📌 সম্পত্তি দান করেও প্রবীণরা যাতে নিজেদের ভোগদখলের অধিকার হারাবেন না, সেজন্য সরকার নতুন আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে। সম্পত্তি হস্তান্তর (সংশোধন) বিল-২০২৬ সংসদে উত্থাপিত হয়েছে
ঢাকা, ৩০ আগস্ট ২০২৬: সম্পত্তি দান করেও প্রবীণরা যাতে নিজেদের ভোগদখলের অধিকার হারাবেন না, সেজন্য সরকার নতুন আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে। সম্পত্তি হস্তান্তর (সংশোধন) বিল-২০২৬ নামে পরিচিত এই আইনের মাধ্যমে দাতার আজীবন ভোগদখলের অধিকারকে আইনি স্বীকৃতি দেওয়া হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সম্পত্তি হস্তান্তর (সংশোধন) বিল-২০২৬ সংসদে উত্থাপন করা হয়েছে
- 📌 দাতার আজীবন ভোগদখলের অধিকার আইনগত স্বীকৃতি পাবে
- 📌 নতুন ধারা হিসেবে ১২২ক ও ১২২খ যুক্ত করার প্রস্তাব
- 📌 স্বামী-স্ত্রী, সন্তান ও নাতি-নাতনি সবাই এই সুবিধা পাবেন
- 📌 স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে নিবন্ধিত দলিল প্রয়োজন হবে
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশের বহু পরিবারের প্রবীণ সদস্যরা সম্পত্তি দান করার পর নিজেদের ভোগদখলের অধিকার হারানোর ভয়ে থাকেন। এই সমস্যার সমাধানে সরকার সম্পত্তি হস্তান্তর আইন সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছে। সম্প্রতি জাতীয় সংসদে ‘সম্পত্তি হস্তান্তর (সংশোধন) বিল, ২০২৬’ উত্থাপন করা হয়েছে। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান গত ২৭ আগস্ট সংসদ অধিবেশনে বিলটি উপস্থাপন করেন। পরে এটি সাংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়।
প্রস্তাবিত আইনে সম্পত্তি দানের পরও দাতার আজীবন ভোগদখলের অধিকার সংরক্ষণের বিধান রাখা হয়েছে। এর মাধ্যমে প্রবীণরা নিজেদের পরিচিত বাড়িতে বসবাস চালিয়ে যেতে পারবেন। এমনকি সন্তান বা নাতি-নাতনির নামে সম্পত্তি দান করার পরও তারা নিজেদের ভোগদখলের অধিকার হারাবেন না।
বিলে নতুন ১২২ক ও ১২২খ ধারা যুক্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এর ফলে দাতা তার জীবদ্দশায় সম্পত্তির ভোগাধিকার নিজের কাছে রেখে দান করতে পারবেন। স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে নিবন্ধিত দলিলের মাধ্যমে এই দান সম্পন্ন করতে হবে।
"সম্পত্তি দান করার পরও দাতা তার জীবনকালীন ভোগদখলের অধিকার হারাবেন না। এটি প্রবীণদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।"
বিলে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, দাতা জীবিত থাকা অবস্থায় গ্রহীতার মৃত্যু হলে সম্পত্তি উত্তরাধিকারীদের কাছে হস্তান্তরিত হবে, তবে দাতার ভোগদখলের অধিকার বহাল থাকবে। বিশেষ পরিস্থিতিতে দাতা ও গ্রহীতার পারস্পরিক সম্মতিতে এই অধিকার পরিবর্তন বা প্রত্যাহার করা যাবে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জাতীয় সংসদ, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান
- 👥 সংসদ সদস্য: ব্যারিস্টার কায়সার কামাল
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২২ক ও ১২২খ ধারা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!