📌 নির্মাণ শ্রমিকদের জীবনের নিরাপত্তা, নিয়োগপত্র, উপযুক্ত মজুরি ও সামাজিক নিরাপত্তাসহ ১২ দফা দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ বিল্ডিং ওয়ার্কার্স ফেডারেশন। আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর মানববন্ধনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে
দেশের প্রায় ৮০ লাখ নির্মাণ শ্রমিকের কর্মক্ষেত্রে জীবনের নিরাপত্তা, নিয়োগপত্র, জীবনযাপনের উপযোগী মজুরি, দুর্ঘটনায় ক্ষতিপূরণ ও সামাজিক নিরাপত্তাসহ ১২ দফা দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ বিল্ডিং ওয়ার্কার্স ফেডারেশন। রোববার জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি তুলে ধরা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 দেশের প্রায় ৮০ লাখ নির্মাণ শ্রমিকের কর্মক্ষেত্রে জীবনের নিরাপত্তা ও নিয়োগপত্রের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ বিল্ডিং ওয়ার্কার্স ফেডারেশন
- 📌 অধিকাংশ শ্রমিক সেফটি সরঞ্জাম ছাড়াই ঝুঁকিপূর্ণ উচ্চতায় কাজ করতে বাধ্য হন বলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে
- 📌 শ্রম আইন অনুযায়ী নিয়োগপত্র দেওয়া বাধ্যতামূলক হলেও অধিকাংশ শ্রমিকই তা থেকে বঞ্চিত
- 📌 দুর্ঘটনায় আহত বা নিহত শ্রমিকদের উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ ও সুচিকিৎসার ব্যবস্থা নেই বলে দাবি
- 📌 কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা নিশ্চিত, জীবনযাপনের উপযোগী মজুরি নির্ধারণ ও সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার দাবি জানানো হয়েছে
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশ বিল্ডিং ওয়ার্কার্স ফেডারেশনের সভাপতি মো. আব্দুল মতিন লিখিত বক্তব্যে জানান, দেশের উন্নয়ন ও অবকাঠামো নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও নির্মাণ শ্রমিকদের কর্মক্ষেত্র ও জীবনযাপনের অবস্থা অত্যন্ত করুণ। তাঁদের অধিকাংশই সেফটি হেলমেট, সেফটি বেল্ট, বুট ও গ্লাভসের মতো প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা সরঞ্জাম ছাড়াই কাজ করতে বাধ্য হন। ফলে কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনার ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে।
সংগঠনটির দাবি, শ্রম আইন অনুযায়ী নিয়োগপত্র দেওয়া বাধ্যতামূলক হলেও অধিকাংশ নির্মাণ শ্রমিকই এ অধিকার থেকে বঞ্চিত। এর ফলে তাঁরা মজুরি বঞ্চনা ও মালিকপক্ষের হয়রানির শিকার হচ্ছেন। দুর্ঘটনায় আহত বা নিহত হলে তাঁদের জন্য সুচিকিৎসা ও উপযুক্ত ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থাও পর্যাপ্ত নয়।
সংবাদ সম্মেলনে শ্রম আইন অনুযায়ী নির্মাণ শ্রমিকদের নিয়োগপত্র ও পরিচয়পত্র প্রদান, কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, বর্তমান দ্রব্যমূল্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ মজুরি নির্ধারণ এবং সামাজিক নিরাপত্তা ও অবসরকালীন ভাতার জন্য আলাদা কল্যাণ তহবিল গঠনের দাবি জানানো হয়। এছাড়া জেলা ভিত্তিক আবাসন ও সরকারি হাসপাতাল স্থাপন, সব নির্মাণ শ্রমিককে ডেটাবেইসের আওতায় আনা এবং কর্মক্ষেত্রে নিহত-আহত শ্রমিকদের আজীবন আয়ের সমপরিমাণ ক্ষতিপূরণ প্রদানের দাবিও উত্থাপন করা হয়।
ফেডারেশনের কার্যকরী সভাপতি আমিরুল হক আমিন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ আনোয়ার হোসাইন উপস্থিত ছিলেন। আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, সরকারের পক্ষে একা সবকিছু সঠিকভাবে বিতরণ করা সম্ভব নয়। এতে দুর্নীতি ও অপচয়ের সুযোগ তৈরি হয়। তবে বিতরণ ব্যবস্থায় বেসরকারি খাত ও এনজিওগুলোকে যুক্ত করা হলে কাজ দক্ষতার সঙ্গে সম্পন্ন হয় এবং অপচয় ও দুর্নীতি কমে আসে।
"সরকারের পক্ষে একা সবকিছু সঠিকভাবে বিতরণ করা সব সময় সম্ভব হয় না। এতে দুর্নীতি ও অপচয়ের সুযোগ তৈরি হয়। কিন্তু বিতরণ ব্যবস্থায় বেসরকারি খাত ও এনজিওগুলোকে যুক্ত করা হলে একদিকে যেমন কাজ দক্ষতার সঙ্গে সম্পন্ন হয়, অন্যদিকে অপচয় ও দুর্নীতি কমে আসে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জাতীয় প্রেসক্লাব, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. আব্দুল মতিন, আমিরুল হক আমিন, শেখ আনোয়ার হোসাইন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮০ লাখ নির্মাণ শ্রমিক, ১২ দফা দাবি, ১ শতাংশ শ্রমিক কল্যাণ তহবিল
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!