📌 বিতর্কিত এস আলম গ্রুপের মালিকানাধীন এসএস পাওয়ার-১ লিমিটেডকে শতভাগ নগদ মার্জিনে এলসি খোলার অনুমতি দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বিদ্যুৎ উৎপাদন অব্যাহত রাখতে ২০২৭ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত এ সুবিধা দেওয়া হয়েছে
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, রাষ্ট্রমালিকানাধীন রূপালী ব্যাংক এস আলম গ্রুপের বিদ্যুৎকেন্দ্র এসএস পাওয়ার-১ লিমিটেডের জন্য শতভাগ নগদ মার্জিনে এলসি খুলতে পারবে। ২০২৭ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত এ সুবিধা বলবৎ থাকবে বলে রোববার রাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে দেশের সব ব্যাংকে নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বাংলাদেশ ব্যাংক এসএস পাওয়ার-১ লিমিটেডকে শতভাগ নগদ মার্জিনে এলসি খোলার অনুমতি দিয়েছে
- 📌 রূপালী ব্যাংকের মাধ্যমে এ সুবিধা প্রদান করা হবে
- 📌 অনুমতি দেওয়া হয়েছে ব্যাংক কোম্পানি আইনের ১২১ ধারায় সরকারের সঙ্গে পরামর্শ করে
- 📌 বিদ্যুৎ উৎপাদন অব্যাহত রাখতে কেন্দ্রটিকে এলসি সুবিধা দেওয়া হয়েছে
- 📌 এস আলম গ্রুপের মালিকানাধীন কেন্দ্রটির উৎপাদনক্ষমতা ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, রূপালী ব্যাংককে এসএস পাওয়ার-১ লিমিটেডের অনুকূলে শতভাগ নগদ মার্জিনে আমদানি ঋণপত্র খোলার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রটি চালু থাকায় জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ অব্যাহত রয়েছে বলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। তবে কাঁচামালের সংকট দেখা দিলে বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।
বিদ্যুৎ উৎপাদন অব্যাহত রাখার স্বার্থে বিদ্যুৎকেন্দ্রটির খেলাপি ঋণ থাকা সত্ত্বেও এলসি খোলার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। এর আগেও কর্মসংস্থান ও উৎপাদনের স্বার্থে একাধিক প্রতিষ্ঠানকে এমন সুবিধা প্রদান করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
এস আলম গ্রুপ ও চীনের সেপকো থ্রি ও এইচটিজি ডেভেলপমেন্ট গ্রুপের যৌথ উদ্যোগে চট্টগ্রামের বাঁশখালীর গণ্ডামারা এলাকায় ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট ক্ষমতার কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটি নির্মাণ করা হয়েছে। কেন্দ্রটির দুটি ইউনিটের প্রতিটির উৎপাদনক্ষমতা ৬৬০ মেগাওয়াট। ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর থেকে কেন্দ্রটি বাণিজ্যিকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করছে।
"বিদ্যুৎ উৎপাদন অব্যাহত রাখতে খেলাপি ঋণ থাকা সত্ত্বেও প্রতিষ্ঠানটিকে এলসি সুবিধা দেওয়া হয়েছে। কর্মসংস্থান ও জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখায় এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট, ৬৬০ মেগাওয়াট, ৭০ শতাংশ, ৩০ শতাংশ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!