📅 ৩০ আগস্ট ২০২৬, ৫:০৪ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

গাজা যুদ্ধের পর পশ্চিম তীরে ইসরাইলি সেনাদের গুলিতে নিহত ফিলিস্তিনি শিশুদের সংখ্যা সাত গুণ বৃদ্ধি

গাজা যুদ্ধের পর পশ্চিম তীরে ইসরাইলি সেনাদের গুলিতে নিহত ফিলিস্তিনি শিশুদের সংখ্যা সাত গুণ বৃদ্ধি

📷 ছবি: বাসস

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 BSS ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 গাজা যুদ্ধ শুরুর পর থেকে পশ্চিম তীরে ইসরাইলি সেনাদের হাতে নিহত ফিলিস্তিনি শিশু ও কিশোরদের সংখ্যা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলো জানিয়েছে, গত তিন বছরে এখানে ইসরাইলি বাহিনীর হাতে কমপক্ষে ২৩৫ জন শিশু নিহত হয়েছে

ঢাকা, ৩০ আগস্ট ২০২৬: গাজা উপত্যকায় যুদ্ধ শুরুর পর থেকে পশ্চিম তীরে ইসরাইলি সেনাবাহিনীর হাতে ফিলিস্তিনি শিশু ও কিশোরদের মৃত্যুহার ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। মানবাধিকার সংগঠন বি’তসেলেমের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত এ অঞ্চলে ইসরাইলি বাহিনীর হাতে কমপক্ষে ২৩৫ জন ফিলিস্তিনি শিশু ও কিশোর নিহত হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 আলিয়া আল-হাল্লাকের নয় বছর বয়সী ছেলে মোহাম্মদকে ইসরাইলি সেনাদের গুলিতে হত্যা করা হয় ২০২৫ সালের অক্টোবরে
  • 📌 পশ্চিম তীরের দক্ষিণাঞ্চলের আল-রিহিয়া গ্রামে টহলরত সেনাদের গুলিতে মোহাম্মদের মৃত্যু ঘটে
  • 📌 বি’তসেলেমের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে প্রতি মাসে গড়ে সাতজন ফিলিস্তিনি শিশু ইসরাইলি সেনাদের হাতে নিহত হচ্ছে
  • 📌 ফিলিস্তিনি সরকারের প্রতিষ্ঠান কলোনাইজেশন অ্যান্ড ওয়াল রেজিস্ট্যান্স কমিশনের হিসাবে একই সময়ে নিহতের সংখ্যা ২৫০ জন
  • 📌 ইসরাইলি সেনাবাহিনী দাবি করে, তারা পাথর নিক্ষেপকারী সন্দেহভাজনদের লক্ষ্য করে গুলি চালায়

📰 বিস্তারিত

আলিয়া আল-হাল্লাক নামের এক ফিলিস্তিনি গৃহিণী তার চার সন্তানের মা হলেও নিজেকে পাঁচ সন্তানের মা হিসেবে পরিচয় দেন। কারণ তার ছেলে মোহাম্মদের মৃত্যু তাকে এখনো মানিয়ে নিতে দেয়নি। তিনি বলেন, ‘আমি প্রায়ই বাড়ির উঠানে বসে মোহাম্মদের কবরের দিকে তাকিয়ে কাঁদি। তবে আমার সন্তানরা যেন আমাকে কাঁদতে না দেখে সেদিকে খেয়াল রাখি।’

আল-রিহিয়া গ্রামে ইসরাইলি সেনাদের টহলের সময় পালানোর সময় মোহাম্মদের গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনা ঘটে। তার চাচা মোহাম্মদ হাল্লাক জানান, সেনাবাহিনীর সঙ্গে কয়েকজন কিশোরের সংঘর্ষের সময় ছোড়া একটি গুলি মোহাম্মদের শরীরে লাগে। জরুরি সেবাদানকারী সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, গুলিটি মোহাম্মদের পেট ভেদ করে বেরিয়ে যায়।

বি’তসেলেমের তথ্য অনুযায়ী, ২০০৫ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত প্রতি মাসে গড়ে একজন ফিলিস্তিনি শিশু ইসরাইলি সেনাদের হাতে নিহত হতো। কিন্তু গাজা যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রতি মাসে সাতজনে। সংঘাত শুরুর পর থেকে ইসরাইলি সেনাবাহিনীর হাতে নিহত ৫৪ ফিলিস্তিনি শিশুর মধ্যে সবচেয়ে ছোটটির বয়স ছিল মাত্র দুই বছর।

"মোহাম্মদের মৃত্যু যেন সবকিছু শেষ করে দিয়েছে। সেনারা নির্বিচারে গুলি চালিয়েছে। আমরা কখনো ন্যায়বিচার পাই না।" — আলিয়া আল-হাল্লাক

ইসরাইলি সেনাবাহিনী জানায়, আল-রিহিয়ায় দায়িত্ব পালনকালে একটি সংঘর্ষের সময় সেনারা গুলি চালিয়েছিল। তারা দাবি করে, পাথর নিক্ষেপে জড়িত সন্দেহভাজনদের লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়েছিল। অন্যদিকে, ফিলিস্তিনি সরকারের প্রতিষ্ঠান কলোনাইজেশন অ্যান্ড ওয়াল রেজিস্ট্যান্স কমিশনের হিসাবে একই সময়ে নিহতের সংখ্যা ২৫০ জন।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: পশ্চিম তীর, আল-রিহিয়া গ্রাম
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আলিয়া আল-হাল্লাক, মোহাম্মদ হাল্লাক
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৩৫ জন (২০২৩-২০২৬), ৭ জন (প্রতি মাসে যুদ্ধ পরবর্তী)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖