📌 ‘তুমি তো চলেই যাবে’ নাটকের মাধ্যমে অভিনয়ে অভিষেক ঘটেছে অর্পিতা মিত্রের। নির্মাতা মাসুম শাহরিয়ারের নির্দেশনায় ঊর্বী চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের মন জয় করেছেন তিনি। প্রথম কাজেই প্রশংসা কুড়িয়ে ভবিষ্যতে অভিনয়কেই পেশা হিসেবে নিতে চান অর্পিতা
ঢাকায় স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করার পর থেকেই অভিনয়ের স্বপ্ন দেখছিলেন অর্পিতা মিত্র। সেই স্বপ্ন পূরণ হয়েছে নির্মাতা মাসুম শাহরিয়ারের নাটক ‘তুমি তো চলেই যাবে’-এর মাধ্যমে। নাটকটিতে ঊর্বী চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের মন জয় করেছেন তিনি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 অভিনয় জীবনের অভিষেক ঘটেছে অর্পিতা মিত্রের ‘তুমি তো চলেই যাবে’ নাটকের মাধ্যমে
- 📌 নির্মাতা মাসুম শাহরিয়ার পরিচালিত নাটকটিতে ঊর্বী চরিত্রে অভিনয় করেছেন অর্পিতা
- 📌 প্রথম কাজেই সামাজিক মাধ্যমে আলোচিত হয়ে উঠেছেন তিনি
- 📌 অভিনয় প্রশিক্ষণ ছাড়াই পরিচালকের নির্দেশনায় দক্ষতা দেখিয়েছেন অর্পিতা
- 📌 ভবিষ্যতে অভিনয়কেই পেশা হিসেবে নিতে চান অর্পিতা
📰 বিস্তারিত
অর্পিতা মিত্র রাজবাড়ী থেকে ঢাকায় আসেন ২০১৭ সালে পড়াশোনার জন্য। উচ্চমাধ্যমিক শেষ করে তিনি স্নাতক করেছেন শিশুর বিকাশ ও সামাজিক সম্পর্ক বিষয়ে। তবে অভিনয়ের প্রতি তাঁর আগ্রহ ছিল দীর্ঘদিনের। বিজ্ঞাপনচিত্রে মডেলিং করার সময় এক বন্ধুর মাধ্যমে টেলিভিশন বিজ্ঞাপনে কাজ করার সুযোগ পান তিনি। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে কয়েকটি বিজ্ঞাপনচিত্রে অংশ নেন অর্পিতা।
এরপরই আসে অভিনয়ের প্রস্তাব। নির্মাতা মাসুম শাহরিয়ারের ‘তুমি তো চলেই যাবে’ নাটকে ঊর্বী চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ পান তিনি। স্ক্রিপ্ট পাওয়ার পর থেকেই চরিত্রটির সঙ্গে নিজের মিল খুঁজে পান অর্পিতা। তিনি বলেন, ‘স্ক্রিপ্ট পাওয়ার পর মনে হলো ঊর্বী চরিত্রটা আমার ফ্রেন্ড সার্কেলের মধ্যেও দেখা একটা চরিত্র। একটা দ্বন্দ্বমুখর চরিত্র। এই চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ পেয়ে আমি কাজটা বেছে নিয়েছি।’
অভিষেকেই আলোচিত হয়ে ওঠেন অর্পিতা। খায়রুল বাসারের বিপরীতে অভিনয় করে সামাজিক মাধ্যমে প্রশংসা কুড়ান তিনি। ফেসবুক ব্যবহারকারী ইনায়া জাহান লিখেছেন, ‘প্রথম কাজেই নিজের উপস্থিতি দিয়ে দর্শকের মনে আলাদা জায়গা করে নেওয়া বিরল। তাঁর অভিনয়ে ছিল স্বতঃস্ফূর্ততা, চরিত্রের অনুভূতি প্রকাশে সাবলীলতা।’
অর্পিতা বলেন, ‘যত প্রশংসা আর ভালোবাসা পাচ্ছি, এটা আমার ভাগ্য। আমি অনেক বেশি ভাগ্যবান। এত ভালোবাসা পাব, এটা ভাবিনি।’ নির্মাতা মাসুম শাহরিয়ার ও সহশিল্পী খায়রুল বাসারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি। তিনি বলেন, ‘পুরো টিম আমাকে অনেক সাহায্য করেছে। খায়রুল বাসার ভাই আমাকে অনেক জায়গায় সাহায্য করেছেন। ভুল করলেও তিনি কখনো বিরক্ত হননি।’
"আমি আসলে একা কিছুই করিনি। পুরো টিম আমাকে অনেক হেল্প করেছে। সেটে খায়রুল বাসার ভাই আমাকে অনেক জায়গায় সাহায্য করেছেন। অনেকবার ভুল করেছি, কিন্তু ভাইয়াকে একবারের জন্যও বিরক্ত হতে দেখিনি। খুব সুন্দর করে বুঝিয়ে দিয়েছেন—এভাবে করো, তাহলে হবে।"
অভিনয়ের কোনো পূর্ব অভিজ্ঞতা না থাকলেও পরিচালকের নির্দেশনায় দ্রুত উন্নতি করেন অর্পিতা। তিনি বলেন, ‘শুটিং শুরুর আগে প্রায় এক মাস প্রশিক্ষণ দেন পরিচালক।’ রাজবাড়ীর সাংস্কৃতিক পরিবেশে বেড়ে ওঠা অর্পিতার মা গান করেন। শৈশবে তিনি নিজেও নাচ ও গানের তালিম নিয়েছেন।
ভবিষ্যতে অভিনয়কেই পেশা হিসেবে নিতে চান অর্পিতা। তিনি বলেন, ‘দেবী কিংবা ইন্দুবালা ভাতের হোটেল-এর মতো বৈচিত্র্যময় ও নারীকেন্দ্রিক সংগ্রামের গল্পে অভিনয় করার ইচ্ছা আছে। পাশাপাশি রোমান্টিক গল্পও পছন্দ।’ তবে এখনই সিনেমায় কাজ করতে চান না তিনি। আপাতত ছোট পর্দায় নিয়মিত কাজ করতে চান অর্পিতা।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অর্পিতা মিত্র
- 👥 সহশিল্পী: খায়রুল বাসার
- 👥 নির্মাতা: মাসুম শাহরিয়ার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০১৭ (ঢাকায় আসা বছর)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!