📌 কুষ্টিয়া মিরপুরের ৭০ বছর বয়সী হাসনা খাতুনকে নিখোঁজ হওয়ার চার দিন পর গোবিন্দগুনিয়া খাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। কোমরে বালুর বস্তা বাঁধা অবস্থায় পাওয়া মরদেহের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ তদন্তাধীন। পরিবার হত্যাকাণ্ডের সন্দেহ জানিয়েছে
কুষ্টিয়া জেলার মিরপুর উপজেলায় নিখোঁজ হওয়ার চার দিন পর ৭০ বছর বয়সী হাসনা খাতুনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে গোবিন্দগুনিয়া এলাকার জিকে খাল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত মরদেহে কোমরে বালুর বস্তা বাঁধা ছিল। পরিবারের সদস্যরা হত্যাকাণ্ডের সন্দেহ প্রকাশ করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৭০ বছর বয়সী হাসনা খাতুনের মরদেহ গোবিন্দগুনিয়া খাল থেকে উদ্ধার করা হয়, কোমরে বালুর বস্তা বাঁধা অবস্থায়
- 📌 নিহত হাসনা খাতুন মিরপুর উপজেলার বহলবাড়ীয়া ইউনিয়নের খাড়ারা গ্রামের করিম আলীর স্ত্রী
- 📌 সর্বশেষ ২ সেপ্টেম্বর রাত ১২টায় ছেলে হাসান আলীর সঙ্গে কথা বলার পর নিখোঁজ হন
- 📌 পরিবার ৩ সেপ্টেম্বর মিরপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন, ৪ সেপ্টেম্বর মরদেহ উদ্ধার
- 📌 মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে
- 📌 মিরপুর থানার ওসি শহিদুল ইসলাম ও সহকারী পুলিশ সুপার মাহমুদুল হক মজুমদার হত্যাকাণ্ডের তদন্তে জড়িতদের শনাক্তকরণে সক্রিয়
📰 বিস্তারিত
গত সোমবার (২ সেপ্টেম্বর) রাত ১২টার দিকে হাসনা খাতুনের সর্বশেষ কথা হয় তার ছেলে হাসান আলীর সঙ্গে। এরপর তিনি নিজ ঘরে ঘুমিয়ে পড়েন। মঙ্গলবার (৩ সেপ্টেম্বর) ভোরে পরিবারের সদস্যরা তাঁকে ঘরে না পেয়ে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। কোথাও সন্ধান না পেয়ে গত বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) মিরপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন স্বজনরা। শুক্রবার সকালে গোবিন্দগুনিয়া এলাকায় ওই খালে একটি মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন দেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে। পরে স্বজনরা মরদেহটি হাসনা খাতুনের বলে শনাক্ত করেন।
মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম জানান, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে। কুষ্টিয়ার সহকারী পুলিশ সুপার (মিরপুর সার্কেল) মাহমুদুল হক মজুমদার বলেন, হাসনা খাতুন নিখোঁজের ঘটনায় তাঁর ছেলে থানায় জিডি করেছিলেন। এর পরদিন খালের পানি থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে।
পরিবারের সদস্যরা দাবি করেছেন, হাসনা খাতুনকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে মরদেহ খালে ফেলে দেওয়া হয়েছে।
"মরদেহের অবস্থা এবং কোমরে বালুর বস্তা বাঁধা দেখে হত্যাকাণ্ডের সন্দেহ নিঃসন্দেহে রয়েছে। আমরা আইনের পথে যাবার জন্য পুলিশের তদন্তের উপর নির্ভর করছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গোবিন্দগুনিয়া, জিকে খাল (গঙ্গা-কপোতাক্ষ), মিরপুর উপজেলা, কুষ্টিয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হাসনা খাতুন (৭০), হাসান আলী, করিম আলী, ওসি শহিদুল ইসলাম, সহকারী পুলিশ সুপার মাহমুদুল হক মজুমদার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭০ বছর বয়স, ১১ টা, ১২ টা, ৯৯৯
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!