📌 ব্র্যাক ব্যাংক ও বিকাশ যৌথ উদ্যোগে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য চালু করেছে জামানতবিহীন ডিজিটাল মার্চেন্ট ঋণ। বিকাশ অ্যাপের মাধ্যমে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ পাওয়া যাবে। লেনদেনের ইতিহাসের ভিত্তিতে ঋণের যোগ্যতা নির্ধারণ করা হবে।
ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্য ব্যাংকের আনুষ্ঠানিকতা ও দীর্ঘসূত্রতা এড়িয়ে ডিজিটাল পদ্ধতিতে জামানতবিহীন ঋণ সুবিধা চালু করেছে ব্র্যাক ব্যাংক ও বিকাশ। বিকাশ অ্যাপ ব্যবহারকারী যোগ্য মার্চেন্টরা কোনো কাগজপত্র জমা না দিয়েই তাৎক্ষণিকভাবে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ গ্রহণ করতে পারছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ব্র্যাক ব্যাংক ও বিকাশ যৌথভাবে চালু করেছে জামানতবিহীন মার্চেন্ট ঋণ সুবিধা
- 📌 বিকাশ অ্যাপের মাধ্যমে কোনো কাগজপত্র ছাড়াই তাৎক্ষণিকভাবে ঋণ পাওয়া যাবে
- 📌 যোগ্য মার্চেন্টরা সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ নিতে পারবেন
- 📌 মার্চেন্টদের লেনদেনের ইতিহাসের ভিত্তিতে ঋণের যোগ্যতা নির্ধারণ করা হবে
- 📌 বিকাশ মার্চেন্ট অ্যাপ থেকে কয়েক ক্লিকে ঋণের আবেদন করা যাবে
📰 বিস্তারিত
দেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের আর্থিক সংকট মোকাবিলায় ব্র্যাক ব্যাংক ও বিকাশ যৌথভাবে চালু করেছে জামানতবিহীন ডিজিটাল মার্চেন্ট ঋণ সুবিধা। জাতীয় অর্থনৈতিক শুমারি ২০২৪-এর তথ্য অনুযায়ী, দেশে প্রায় সোয়া এক কোটি অর্থনৈতিক ইউনিট রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ প্রতিষ্ঠানেরই কোনো ধরনের নিবন্ধন নেই। ফলে এই ব্যবসায়ীরা প্রায়ই ব্যাংক থেকে ঋণ পেতে দীর্ঘসূত্রতার সম্মুখীন হন।
বিকাশ জানিয়েছে, মার্চেন্টদের লেনদেনের ইতিহাসকেই ঋণ পাওয়ার যোগ্যতা হিসেবে বিবেচনা করা হবে। নিয়মিত বিকাশের মাধ্যমে গ্রাহকদের কাছ থেকে পেমেন্ট গ্রহণের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট যত বেশি ও নিয়মিত হবে, ঋণ পাওয়ার সম্ভাবনাও তত বাড়বে। অর্থাৎ কোনো মার্চেন্ট যত বেশি নিয়মিত বিকাশের মাধ্যমে গ্রাহকদের কাছ থেকে পেমেন্ট গ্রহণ করবেন, তাঁর ঋণ পাওয়ার সম্ভাবনাও তত বাড়বে।
সাতক্ষীরার সম্রাট শু-র স্বত্বাধিকারী মো. শিহার রায়হান সম্প্রতি অ্যাপ থেকে ১০ হাজার টাকা মার্চেন্ট ঋণ পেয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আগে হঠাৎ টাকার দরকার হলে আত্মীয়স্বজনের কাছে ধার চাইতে হতো, যা বেশ অস্বস্তিকর ছিল। বিকাশ মার্চেন্ট অ্যাপ থেকে ঋণ পাওয়ার ব্যবস্থা আমার ব্যবসাকে অনেক সহজ করে দিয়েছে।’
"বিকাশের চিফ কমার্শিয়াল অফিসার আলী আহম্মেদ জানান, দেশে বর্তমানে বিকাশের প্রায় ৮ লাখ মার্চেন্টের বড় নেটওয়ার্ক রয়েছে। ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের ডিজিটাল লেনদেনের তথ্য বিশ্লেষণ করে তাঁদের ঋণ পাওয়ার যোগ্যতা হিসাব করা হয়। স্থাবর সম্পদের চেয়ে লেনদেনের ধরনই এখন ঋণ পাওয়ার প্রধান সূচক।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দেশব্যাপী
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আলী আহম্মেদ (বিকাশের চিফ কমার্শিয়াল অফিসার)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০ হাজার টাকা, ৬৫ শতাংশ, ১০ হাজার টাকা, ৮ লাখ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!