📅 ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৩০ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী: পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনি অভিযানের পর 'সর্বাত্মক যুদ্ধ' শুরু করবে ইসরায়েল

ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী: পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনি অভিযানের পর 'সর্বাত্মক যুদ্ধ' শুরু করবে ইসরায়েল

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ ঘোষণা করেছেন যে, পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে জড়িত কোনো সামরিক অভিযান শুরু হলে ইসরায়েল 'সর্বাত্মক যুদ্ধ' শুরু করবে। এছাড়াও, ইসরায়েলি বাহিনী পশ্চিম তীরে দু’জন ফিলিস্তিনিকে গুলি করে হত্যা করেছে

ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ সোমবার ঘোষণা করেছেন যে, পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোনো গোষ্ঠী সামরিক অভিযান শুরু করলে ইসরায়েল ‘সর্বাত্মক যুদ্ধ’ শুরু করবে। লন্ডন থেকে প্রকাশিত মধ্যপ্রাচ্য-কেন্দ্রিক সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট আইয়ের প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে। কাৎজ বলেছেন, এমন কোনো অভিযান শুরু হলে ইসরায়েল পশ্চিম তীরের ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের, তাদের নিরাপত্তা বাহিনী এবং ‘সন্ত্রাসী অবকাঠামো’র বিরুদ্ধে ব্যাপক সামরিক অভিযান চালাবে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ ঘোষণা করেছেন, পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনি অভিযানের পর ইসরায়েল ‘সর্বাত্মক যুদ্ধ’ শুরু করবে
  • 📌 প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ইসরায়েলি সেনাবাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছেন, নিরাপত্তা পরিস্থিতি অবনত হলে ‘২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের আগের অবস্থায় ফিরে যেতে দেব না’
  • 📌 ইসরায়েলি বাহিনী পশ্চিম তীরে দু’জন ফিলিস্তিনিকে গুলি করে হত্যা করেছে — একজনকে ছুরিকাঘাতের পর এবং অন্যজনকে হাজেহ গ্রামে গুলি করে
  • 📌 ইসরায়েলি বসতিস্থাপনকারীরা হাজেহ গ্রামে ফিলিস্তিনিদের ওপর গুলি চালিয়ে বেশ কয়েকজন আহত করেছে
  • 📌 যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দূতদের ইউক্রেন সফরের পরপরই রাশিয়া কিয়েভে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে

📰 বিস্তারিত

মন্ত্রী কাৎজ সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা বছরের পর বছর ধরে চলতে থাকা ইন্তিফাদার সেই বাস্তবতায় ফিরে যেতে দেব না, যেমনটি অতীতে ঘটেছিল।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা (২০২৩ সালের) ৭ অক্টোবরের আগের সেই বাস্তবতায় ফিরে যেতে দেব না। আমরা সর্বত্র ইসরায়েলি বাসিন্দা ও জনবসতির নিরাপত্তা নিশ্চিত করব।’ ২০০০ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত ইসরায়েলি দখলদারত্বের কারণে পশ্চিম তীরে সংঘটিত লড়াইকে ‘দ্বিতীয় ইন্তিফাদা’ বলা হয়। এই সময়ে হাজারো মানুষ নিহত হন, যার অধিকাংশই ছিলেন ফিলিস্তিনি ও ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীরা। ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে জড়িত বিভিন্ন গোষ্ঠীও এই লড়াইয়ে অংশ নিয়েছিল, যার মধ্যে ছিল আল-আকসা মার্টিয়ার্স ব্রিগেডস।

কাৎজ আরও জানান, ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে বড় ধরনের অভিযান চালানো হলে তা গাজা ও লেবাননে প্রতিষ্ঠিত ‘নিরাপত্তা অঞ্চলগুলোর’ আদলে পরিচালিত হবে। পশ্চিম তীরের উত্তরে এক ইসরায়েলি বসতিস্থাপনকারীকে ছুরিকাঘাত করার পর ইসরায়েলি বাহিনী এক ফিলিস্তিনিকে গুলি করে হত্যা করেছে। ইসরায়েলের জরুরি চিকিৎসাসেবা সংস্থা মাজেন ডেভিড আদম জানায়, ওই হামলায় আহত ২০ বছর বয়সী ব্যক্তিকে মাঝারি থেকে গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। এছাড়াও, পশ্চিম তীরের কালকিলিয়ার পূর্বে হাজেহ গ্রামে ইহুদি বসতিস্থাপনকারীরা এক ফিলিস্তিনি ব্যক্তিকে গুলি করে হত্যা করেছে বলে ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে।

এই ঘটনার আগে জানা গিয়েছিল, ইসরায়েলি বাহিনী ও বসতিস্থাপনকারীরা ওই গ্রামে ফিলিস্তিনিদের ওপর গুলি চালিয়েছে, যার ফলে বেশ কয়েকজন আহত হন। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দূতদের সফরের পরপরই ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে রাশিয়া আবার হামলা চালিয়েছে। মঙ্গলবার সকালে কিয়েভে ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়। এর এক দিন আগে ট্রাম্পের দূত ও জামাতা জ্যারেড কুশনার ও স্টিভ উইটকফ ইউক্রেন সফর করেন।

"আমরা বছরের পর বছর ধরে চলতে থাকা ইন্তিফাদার সেই বাস্তবতায় ফিরে যেতে দেব না, যেমনটি অতীতে ঘটেছিল। আমরা (২০২৩ সালের) ৭ অক্টোবরের আগের সেই বাস্তবতায় ফিরে যেতে দেব না।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: পশ্চিম তীর (ইসরায়েল), কিয়েভ (ইউক্রেন), লন্ডন (ইংল্যান্ড)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইসরায়েল কাৎজ (প্রতিরক্ষামন্ত্রী), বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু (প্রধানমন্ত্রী), ডোনাল্ড ট্রাম্প (যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ বছর (আহত ব্যক্তির বয়স), ৭ অক্টোবর (২০২৩)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖