📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৮:৫৪ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বাংলাদেশকে ২০টি ইঞ্জিন অনুদান না দেওয়ার সিদ্ধান্ত চীনের, রেল যোগাযোগে প্রভাব পড়তে পারে

বাংলাদেশকে ২০টি ইঞ্জিন অনুদান না দেওয়ার সিদ্ধান্ত চীনের, রেল যোগাযোগে প্রভাব পড়তে পারে

📷 ছবি: শেয়ার বিজ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Share Biz ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বাংলাদেশ রেলওয়ের জন্য চীন সরকারের দেওয়ার কথা থাকা ২০টি ডিজেল ইঞ্জিন অনুদান প্রকল্প থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে চীন। প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছিল ১ হাজার ৬৩৫ কোটি টাকা, যার পুরোটাই বহন করত চীন সরকার

বাংলাদেশ রেলওয়ের ক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে চীন সরকারের দেওয়ার কথা থাকা ২০টি ডিজেলচালিত লোকোমোটিভ অনুদান প্রকল্প থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে চীন। দুই দেশের দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক সম্পর্কের অংশ হিসেবে প্রাথমিকভাবে ইতিবাচক সাড়া মিললেও পরবর্তী সময়ে প্রকল্পটি স্থবির হয়ে পড়ে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 বাংলাদেশ রেলওয়ের জন্য চীন সরকারের দেওয়ার কথা ছিল ২০টি মিটারগেজ ডিজেল ইলেকট্রিক লোকোমোটিভ
  • 📌 প্রকল্পটির মোট ব্যয় ধরা হয়েছিল ১ হাজার ৬৩৫ কোটি টাকা, যার পুরোটাই বহন করার কথা ছিল চীন সরকারের
  • 📌 ২০২৪ সালে সরকার পরিবর্তনের পর প্রকল্পটি নিয়ে আর কোনো আলোচনা হয়নি
  • 📌 প্রকল্পটির প্রাক্কলিত ব্যয় ছিল ১৮ হাজার ৩৫৩ কোটি ৭৯ লাখ টাকা, যার মধ্যে সরকারের অংশ ছিল মাত্র ৪৪ কোটি টাকা
  • 📌 রেল বিশেষজ্ঞরা এই প্রকল্প থেকে চীনের পিছিয়ে যাওয়াকে নেতিবাচক হিসেবে দেখছেন

📰 বিস্তারিত

বাংলাদেশ রেলওয়ের জন্য চীন সরকারের দেওয়ার কথা থাকা ২০টি ডিজেল ইঞ্জিন অনুদান প্রকল্প থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে চীন। দুই দেশের দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্কের অংশ হিসেবে বাংলাদেশকে ২০টি মিটারগেজ লোকোমোটিভ অনুদান দেওয়ার ঘোষণা দিলেও প্রকল্পটি আর এগোচ্ছে না। রেলপথ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, চীনের পক্ষ থেকে এই প্রস্তাব পাওয়ার পর তৎকালীন সরকার প্রকল্পটির কারিগরি ও প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা শুরু করে।

কিন্তু ২০২৪ সালে সরকার পরিবর্তনের পর প্রকল্পটি নিয়ে আর কোনো আলোচনা হয়নি। পরবর্তী সময়ে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় এলেও প্রকল্পটি নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়নি। ফলে চীন প্রকল্প থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট সূত্র।

প্রকল্পটির প্রাক্কলিত ব্যয় ছিল ১৮ হাজার ৩৫৩ কোটি ৭৯ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারের অংশ ছিল মাত্র ৪৪ কোটি টাকা, যা মূলত শুল্ক ও কর হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছিল। চীন সরকারের অংশ ছিল ১ হাজার ৫৯১ কোটি টাকা। প্রকল্পটির মেয়াদ ধরা হয়েছিল ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৭ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত।

রেলওয়ে সূত্র জানিয়েছে, বর্তমানে বাংলাদেশ রেলওয়েতে মিটারগেজ ইঞ্জিনের সংকট তীব্র। ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেটসহ উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় মিটারগেজ ট্রেন চলাচল করে। নতুন ইঞ্জিন যুক্ত হলে ট্রেন চলাচলের শিডিউল বিপর্যয় কমত এবং পুরোনো ইঞ্জিনের ওপর চাপ কমত। ফলে রেলের রানিং টাইম বৃদ্ধি পেত।

"এই প্রকল্প থেকে চীনের পিছিয়ে যাওয়াকে নেতিবাচক সম্পর্ক হিসেবে দেখছেন রেল বিশেষজ্ঞরা। রেলে বর্তমানে মিটারগেজ ইঞ্জিনের সংকট সবচেয়ে বেশি। নতুন ইঞ্জিন যুক্ত হলে ট্রেন চলাচলে শিডিউল বিপর্যয় কমে আসত।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ ও চীন
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কর্মকর্তাদের, বিশেষজ্ঞরা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ (ইঞ্জিন), ১৮৩৫৩৭.৯১ (লাখ টাকা), ৪৪০০.০৪ (লাখ টাকা), ১৫৯১৩৭.৮৭ (লাখ টাকা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖