📌 তিন বছরের অপেক্ষা শেষে বাংলাদেশ ব্যাংক দেশে চালু করতে যাচ্ছে আটটি ডিজিটাল ব্যাংক। প্রচলিত ব্যাংকের মতো শাখা না থাকলেও অ্যাপ ও মোবাইলেই মিলবে সকল ব্যাংকিং সেবা। কম খরচে গ্রামাঞ্চলের মানুষ ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের আর্থিক অন্তর্ভুক্তির লক্ষ্যে এই উদ্যোগ
বাংলাদেশ ব্যাংক দেশে ডিজিটাল ব্যাংকিং বিপ্লবের দ্বার উন্মোচন করতে যাচ্ছে। তিন বছরের বেশি সময় ধরে অপেক্ষার পর দ্বিতীয় দফায় আবেদন করা ১২টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৮টিকে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। আগামী পর্ষদ সভায় এসব প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 দ্বিতীয় দফায় ১২টি প্রতিষ্ঠান আবেদন করলেও নির্বাচিত হয়েছে মাত্র ৮টি ডিজিটাল ব্যাংক
- 📌 প্রচলিত ব্যাংকের মতো শাখা বা এটিএম না থাকলেও অ্যাপ ও মোবাইলেই মিলবে সকল ব্যাংকিং সেবা
- 📌 ভার্চুয়াল কার্ড, কিউআর কোডসহ প্রযুক্তিনির্ভর সেবা চালু করবে নতুন ব্যাংকগুলো
- 📌 গ্রামাঞ্চলের মানুষ, তরুণ উদ্যোক্তা ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের আর্থিক অন্তর্ভুক্তির লক্ষ্যে এই উদ্যোগ
- 📌 ২০২৩ সালের জুনে প্রথম নীতিমালা জারি হলেও নানা জটিলতায় দীর্ঘ সময় লেগেছে
📰 বিস্তারিত
ডিজিটাল ব্যাংক স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল ২০২৩ সালের ১৪ জুন। তখন একটি ডিজিটাল ব্যাংকের জন্য ন্যূনতম পরিশোধিত মূলধন নির্ধারণ করা হয়েছিল ১২৫ কোটি টাকা। প্রথম দফায় ৫২টি আবেদন জমা পড়লেও যাচাই-বাছাই শেষে মাত্র ৯টি প্রস্তাব পর্ষদে উপস্থাপন করা হয়। এর মধ্যে নগদ ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসিকে ২০২৪ সালের জুনে লাইসেন্স দেওয়া হলেও পরবর্তীতে সরকার পরিবর্তনের পর সেই লাইসেন্স স্থগিত করা হয়।
এরপর ২০২৫ সালের ২১ আগস্ট বাংলাদেশ ব্যাংক নীতিমালায় পরিবর্তন আনে। ন্যূনতম পরিশোধিত মূলধন ১২৫ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে করা হয় ৩০০ কোটি টাকা। এরপর দ্বিতীয় দফায় নতুন করে আবেদন আহ্বান করা হলে ১২টি প্রতিষ্ঠান আবেদন করে। নির্বাচিত প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে রবি আজিয়াটার ‘বুস্ট’, বাংলালিংক ও স্কয়ারের যৌথ উদ্যোগ ‘নোভা ডিজিটাল ব্যাংক’, আকিজ রিসোর্সের ‘মুনাফা ইসলামী ডিজিটাল ব্যাংক’, আশার ‘মৈত্রী ডিজিটাল ব্যাংক’, ‘আমার ডিজিটাল ব্যাংক-২২’, ‘৩৬ ডিজিটাল ব্যাংক’, ব্রিটিশ-বাংলা ডিজিটাল ব্যাংক, ভুটানের ডিকে ব্যাংকের ডিজিটাল ব্যাংকিং অব ভুটান, অ্যাপ ব্যাংক, জাপান বাংলা ডিজিটাল ব্যাংক, উপকারী ডিজিটাল ব্যাংক ও বিকাশ ডিজিটাল ব্যাংক।
আরিফ হোসেন খান জানান, দ্বিতীয় দফায় জমা পড়া আবেদনগুলোর মধ্যে ৮টি প্রতিষ্ঠানের মূল্যায়ন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। আগামী পর্ষদ সভায় বিষয়টি উঠবে এবং চূড়ান্ত লাইসেন্সের অনুমোদন দেওয়া হবে। তিনি বলেন, "দ্বিতীয় দফায় জমা পড়া আবেদনগুলোর মধ্যে ৮টি প্রতিষ্ঠানের মূল্যায়ন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। আগামী পর্ষদ সভায় বিষয়টি উঠবে এবং চূড়ান্ত লাইসেন্সের অনুমোদন দেওয়া হবে।"
"দ্বিতীয় দফায় জমা পড়া আবেদনগুলোর মধ্যে ৮টি প্রতিষ্ঠানের মূল্যায়ন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। আগামী পর্ষদ সভায় বিষয়টি উঠবে এবং চূড়ান্ত লাইসেন্সের অনুমোদন দেওয়া হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: আরিফ হোসেন খান, নির্বাহী পরিচালক, বাংলাদেশ ব্যাংক
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ বছর, ৮ প্রতিষ্ঠান, ১২৫ কোটি টাকা, ৫২টি আবেদন, ৯টি প্রস্তাব
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!