📌 চট্টগ্রাম বন্দরে ৩ কোটি টাকার রপ্তানিমুখী কাপড়ের ৪০ ফুট কনটেইনার অদৃশ্য হয়ে গেছে। আমদানিকারক সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টের দাবি, কনটেইনারটি খুঁজে পাওয়ার পরও বন্দর কর্তৃপক্ষ ডেলিভারি দিতে অস্বীকার করেছে। বন্দরসচিব তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন
চট্টগ্রাম বন্দরে রপ্তানিমুখী পোশাকশিল্পের জন্য আনা ৩ কোটি টাকার মূল্যের ৬৬৮ বেল কাপড়ের কনটেইনার অদৃশ্য হয়ে গেছে। আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টের দাবি, তারা সব ধরনের চার্জ পরিশোধ করে কনটেইনারটি খালাস নিতে গেলেও তা পাওয়া যায়নি। বন্দর কর্তৃপক্ষের তদন্ত চলছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চট্টগ্রাম বন্দরে ৩ কোটি টাকার মূল্যের ৬৬৮ বেল রপ্তানিমুখী কাপড়ের কনটেইনার অদৃশ্য
- 📌 আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট ২৭ লাখ টাকা চার্জ ও ১৭ লাখ টাকা শিপিং চার্জ পরিশোধ করেছে
- 📌 কনটেইনারটি ১৭ মে 'এমভি এমসিসি ডানাং' জাহাজে এনসিটি-২ বার্থে নামলেও বন্ড লাইসেন্সের কারণে খালাস নিতে পারেনি
- 📌 বন্দর কর্তৃপক্ষ ৩০ আগস্ট থেকে কনটেইনারটি খুঁজতে বললেও ২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পাওয়া যায়নি
- 📌 বন্দরসচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন
- 📌 অন্য একটি সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট 'আফরিন ট্রেডার্স' দাবি করেছে, তারা কনটেইনারটি ১১ আগস্ট অনসেসিস ডেলিভারি নিয়ে গেছে
📰 বিস্তারিত
চট্টগ্রাম বন্দরে রপ্তানিমুখী পোশাকশিল্পের জন্য আনা ৩ কোটি টাকার মূল্যের ৪০ ফুট কনটেইনারটি খালাস নিতে গিয়ে অদৃশ্য হয়ে গেছে। সাভারের বিরুলিয়ার গোল্ড স্টার গার্মেন্টসের নামে আমদানি করা এমআরএসইউ-৮৬৯২৮২৭ নম্বরের কনটেইনারটি ১৭ মে 'এমভি এমসিসি ডানাং' জাহাজে এনসিটি-২ বার্থে নামলেও আমদানিকারকের বন্ড লাইসেন্স নবায়ন না থাকায় চালানটি ছাড় করতে পারেনি।
সিঅ্যান্ডএফ প্রতিষ্ঠান এসআরএস সাইন্ড সিঅ্যান্ডএফ লিমিটেড ২২ আগস্ট বিল অব এন্ট্রি দাখিল করে শুল্কায়ন সম্পন্ন করে। পরে ৩০ আগস্ট বন্দরের সিসিটি ইয়ার্ড থেকে কনটেইনারটি খালাস নিতে গেলে বন্দর কর্তৃপক্ষ কনটেইনারটি কিপ ডাউন করে ডেলিভারি দিতে অস্বীকার করে। তারা সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টকে কনটেইনারটি খুঁজতে বলে। এজেন্ট ৩০ আগস্ট থেকে ২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত খুঁজেও কনটেইনার পায়নি।
এসআরএস সাইন্ড সিঅ্যান্ডএফ লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. হাফিজুর রহমান বলেন, 'আমরা সব ধরনের চার্জ পরিশোধ করে কনটেইনার ডেলিভারির জন্য গেলে তা পাওয়া যায়নি। এক সপ্তাহের বেশি হয়ে গেছে। কনটেইনারটিতে আসা কাপড়ের রোলগুলো শতভাগ রপ্তানিমুখী। এতে প্রায় ৩ কোটি টাকার কাপড় ছিল। এখন নির্ধারিত সময়ে কাপড়গুলো না পেয়ে আমাদের গ্রাহক গোল্ড স্টার গার্মেন্টসও বিপাকে পড়েছে। তারা নির্ধারিত সময়ে রপ্তানি পণ্য বায়ারের কাছে পৌঁছাতে ব্যর্থ হবে।'
বন্দরের নথি সূত্রে জানা গেছে, অন্য একটি প্রতিষ্ঠান এই পণ্য নিয়ে গেছে। এ বিষয়ে এসআরএস সাইন্ড সিঅ্যান্ডএফ লিমিটেডের জেটি সরকার মো. মোয়াজ্জেমুল হক বলেন, বন্দর থেকে সিঅ্যান্ডএফ আফরিন ট্রেডার্স প্রাইভেট লিমিটেড নামের একটি সিঅন্ডএফ এজেন্ট এই কনটেইনারটি ১১ আগস্ট অনসেসিস ডেলিভারি নিয়ে গেছে।
বন্দরসচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম জানান, এ বিষয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং তদন্ত কার্যক্রম চলমান আছে।
"আমরা সব ধরনের চার্জ পরিশোধ করে কনটেইনার ডেলিভারির জন্য গেলে তা পাওয়া যায়নি। এক সপ্তাহের বেশি হয়ে গেছে। কনটেইনারটিতে আসা কাপড়ের রোলগুলো শতভাগ রপ্তানিমুখী। এতে প্রায় ৩ কোটি টাকার কাপড় ছিল।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রাম বন্দর, এনসিটি-২ বার্থ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. হাফিজুর রহমান (চেয়ারম্যান, এসআরএস সাইন্ড সিঅন্ডএফ), সৈয়দ রেফায়েত হামিম (বন্দরসচিব)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ কোটি টাকা (কাপড়ের মূল্য), ৬৬৮ বেল (কাপড়), ২৭ লাখ টাকা (চার্জ), ১৭ লাখ টাকা (শিপিং চার্জ), ৪০ ফুট (কনটেইনার)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!