📅 ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৫৪ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

৭৭.৯ শতাংশ সাক্ষরতার পিছনে বাংলাদেশের অগ্রগতি: সরকারের উদ্যোগ ও চ্যালেঞ্জ

👥 উল্লেখিত ব্যক্তিত্ব: তারেক রহমান তারেক রহমান
৭৭.৯ শতাংশ সাক্ষরতার পিছনে বাংলাদেশের অগ্রগতি: সরকারের উদ্যোগ ও চ্যালেঞ্জ

📷 ছবি: DMP News

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 ডিএমপি নিউজ ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস ২০২৬-এ বাংলাদেশের সাক্ষরতার হার ৭৭.৯ শতাংশে পৌঁছেছে। সরকারের উদ্যোগে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা, বয়স্ক শিক্ষা ও জীবনদক্ষতা প্রশিক্ষণে জোর দেওয়া হচ্ছে। দিবসটি উপলক্ষে কেন্দ্রীয় ও জেলা পর্যায়ে আলোচনা সভা ও কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে

আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস ২০২৬ আজ (৮ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশে যথাযথ মর্যাদায় পালিত হচ্ছে। জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা (ইউনেস্কো) এবারের দিবসের মূল প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করেছে ‘মানুষ, পৃথিবী ও সমৃদ্ধির জন্য সাক্ষরতা’। এই প্রতিপাদ্যে সাক্ষরতা কেবল পড়া-লিখা ও গণনার সক্ষমতা হিসেবে নয়, বরং মানুষের সামগ্রিক উন্নয়ন, পরিবেশের প্রতি দায়িত্বশীলতা এবং টেকসই অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির ভিত্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 বাংলাদেশে বর্তমানে সাক্ষরতার হার ৭৭.৯ শতাংশ — অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫-এর তথ্য অনুযায়ী।
  • 📌 সরকারের উদ্যোগে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা, বয়স্ক শিক্ষা ও জীবনদক্ষতা প্রশিক্ষণে জোর দেওয়া হচ্ছে।
  • 📌 দিবসটি উপলক্ষে রাজধানীর উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো (বিএনএফই) মিলনায়তনে আলোচনা সভা ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠিত হবে।
  • 📌 প্রতিটি জেলায় জেলা প্রশাসকের (ডিসি) সমন্বয়ে আলোচনা সভা ও কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে।
  • 📌 ইউনেস্কো ১৯৬৭ সালে ৮ সেপ্টেম্বরকে ‘আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করে।

📰 বিস্তারিত

বাংলাদেশের সংবিধানের ১৭ অনুচ্ছেদে সর্বজনীন, অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষার ব্যবস্থা এবং নিরক্ষরতা দূরীকরণের অঙ্গীকার করা হয়েছে। বর্তমান সরকার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে প্রাথমিক শিক্ষার পাশাপাশি উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা, বয়স্ক শিক্ষা, জীবনদক্ষতা ও কর্মমুখী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে শিক্ষাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীকে উন্নয়নের মূলধারায় অন্তর্ভুক্ত করার নানামুখী কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। বিশেষ করে বিদ্যালয়বহির্ভূত ও ঝরে পড়া শিশু-কিশোর, প্রান্তিক জনগোষ্ঠী এবং শিক্ষাবঞ্চিত প্রাপ্তবয়স্ক নারী-পুরুষদের জন্য প্রয়োগিক সাক্ষরতা, প্রযুক্তিগত দক্ষতা এবং প্রাক-বৃত্তিমূলক শিক্ষার সুযোগ বাড়ানো হচ্ছে।

দিবসটি উপলক্ষে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে সকালে রাজধানীর উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো (বিএনএফই) মিলনায়তনে আলোচনা সভা ও ‘উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা সম্মাননা প্রদান’ অনুষ্ঠিত হবে। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। বিশেষ অতিথি হিসেবে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন। এছাড়া অনুষ্ঠানে ইউনেস্কোর বাংলাদেশ প্রতিনিধিরা বক্তব্য রাখবেন। সভাপতিত্ব করবেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব জেসমিন নাহার।

দিবসটি উপলক্ষে জাতীয় পর্যায় ছাড়াও দেশব্যাপী নানা কর্মসূচি বাস্তবায়িত হবে। প্রতিটি জেলায় জেলা প্রশাসকের (ডিসি) সমন্বয়ে আলোচনা সভা ও দিবস উদযাপনের বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। উপজেলা পর্যায়েও ছোট পরিসরে আলোচনা সভা, র‌্যালি ও সচেতনতামূলক কর্মসূচি পালিত হবে। এছাড়াও বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও এনজিও নিজস্ব কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

"‘মানুষ, পৃথিবী ও সমৃদ্ধির জন্য সাক্ষরতা’ প্রতিপাদ্যে সাক্ষরতা কেবল পড়া-লিখা নয়, বরং মানুষের সামগ্রিক উন্নয়নের ভিত্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ (রাজধানী, জেলা, উপজেলা পর্যায়ে)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন, সচিব জেসমিন নাহার
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭৭.৯ শতাংশ (সাক্ষরতার হার), ১৭ (সংবিধানের অনুচ্ছেদ), ৮ সেপ্টেম্বর (দিবসের তারিখ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖