📌 চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে কৃষি ও পল্লিঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন নীতিমালায় রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের জন্য ২০ হাজার ৪৯৫ কোটি ও বেসরকারি ব্যাংকের জন্য ৩৯ হাজার ৫০৫ কোটি টাকা ঋণ বিতরণের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে
চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে কৃষি ও পল্লিঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন এ লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৬০ হাজার কোটি টাকা, যা গত অর্থবছরের তুলনায় ৫৩ দশমিক ৮৫ শতাংশ বেশি। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে নতুন কৃষি ও পল্লিঋণ নীতি ও কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে কৃষি ও পল্লিঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬০ হাজার কোটি টাকা
- 📌 গত অর্থবছরে এ খাতে ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩৯ হাজার কোটি টাকা
- 📌 নতুন নীতিমালায় রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের জন্য ২০ হাজার ৪৯৫ কোটি ও বেসরকারি ব্যাংকের জন্য ৩৯ হাজার ৫০৫ কোটি টাকা ঋণ বিতরণের ব্যবস্থা
- 📌 প্রকৃত কৃষক শনাক্তে স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তাদের নথি ও সরকার প্রদত্ত কৃষক কার্ডের তথ্য ব্যবহারের নির্দেশনা
- 📌 মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে জামানত ছাড়াই সর্বোচ্চ পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ প্রদানের বিধান
📰 বিস্তারিত
কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং গ্রামীণ মানুষের আয় বাড়ানোর লক্ষ্যে নতুন কৃষি ও পল্লিঋণ নীতিমালা ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। গতকাল সোমবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে নতুন এ কর্মসূচির বিস্তারিত তুলে ধরা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং তফসিলি ব্যাংকগুলোর প্রতিনিধিরা।
নতুন নীতিমালায় রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর জন্য ২০ হাজার ৪৯৫ কোটি টাকা এবং বেসরকারি ও বিদেশি ব্যাংকগুলোর জন্য ৩৯ হাজার ৫০৫ কোটি টাকা ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রকৃত কৃষক শনাক্ত করতে স্থানীয় কৃষি সমপ্রসারণ কর্মকর্তা, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা, মৎস্য কর্মকর্তা ও প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাদের নথি অথবা সরকার প্রদত্ত কৃষক কার্ডের তথ্য ব্যবহারের সুযোগ রাখা হয়েছে।
নীতিমালায় ফসল, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে ঋণ প্রদানের পাশাপাশি কৃষক দলের সদস্যসংখ্যার সীমা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে নারী ও প্রান্তিক কৃষকদের ঋণপ্রাপ্তি সহজ করতে ব্যক্তিগত, সামাজিক ও দলগত গ্যারান্টির মতো বিকল্প নিরাপত্তা ব্যবস্থা বিবেচনার জন্য ব্যাংকগুলোকে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কৃষি ঋণগ্রহীতাদের পাসবই সংরক্ষণের বাধ্যবাধকতা শিথিল করা হয়েছে।
"কৃষি উৎপাদন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও গ্রামীণ মানুষের আয় বাড়ানোর পাশাপাশি এ খাতে পর্যাপ্ত ঋণপ্রবাহ নিশ্চিত করতে নতুন নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ ব্যাংক প্রধান কার্যালয়, ঢাকা
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬০ হাজার কোটি টাকা (লক্ষ্যমাত্রা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫৩ দশমিক ৮৫ শতাংশ (বৃদ্ধির হার)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!