📅 ৩০ আগস্ট ২০২৬, ৭:০০ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সারের দামে চাষিদের হাহাকার: সরকারি দামের চেয়ে ৪০০ টাকা বেশি আদায় ব্যবসায়ীদের

সারের দামে চাষিদের হাহাকার: সরকারি দামের চেয়ে ৪০০ টাকা বেশি আদায় ব্যবসায়ীদের

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 সরকারি দামের চেয়ে অতিরিক্ত ১৫০ থেকে ৪০০ টাকা আদায় করছেন ডিলাররা। ফলে আমন মৌসুমে ধান উৎপাদন ব্যয় বেড়েছে। কৃষকদের দাবি, মনিটরিং জোরদার করে দাম নিয়ন্ত্রণ করতে হবে

দেশে সারের কোনো সংকট নেই বলে দাবি করেছেন কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। গতকাল শনিবার ফরিদপুরে কৃষি ও মৎস্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন। তবে মাঠপর্যায়ে চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। কৃষকেরা অভিযোগ করেছেন, তাঁরা চাহিদা অনুযায়ী সার পাচ্ছেন না। যে সার পাওয়া যাচ্ছে, তার দামও সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে ১৫০ থেকে ৪০০ টাকা বেশি আদায় করা হচ্ছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সরকারি দামের চেয়ে ইউরিয়া, টিএসপি, ডিএপি ও পটাশ সারের দাম বেশি আদায় করা হচ্ছে
  • 📌 ময়মনসিংহসহ ১৩টি উপজেলায় সারের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির অভিযোগ
  • 📌 কৃষকেরা বলছেন, উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় তাঁদের ওপর চাপ বাড়ছে
  • 📌 কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক জানান, সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও কিছু ডিলার কৃত্রিম সংকট তৈরি করছেন

📰 বিস্তারিত

ময়মনসিংহের কৃষকেরা অভিযোগ করেছেন, সরকার নির্ধারিত দামে সার পাওয়ার কথা থাকলেও অনেক ডিলার ও খুচরা বিক্রেতা নানা অজুহাতে অতিরিক্ত দাম আদায় করছেন। বিশেষ করে ইউরিয়া, টিএসপি, ডিএপি ও পটাশ সারের ক্ষেত্রে তাঁদের প্রতি বস্তায় ১৫০ থেকে ৪০০ টাকা বেশি দিতে হচ্ছে। কোথাও কোথাও সার না থাকার অজুহাতে কৃষকদের ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। পরে সেই সারই বেশি দামে বিক্রি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

ধুরাইল ইউনিয়নের স্কুলশিক্ষক জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘সার অতিরিক্ত দামে বিক্রি হচ্ছে। ইউনিয়ন ডিলারের কাছে গেলে তিনি বলেন সার নেই। অথচ খোলাবাজারে অতিরিক্ত দামে সার পাওয়া যাচ্ছে। ডিলারকে বস্তাপ্রতি কয়েক শ টাকা অতিরিক্ত দিলে মেলে।’

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. এনামুল হক জানান, চাহিদার তুলনায় পর্যাপ্ত সার মজুত ও সরবরাহ রয়েছে। তিনি বলেন, ‘কৃত্রিম সংকট তৈরি করে বাড়তি দামে সার বিক্রির কোনো সুযোগ নেই। এ ধরনের অভিযোগ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ বেশ কয়েকটি স্থানে অভিযান চালিয়ে সার জব্দের পাশাপাশি জরিমানা করা হয়েছে।

যশোরের কৃষকেরা জানান, তাঁরা সরকার নির্ধারিত দামে সার পাচ্ছেন না। সরকারি দাম অনুযায়ী প্রতি ৫০ কেজির বস্তা টিএসপি সারের খুচরা মূল্য ১ হাজার ৩৫০ টাকা, এমওপি ১ হাজার টাকা, ডিএপি ১ হাজার ৫০ টাকা এবং ইউরিয়া ১ হাজার ৩৫০ টাকা হলেও বাস্তবে তাঁদের বেশি দামে সার কিনতে হচ্ছে।

চৌগাছা উপজেলার কৃষক শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘দুই বস্তা কিনতে চাইলে এক বস্তা পাওয়া যাচ্ছে। এরপরও সরকারি দামে সার পাওয়া যাচ্ছে না।’ অন্যদিকে ঝিকরগাছা উপজেলার কৃষক মো. আবদুল আলিম জানান, তিনি খোলাবাজার থেকে প্রতি কেজি ৫২ টাকা দরে ২০ কেজি টিএসপি কিনেছেন। এ ছাড়া ১ হাজার ৫০০ টাকা দরে দুই বস্তা ইউরিয়া কিনেছেন।

‘খুচরা দোকানে গিয়ে ইউরিয়া, ডিএপি ও টিএসপি সার পাচ্ছি। কিন্তু দাম দেখে মাথা ঘুরে যাচ্ছে। ডিলারদের কাছে সার নিতে গেলে আমরা পাই না। চাষির কান্নাও কেউ দেখে না।’ — ধানচাষি আলতাব হোসেন

কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ জানান, দেশে সারের কোনো সংকট নেই। তিনি অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি আগামী তিন বছরের মধ্যে কৃষিপণ্যে স্বয়ংসম্পন্ন হয়ে রপ্তানির পরিকল্পনার কথা জানান।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ফরিদপুর, ময়মনসিংহ, যশোর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ, উপপরিচালক মো. এনামুল হক
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: অতিরিক্ত দাম ১৫০-৪০০ টাকা, ১৩টি উপজেলা, ১ লাখ ৩২ হাজার ৬৯২ হেক্টর জমি

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖