📌 বাংলাদেশ সরকার বিনা দরপত্রে বোয়িং থেকে ১৪টি বিমান কেনার পর আরও ১১টি বিমান ক্রয় করার সিদ্ধান্ত নেয়। আন্তর্জাতিক সংস্থা আইসিএও-এর তথ্য অনুযায়ী, বোয়িংয়ের বিমানগুলো বিশ্বের সবচেয়ে দুর্ঘটনাপ্রবণ। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির জানান, কোনো চাপে নয়, প্রয়োজনেই বিমান কেনা হচ্ছে। কিন্তু বোয়িংয়ের নিরাপত্তাজনিত সমস্যা ও অর্থনৈতিক চাপের কথা বিবেচনা করলে এই সিদ্ধান্তের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে
বাংলাদেশ সরকারের বিমান ক্রয় বিষয়ে নেওয়া সিদ্ধান্তে প্রশ্নের ঝড় উঠেছে। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পরপরই গত এপ্রিলে বিনা দরপত্রে বোয়িং থেকে ১৪টি বিমান ক্রয় করার পর, গত ৩০ আগস্ট আরও ১১টি বিমান কেনার ঘোষণা দিলে সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেছেন, ‘কোনো চাপে নয়, প্রয়োজনেই বোয়িং কেনা হচ্ছে।’ তবে আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থা (আইসিএও) এবং অন্যান্য উৎস থেকে পাওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, বোয়িংয়ের বিমানগুলো বিশ্বের সবচেয়ে দুর্ঘটনাপ্রবণ।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গত এপ্রিলে বিনা দরপত্রে বোয়িং থেকে ১৪টি বিমান ক্রয় করা হয়, এখন আরও ১১টি বিমান কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
- 📌 আন্তর্জাতিক সংস্থা আইসিএও-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০০১-২০২৪ সালের মধ্যে ঘটা ২০টি সবচেয়ে ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনার মধ্যে ৮টি ঘটেছে বোয়িংয়ের বিমানের সাথে।
- 📌 বাংলাদেশের বিমান সংস্থাগুলোতে বোয়িংয়ের বিমানগুলোতে সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ও কারিগরি ত্রুটি ঘটেছে।
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের বেসরকারি বিমান সংস্থাসমূহও বোয়িংয়ের বিমান কিনতে চায় না, এমনকি উৎপাদক দেশের নিজস্ব বিমান সংস্থাসমূহও এখন বোয়িংয়ের দিকে তাক না করে অন্যান্য কোম্পানির বিমান কিনছে।
- 📌 পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির জানান, কোনো চাপে নয়, প্রয়োজনেই বোয়িংয়ের বিমান কেনা হচ্ছে।
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশ সরকারের বিমান ক্রয় বিষয়ে নেওয়া সিদ্ধান্তে প্রশ্নের ঝড় উঠেছে। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পরপরই গত এপ্রিলে বিনা দরপত্রে বোয়িং থেকে ১৪টি বিমান ক্রয় করার পর, গত ৩০ আগস্ট আরও ১১টি বিমান কেনার ঘোষণা দিলে সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেছেন, ‘কোনো চাপে নয়, প্রয়োজনেই বোয়িং কেনা হচ্ছে।’ তবে আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থা (আইসিএও) এবং অন্যান্য উৎস থেকে পাওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, বোয়িংয়ের বিমানগুলো বিশ্বের সবচেয়ে দুর্ঘটনাপ্রবণ।
২০০১ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে ঘটা সবচেয়ে ভয়াবহ ২০টি বিমান দুর্ঘটনার মধ্যে ৮টি ঘটেছে বোয়িংয়ের তৈরি বিমানের সাথে। ফ্রান্সের এয়ারবাসের বিমানের সাথে ঘটা দুর্ঘটনার সংখ্যা ৫টি এবং বাকি ৭টি ঘটেছে অন্যান্য কোম্পানির বিমানের সাথে। এছাড়াও, বাংলাদেশের বিমান সংস্থাগুলোতে বোয়িংয়ের বিমানগুলোর সাথে সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ও কারিগরি ত্রুটি ঘটেছে। আন্তর্জাতিক বিমান পরিবহনের ক্ষেত্রে বোয়িংয়ের জন্য এই নাজুক পরিস্থিতি বিরাজমান থাকার কারণে তারা বাণিজ্যিক দিক থেকে খুবই চাপের মধ্যে আছে।
বোয়িংয়ের বিমানগুলোর নিরাপত্তাজনিত সমস্যা ও কারিগরি ত্রুটির কারণে অনেক দেশ ও বিমান সংস্থাই বোয়িংয়ের দিকে তাক না করে অন্যান্য কোম্পানির বিমান কিনতে শুরু করেছে। এমনকি যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব বিমান সংস্থাসমূহও বোয়িংয়ের বিমান কিনতে চায় না। এমন পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র সরকার কূটনৈতিক ও ভূরাজনৈতিক চাপ সৃষ্টি করে বাংলাদেশের মতো দেশগুলোর কাছে বোয়িংয়ের বিমান গছিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে। তবে প্রশ্ন উঠেছে, বাংলাদেশ কি নিজের জাতীয় স্বার্থের বিনিময়ে এই চাপে সাড়া দেবে?
"কোনো চাপে নয়, প্রয়োজনেই বোয়িং কেনা হচ্ছে" — পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ, যুক্তরাষ্ট্র
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হুমায়ুন কবির (পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০টি দুর্ঘটনা (২০০১-২০২৪), ৮টি বোয়িং, ৫টি এয়ারবাস, ১৪টি (প্রথম ক্রয়), ১১টি (নতুন ক্রয়)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!