📌 বাংলাদেশ ব্যাংক বিদেশ ভ্রমণের জন্য বৈদেশিক মুদ্রা খরচের বার্ষিক সীমা বাড়িয়ে ১৮ হাজার ডলারে নিয়ে এসেছে। তবে ট্রাভেল ব্যবসায়ীরা কার্ডে বিদেশি মুদ্রা লেনদেনের ৩০০ ডলারের সীমা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সিদ্ধান্তে বিদেশ ভ্রমণ ও ট্রাভেল ব্যবসায়ীরা কিছুটা হলেও দুশ্চিন্তামুক্ত হলেও, তারা কার্ডে বিদেশি মুদ্রা লেনদেনের সীমা বাড়ানোর দাবি উত্থাপন করছেন। বাংলাদেশ ব্যাংক বিদেশ ভ্রমণের জন্য বৈদেশিক মুদ্রা খরচের বার্ষিক সীমা বাড়িয়ে ১৮ হাজার মার্কিন ডলারে নিয়ে এসেছে, যা আগের ১২ হাজার ডলারের তুলনায় উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি। তবে ট্রাভেল ব্যবসায়ীরা মনে করছেন, এখন কার্ডে বিদেশি মুদ্রা লেনদেনের ৩০০ ডলারের সীমাও পুনর্বিবেচনা করা দরকার।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বাংলাদেশ ব্যাংক বিদেশ ভ্রমণের জন্য বৈদেশিক মুদ্রা খরচের সীমা বাড়িয়ে ১৮ হাজার মার্কিন ডলারে নিয়ে এসেছে।
- 📌 আগের সীমা ছিল ১২ হাজার মার্কিন ডলার, এখন তা বাড়িয়ে ১৮ হাজার মার্কিন ডলারে করা হয়েছে।
- 📌 কার্ডে বিদেশি মুদ্রা লেনদেনের ৩০০ ডলারের সীমা বর্তমান বাস্তবতায় খুবই অপ্রতুল বলে মনে করছেন ট্রাভেল ব্যবসায়ীরা।
- 📌 বিদেশে ফোন, ল্যাপটপ কিনতে গেলে কার্ডে একসঙ্গে ৩০০ ডলারের বেশি লেনদেন করা যায় না, ফলে বারবার লেনদেন করতে হয়।
- 📌 কার্ড ব্লক হওয়ার কারণে বিদেশে বসে ব্যাংকের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হয়, যা বিব্রতকর অবস্থা সৃষ্টি করে।
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশ ব্যাংক বিদেশ ভ্রমণের জন্য বৈদেশিক মুদ্রা খরচের বার্ষিক সীমা বাড়িয়ে ১৮ হাজার মার্কিন ডলারে নিয়ে এসেছে। এই সিদ্ধান্তে ট্রাভেল ব্যবসায়ীরা খুশি হলেও, তারা কার্ডে বিদেশি মুদ্রা লেনদেনের সীমা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন। ওয়ান্ডার ওমেন প্রতিষ্ঠানের সিইও সাবিরা মেহেরিন বলেন, “আমি বাংলাদেশ ব্যাংককে এই সিদ্ধান্তের জন্য ধন্যবাদ জানাই। তবে কার্ডে বিদেশি মুদ্রা লেনদেনের সীমা বাড়ানোর দাবি উত্থাপন করছি। কার্ডে ৩০০ ডলারের সীমা বর্তমান বাস্তবতায় খুবই অপ্রতুল।”
সাবিরা মেহেরিন বলেন, “আমি নিজের অভিজ্ঞতায় বলতে পারি, এই বছরের জন্য ভ্রমণ কোটায় আমার ডলারের সীমা পূরণ হওয়ার পথে ছিল। বছর শেষ হতে আরও বেশ কয়েক মাস বাকি। এর মধ্যে আমাকে আরও কিছু দেশ ভ্রমণ করতে হবে। তাই আমি ডলারের কোটা নিয়ে দুশ্চিন্তায় ছিলাম। বাংলাদেশ ব্যাংকের সিদ্ধান্তে আমার সেই দুশ্চিন্তার অবসান হয়েছে। তবে কার্ডে বিদেশি মুদ্রা লেনদেনের সীমা বাড়ানোর দাবি উত্থাপন করছি।”
তিনি আরও বলেন, “বিশেষত নারীদের বিদেশ ভ্রমণ নিয়ে কাজ করি। ব্যবসার প্রয়োজনে আমাকে নানা খাতে কার্ডে লেনদেন করতে হয়। সেই লেনদেন করতে গিয়ে অনেক সময় অস্বস্তিকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়। কার্ডে ৩০০ ডলারের সীমা বর্তমান বাস্তবতায় খুবই অপ্রতুল। ধরা যাক কোনো একজন ভ্রমণকারী বিদেশে গিয়ে একটি ফোন, ল্যাপটপ কিনতে চান। তখন দেখা যায় কার্ডে সেই লেনদেন করা যায় না। করা গেলেও কয়েক দফায় ভেঙে ভেঙে লেনদেন করতে হয়। তাতে কার্ড ব্লক হয়ে যায় এবং বিদেশে বসে ব্যাংকের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হয়। তাতে বিব্রতকর অবস্থায় পড়তে হয় অনেককে।”
"আমি বাংলাদেশ ব্যাংককে এই সিদ্ধান্তের জন্য ধন্যবাদ জানাই। তবে কার্ডে বিদেশি মুদ্রা লেনদেনের সীমা বাড়ানোর দাবি উত্থাপন করছি। কার্ডে ৩০০ ডলারের সীমা বর্তমান বাস্তবতায় খুবই অপ্রতুল।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সাবিরা মেহেরিন (ওয়ান্ডার ওমেন প্রতিষ্ঠানের সিইও)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২ হাজার মার্কিন ডলার (পূর্বের সীমা), ১৮ হাজার মার্কিন ডলার (বর্তমান সীমা), ৩০০ ডলার (কার্ডে বিদেশি মুদ্রা লেনদেনের সীমা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!