📅 ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৪৪ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বাংলাদেশ ব্যাংক ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেনের নিষেধাজ্ঞা আরও এক বছর বাড়িয়ে দিল, ব্যাংক ও প্রতিষ্ঠানকে সতর্কতা জোরদার করে বলল

বাংলাদেশ ব্যাংক ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেনের নিষেধাজ্ঞা আরও এক বছর বাড়িয়ে দিল, ব্যাংক ও প্রতিষ্ঠানকে সতর্কতা জোরদার করে বলল

📷 ছবি: Sarabangla

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Sarabangla ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বাংলাদেশ ব্যাংক ক্রিপ্টোকারেন্সি বা ভার্চুয়াল মুদ্রার লেনদেন, কেনাবেচা ও স্থানান্তর নিষিদ্ধ রেখেছে আরও এক বছর। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে সতর্কতা জোরদার করে নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে

বাংলাদেশ ব্যাংক ক্রিপ্টোকারেন্সি বা ভার্চুয়াল মুদ্রার লেনদেন, কেনাবেচা, বিনিময় ও স্থানান্তর নিষিদ্ধ রেখেছে আরও এক বছর। এই নিষেধাজ্ঞা ২৯ অক্টোবর থেকে কার্যকর হয়েছে এবং এটি প্রজ্ঞাপন জারি তারিখ থেকে এক বছর পর্যন্ত বজায় থাকবে। বাংলাদেশের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 বাংলাদেশ ব্যাংক ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেনের নিষেধাজ্ঞা আরও এক বছর বাড়িয়ে দিল, যা ২৯ অক্টোবর থেকে কার্যকর হয়েছে
  • 📌 ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেন বন্ধে নজরদারি জোরদার করতে বলা হয়েছে
  • 📌 ১৯৪৭ সালের বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ আইনে ক্রিপ্টোকারেন্সি স্বীকৃত মুদ্রা নয়, এর মূল্য দ্রুত ওঠানামা করতে পারে
  • 📌 বাংলাদেশে ক্রিপ্টোকারেন্সি ব্যবহার নিষিদ্ধ হলেও অনলাইন মাধ্যমে এর ব্যবহার বেড়েই চলেছে
  • 📌 চেনালাইসিসের প্রতিবেদনে বাংলাদেশের অবস্থান বিশ্বের ৫৬তম, ভারত ৬ষ্ঠ, পাকিস্তান ২৫তম ও শ্রীলঙ্কা ৮২তম

📰 বিস্তারিত

বাংলাদেশ ব্যাংক বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে ক্রিপ্টোকারেন্সি বা ভার্চুয়াল মুদ্রার লেনদেন, কেনাবেচা, বিনিময় ও স্থানান্তর নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। এই নির্দেশনা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেনে সহায়তা দেওয়ারও সুযোগ নেই। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেন বন্ধে নজরদারি জোরদার করতে বলা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ১৯৪৭ সালের বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ আইনে ক্রিপ্টোকারেন্সি স্বীকৃত মুদ্রা নয়। এসব সম্পদের বিপরীতে কোনো সার্বভৌম রাষ্ট্রের নিশ্চয়তা নেই। ফলে এর মূল্য দ্রুত ওঠানামা করতে পারে এবং বিনিয়োগকারীরা আর্থিক ক্ষতির ঝুঁকিতে পড়তে পারেন।

২০২২ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংক একটি পরিপত্র জারি করে ভার্চ্যুয়াল সম্পদ ও ভার্চ্যুয়াল মুদ্রা অর্জনের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ থেকে, বাংলাদেশে বা বাংলাদেশের ভেতরে লেনদেন অনুমোদিত নয় বলে জানানো হয়েছিল। পরবর্তীতে ১২ অক্টোবর ২০২২ তারিখে ব্যাংকগুলোকে এ ধরনের লেনদেন প্রতিরোধ ও নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

সাম্প্রতিক একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে ক্রিপ্টোকারেন্সির ব্যবহার নিষিদ্ধ হলেও অনলাইননির্ভর এ মুদ্রার ব্যবহার বেড়েই চলেছে। আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান চেনালাইসিস ১১৭ দেশের তথ্য বিশ্লেষণ করে ‘দ্য ২০২৬ জিওগ্রাফি অব ক্রিপ্টো রিপোর্ট’ প্রকাশ করেছে। এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ বছর তৃণমূল পর্যায়ে ক্রিপ্টোকারেন্সি ব্যবহারে বাংলাদেশের অবস্থান বিশ্বের মধ্যে ৫৬তম। ভারত ৬ষ্ঠ, পাকিস্তান ২৫তম ও শ্রীলঙ্কা ৮২তম অবস্থানে রয়েছে।

"১৯৪৭ সালের বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ আইনে ভার্চ্যুয়াল মুদ্রা স্বীকৃত মুদ্রা নয়। এসব সম্পদের বিপরীতে কোনো সার্বভৌম রাষ্ট্রের নিশ্চয়তা নেই। ফলে এর মূল্য দ্রুত ওঠানামা করতে পারে এবং বিনিয়োগকারীরা আর্থিক ক্ষতির ঝুঁকিতে পড়তে পারেন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বাংলাদেশ ব্যাংক
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৯ অক্টোবর, ১৫ সেপ্টেম্বর, ১২ অক্টোবর, ১১৭ দেশ, ৫৬তম, ৬ষ্ঠ, ২৫তম, ৮২তম

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖