📅 ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১:২৬ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

১৭৮৫ সালের নিখোঁজ নৌ অভিযানের রহস্য উন্মোচিত প্রেমপত্রে: লা পেরুজের দলের বিজ্ঞানী মঙ্গেজের গোপন চিঠি

১৭৮৫ সালের নিখোঁজ নৌ অভিযানের রহস্য উন্মোচিত প্রেমপত্রে: লা পেরুজের দলের বিজ্ঞানী মঙ্গেজের গোপন চিঠি

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ১৭৮৫ সালে ফ্রান্সের লা পেরুজের নেতৃত্বে নিখোঁজ হওয়া নৌ অভিযানের রহস্য উন্মোচিত হয়েছে একটি বিরল প্রেমপত্রের মাধ্যমে। বিজ্ঞানী জ্যঁ-আন্দ্রে মঙ্গেজের লেখা চিঠিতে অভিযানের অভিজ্ঞতা ও একটি অভিজাত পরিবারের নারীর প্রতি তার গভীর আবেগের কথা উঠে এসেছে। এগুলোর সম্ভাব্য মূল্য ৩০-৫০ হাজার ইউরো

১৭৮৫ সালে ফ্রান্সের ব্রেস্ত বন্দর থেকে যাত্রা শুরু করা লা পেরুজের নেতৃত্বাধীন নৌ অভিযানের রহস্য এখন নতুন আলো পেয়েছে। ফ্রান্সের রাজা ষোড়শ লুইকে গিলোটিনে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার সময় তিনি জানতে চেয়েছিলেন, ‘মঁসিয়ে দ্য লা পেরুজের কোনো খবর আছে?’ সেই অভিযানের সদস্য ছিলেন বিজ্ঞানী জ্যঁ-আন্দ্রে মঙ্গেজ। তার লেখা বিরল প্রেমপত্রে অভিযানের অভিজ্ঞতা ও ব্যক্তিগত আবেগের কথা উঠে এসেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ১৭৮৫ সালের ১ আগস্ট ফ্রান্সের ব্রেস্ত বন্দর থেকে যাত্রা শুরু করেছিল লা পেরুজের নেতৃত্বে দুটি জাহাজ — লা বুসোল ও লাস্ত্রোলাব, যার মধ্যে ছিল ২২৫ জন নাবিক ও বিজ্ঞানী
  • 📌 ১৭৮৮ সালের চিঠিতে বিজ্ঞানী জ্যঁ-আন্দ্রে মঙ্গেজ লিখেছিলেন নরমঁদির রুয়াঁ শহরের অভিজাত পরিবারের মেয়ে লুইজ ভিক্তোয়ার ল্য ক্লুস্তিয়েকে, যেখানে তিনি তার প্রেম ও অভিযানের দুঃখ প্রকাশ করেছেন
  • 📌 ১৭৯৩ সালের ২১ জানুয়ারি ফ্রান্সের রাজা ষোড়শ লুইকে গিলোটিনে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার সময় তিনি লা পেরুজের খবর জিজ্ঞাসা করেছিলেন
  • 📌 ২৯ অক্টোবর ২০২৬ সালে যুক্তরাজ্যের দ্য গার্ডিয়ান জানিয়েছে, এই চিঠিগুলোকে ‘অলৌকিক আবিষ্কার’ বলে অভিহিত করেছেন বই ও পাণ্ডুলিপি বিশেষজ্ঞ লুদোভিক মিরাঁ
  • 📌 ১৭ নভেম্বর প্যারিসের হোটেল দ্রু-তে নিলামে চিঠিগুলো বিক্রি হবে, সম্ভাব্য মূল্য ৩০ হাজার থেকে ৫০ হাজার ইউরো
  • 📌 ১৭৮৮ সালের মার্চে অস্ট্রেলিয়ার বোটানি বে ছেড়ে যাওয়ার পর জাহাজ দুটির সঙ্গে আর কোনো যোগাযোগ স্থাপন করা সম্ভব হয়নি, ধারণা করা হয় সলোমন দ্বীপপুঞ্জের পূর্বে ভানিকোরো দ্বীপে ঘূর্ণিঝড়ে ডুবে গেছে
  • 📌 ১৭৮৮ সালের মার্চে অস্ট্রেলিয়ার বোটানি বে ছেড়ে যাওয়ার পর জাহাজ দুটির সঙ্গে আর কোনো যোগাযোগ স্থাপন করা সম্ভব হয়নি, ধারণা করা হয় সলোমন দ্বীপপুঞ্জের পূর্বে ভানিকোরো দ্বীপে ঘূর্ণিঝড়ে ডুবে গেছে
  • 📌 ১১ জন নিহত হন লাস্ত্রোলাবের ক্যাপ্টেনসহ সামোয়ায় সংঘর্ষে

📰 বিস্তারিত

১৭৮৫ সালের ১ আগস্ট ফ্রান্সের ব্রেস্ত বন্দর থেকে যাত্রা শুরু করেছিল লা পেরুজের নেতৃত্বে দুটি জাহাজ — লা বুসোল ও লাস্ত্রোলাব। এই অভিযানে মোট ২২৫ জন নাবিক, কর্মকর্তা ও বিজ্ঞানী ছিলেন। ব্রিটিশ অভিযাত্রী ক্যাপ্টেন জেমস কুকের বৈজ্ঞানিক সাফল্যের সঙ্গে পাল্লা দেওয়া এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে নতুন বাণিজ্যপথ অনুসন্ধান ছিল এর অন্যতম উদ্দেশ্য। পাশাপাশি অস্ট্রেলিয়ার বোটানি বে অঞ্চলে ব্রিটিশদের স্থায়ী ঘাঁটি স্থাপনের পরিকল্পনা সম্পর্কেও নিশ্চিত হতে চেয়েছিল ফ্রান্স।

প্রায় তিন বছর ধরে আলাস্কা, ক্যালিফোর্নিয়া, এশিয়া, রাশিয়া ও সামোয়া ঘুরে বিভিন্ন প্রতিবেদন পাঠিয়েছিল অভিযানের জাহাজ দুটি। তবে সামোয়ায় এক সংঘর্ষে লাস্ত্রোলাবের ক্যাপ্টেনসহ ১১ জন নিহত হন। ১৭৮৮ সালের মার্চে অস্ট্রেলিয়ার বোটানি বে ছেড়ে যাওয়ার পর জাহাজ দুটির সঙ্গে আর কোনো যোগাযোগ স্থাপন করা সম্ভব হয়নি। ধারণা করা হয়, কয়েক মাস পর সলোমন দ্বীপপুঞ্জের পূর্বে ভানিকোরো দ্বীপের প্রবালপ্রাচীরে ঘূর্ণিঝড়ের কবলে পড়ে জাহাজ দুটি ডুবে যায়। ১৮২৬ ও ১৯৬৪ সালে ধ্বংসাবশেষের সন্ধান মিললেও ২০০৫ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে সেগুলোর পরিচয় নিশ্চিত করা হয়।

১৭৮৮ সালের চিঠিতে বিজ্ঞানী জ্যঁ-আন্দ্রে মঙ্গেজ লিখেছিলেন নরমঁদির রুয়াঁ শহরের অভিজাত পরিবারের মেয়ে লুইজ ভিক্তোয়ার ল্য ক্লুস্তিয়েকে। তিনি তার বিয়ে মেনে নিতে না পারার বেদনা এবং অতীত আচরণের জন্য অনুশোচনা প্রকাশ করেছেন। লুদোভিক মিরাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, মঙ্গেজ বারবার লিখেছেন, ফিরে এসে তিনি আরও ভালো মানুষ হয়ে উঠবেন। চিঠিতে তিনি জানিয়েছেন, খ্যাতির আকাঙ্ক্ষা ও নতুন জ্ঞান অর্জনের ইচ্ছা তাঁকে অভিযানে টেনেছিল। তবে বিশেষজ্ঞদের ধারণা, ব্যক্তিগত সম্পর্কের টানাপোড়েনও বিপজ্জনক যাত্রায় তাঁর যোগ দেওয়ার পেছনে ভূমিকা রেখেছিল।

"ফিরে এসে আমি আরও ভালো মানুষ হয়ে উঠবেন — এই আশ্বাস দিয়ে মঙ্গেজ লিখেছিলেন তার প্রিয় নারীর কাছে।"

১৮২১ সালে মারা যান ল্য ক্লুস্তিয়ে। তিনি জীবদ্দশায় মঙ্গেজ কিংবা অভিযানের পরিণতি জানতে পারেননি। তবে উনিশ শতকের একটি সাধারণ চিত্রখোদাইয়ের বই বিক্রির প্রস্তুতির সময় সেগুলো খুঁজে পান নিলামকারী বেনোয়া দেরুয়িনো। তাঁর ধারণা, ব্যক্তিগত ও প্রেমঘন বিষয়বস্তু প্রকাশিত হওয়ার আশঙ্কায় চিঠিগুলো গোপন রাখা হয়েছিল। বিশেষজ্ঞদের মতে, চিঠিগুলো শুধু নিখোঁজ নৌ-অভিযানের ইতিহাস নয়, অষ্টাদশ শতাব্দীর দীর্ঘ সমুদ্রযাত্রায় বিজ্ঞানীদের মানসিক সংগ্রাম, ভয়, শোক ও ব্যক্তিগত সম্পর্ক বোঝারও এক বিরল সুযোগ।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ফ্রান্সের ব্রেস্ত বন্দর, অস্ট্রেলিয়ার বোটানি বে, সলোমন দ্বীপপুঞ্জের ভানিকোরো দ্বীপ, নরমঁদির রুয়াঁ শহর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জ্যঁ-আন্দ্রে মঙ্গেজ, লুদোভিক মিরাঁ, লুইজ ভিক্তোয়ার ল্য ক্লুস্তিয়ে, ফ্রান্সের রাজা ষোড়শ লুই
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২২৫ জন (অভিযানের সদস্য), ১১ জন (নিহত), ৩০-৫০ হাজার ইউরো (চিঠির সম্ভাব্য মূল্য)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖