📌 শুল্কমুক্ত সুবিধায় আমদানি করা ৮১ টন ডুপ্লেক্স বোর্ডের চালান পুরান ঢাকার নয়াবাজারে বিক্রির সময় কাস্টমস গোয়েন্দা অধিদপ্তরের অভিযানে আটক হয়েছে। নির্ধারিত রুট থেকে বিচ্যুত হয়ে চালানটি খুলনায় না গিয়ে স্থানীয় বাজারে বিক্রির প্রস্তুতি নিচ্ছিল বলে অভিযোগ উঠেছে
কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (সিআইডি) পুরান ঢাকার নয়াবাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে শুল্কমুক্ত সুবিধায় আমদানি করা প্রায় ৮১ টন ডুপ্লেক্স বোর্ডের চালান আটক করেছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সূত্রে গতকাল শনিবার প্রকাশিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পুরান ঢাকার নয়াবাজারে বিক্রির প্রস্তুতিতে ছিল শুল্কমুক্ত সুবিধায় আমদানি করা ৮১ টন ডুপ্লেক্স বোর্ড
- 📌 নির্ধারিত গন্তব্য খুলনা হলেও চালানটি চট্টগ্রাম থেকে নয়াবাজারে নিয়ে আসা হয়
- 📌 অভিযানে ১০টি ট্রাকের বহরের মধ্যে একটি ট্রাক পালিয়ে গেলেও আরেকটি ট্রাকসহ চালানটি আটক করা সম্ভব হয়
- 📌 বন্ড সুবিধায় আমদানি করা পণ্য নির্দিষ্ট শিল্পপ্রতিষ্ঠানে ব্যবহারের কথা থাকলেও খোলা বাজারে বিক্রির মাধ্যমে শুল্ক ফাঁকির অভিযোগ উঠেছে
📰 বিস্তারিত
বন্ড সুবিধায় শুল্কমুক্তভাবে আমদানি করা ডুপ্লেক্স বোর্ডের চালানগুলো চট্টগ্রাম বন্দর থেকে খুলনায় যাওয়ার কথা ছিল। স্বাভাবিক রুট হিসেবে কাঁচপুর-সাইনবোর্ড-পোস্তগোলা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে হয়ে পদ্মা সেতু দিয়ে খুলনায় যাওয়ার কথা থাকলেও চালানটি নির্ধারিত পথ থেকে বিচ্যুত হয়ে পুরান ঢাকার নয়াবাজার এলাকায় প্রবেশ করে। সেখানে বন্ড সুবিধায় আনা কাগজগুলো স্থানীয় আড়তে বিক্রির প্রস্তুতি চলছিল বলে গোয়েন্দা তথ্যে উঠে আসে।
এই তথ্যের ভিত্তিতে কাস্টমস গোয়েন্দা অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা নয়াবাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানের সময় ট্রাকগুলো কাস্টমস কর্মকর্তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে একটি ট্রাক ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। তবে বিক্রির প্রাক্কালে আরেকটি ট্রাকসহ প্রায় ৮১ টন কাগজ আটক করা সম্ভব হয়। প্রাথমিক তদন্তে আটক ট্রাকটিতে বন্ড সুবিধায় শুল্কমুক্তভাবে আমদানি করা ডুপ্লেক্স বোর্ড পাওয়া যায় বলে জানা যায়।
বন্ড সুবিধায় আমদানি করা পণ্য নির্দিষ্ট শিল্পপ্রতিষ্ঠানে উৎপাদন কাজে ব্যবহারের কথা থাকলেও খোলা বাজারে বিক্রি বা স্থানান্তরের মাধ্যমে শুল্ক-কর ফাঁকির সুযোগ তৈরি হয়। ঘটনাটি তদন্ত করছে সিআইডি। অভিযানে আটক পণ্যের প্রকৃত পরিমাণ, আমদানিকারক, সংশ্লিষ্ট সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট, বন্ড সুবিধার আওতায় পণ্য আনার নথিপত্র এবং সম্ভাব্য শুল্ক-কর ফাঁকির পরিমাণ যাচাই করা হচ্ছে।
"বন্ড সুবিধায় আমদানি করা পণ্য নির্দিষ্ট গন্তব্যে না নিয়ে খোলা বাজারে বিক্রির মাধ্যমে শুল্ক ফাঁকির ঘটনা ঘটেছে। তদন্ত শেষে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পুরান ঢাকার নয়াবাজার
- 👥 ঘটনার মুখ্য ব্যক্তি: কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮১ টন, ১০টি ট্রাক
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!