায়ন করছে
  • 📌 ব্যয় বৃদ্ধির যৌক্তিকতা যাচাইয়ে গঠিত কারিগরি কমিটি প্রকল্প ব্যয় দ্বিগুণ বৃদ্ধির বিষয়টি সমর্থন করেছে

📰 বিস্তারিত

ঢাকায় মেট্রোরেল সম্প্রসারণ প্রকল্পের ব্যয় দ্বিগুণের বেশি বৃদ্ধির প্রস্তাব করেছে ডিএমটিসিএল। শুরুতে প্রকল্প দুটির ব্যয় প্রাক্কলন করা হয়েছিল ৯৩ হাজার ৮০০ কোটি টাকা। তবে নির্মাণসামগ্রীর মূল্যবৃদ্ধি, বৈদেশিক মুদ্রার বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়ন এবং প্রকল্প বাস্তবায়নে বিলম্বের কারণে ব্যয় বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে দুই লাখ ১৩ হাজার ৯৮৫ কোটি টাকা।

এমআরটি লাইন-১ প্রকল্পের অংশ হিসেবে কমলাপুর থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত পাতালপথ নির্মাণ চলমান রয়েছে। অন্যদিকে এমআরটি লাইন-৫ (উত্তর) প্রকল্পের অংশ হিসেবে সাভার থেকে গাবতলী, মিরপুর, গুলশান হয়ে ভাটারা পর্যন্ত মেট্রোরেল নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। উভয় প্রকল্পই পাতাল ও উড়ালপথের সমন্বয়ে নির্মিত হবে।

ডিএমটিসিএল সূত্র জানায়, মূল্যস্ফীতি, নির্মাণসামগ্রীর দাম বৃদ্ধি এবং বৈদেশিক মুদ্রার অবমূল্যায়নের কারণে ব্যয় বৃদ্ধির বিষয়টি অনিবার্য হয়ে উঠেছে। প্রকল্প দুটির ব্যয় বৃদ্ধির যৌক্তিকতা যাচাইয়ে গঠিত কারিগরি কমিটি প্রকল্প ব্যয় দ্বিগুণ বৃদ্ধির বিষয়টি সমর্থন করেছে।

জাপানের আন্তর্জাতিক সহায়তা সংস্থা জাইকা প্রকল্প দুটির অর্থায়ন করছে। ব্যয় বৃদ্ধির বিষয়টি অন্তর্বর্তী সরকারের আমল থেকেই সামনে আসে। তবে ব্যয় কমানোর তাগিদ দিয়ে অন্তর্বর্তী সরকার আর এগোয়নি। পরবর্তীতে বিএনপি সরকার গঠনের পর জাইকার সঙ্গে বেশ কয়েকবার আলোচনা হয়েছে।

"প্রতিবছর মূল্যস্ফীতি ৫ শতাংশ, ডলারের মূল্য বেড়েছে ৩৮ শতাংশ, নকশায় পরিবর্তনের কারণে কাজ বেড়েছে। এর বাইরে সরকারের ভ্যাট ও কর বেড়েছে। ঢাকার জন্য মেট্রোরেল দরকার। ব্যয় বেশি মনে হলে সরকার অন্য ঋণদাতা খুঁজতে পারে। তবে সময় যত যাবে, ব্যয় বাড়বে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শেখ রবিউল আলম (সড়ক, রেল ও নৌপরিবহনমন্ত্রী), শামীম জেড বসুনিয়া (বুয়েট অধ্যাপক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯৩ হাজার ৮০০ কোটি টাকা (প্রাথমিক ব্যয়), দুই লাখ ১৩ হাজার ৯৮৫ কোটি টাকা (বর্তমান প্রস্তাবিত ব্যয়), ৫ শতাংশ (মূল্যস্ফীতি), ৩৮ শতাংশ (ডলারের মূল্য বৃদ্ধি)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖