📅 ২৪ আগস্ট ২০২৬, ১:১৫ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বাজুসের উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা: ২০৩১ সালে সোনা-হীরার অলংকার রপ্তানি থেকে আয় ৭ বিলিয়ন ডলার

বাজুসের উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা: ২০৩১ সালে সোনা-হীরার অলংকার রপ্তানি থেকে আয় ৭ বিলিয়ন ডলার

📷 ছবি: শেয়ার বিজ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Share Biz ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) ২০৩১ সালের মধ্যে সোনা ও হীরার অলংকার রপ্তানি থেকে ৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করার উচ্চাভিলাষী লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। দেশের জুয়েলারি খাতকে দ্বিতীয় বৃহত্তম বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী শিল্পে পরিণত করতে বিশেষায়িত অর্থনৈতিক অঞ্চল ‘স্বর্ণপল্লী’ প্রতিষ্ঠাসহ নীতিমালা সংস্কারের দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি

বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) দেশের জুয়েলারি খাতকে আধুনিক ও রপ্তানিমুখী শিল্পে রূপান্তরিত করে ২০৩০-৩১ অর্থবছরে সোনা ও হীরার অলংকার রপ্তানি থেকে ৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করার উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। সংগঠনটির লক্ষ্য হলো এই খাতকে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাতে পরিণত করা।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২০৩১ সালের মধ্যে সোনা ও হীরার অলংকার রপ্তানি থেকে ৭ বিলিয়ন ডলার আয় করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে বাজুস
  • 📌 দেশের জুয়েলারি খাতকে দ্বিতীয় বৃহত্তম বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী শিল্পে পরিণত করতে চায় সংগঠনটি
  • 📌 স্থানীয় বাজারে প্রতি ভরি অলংকারের দাম অন্তত ৩০ হাজার টাকা কমানোর প্রস্তাব করেছে বাজুস
  • 📌 ‘স্বর্ণ নীতিমালা-২০১৮ (সংশোধিত)-২০২৬’ বাস্তবায়ন হলে সরকার বছরে ২ হাজার থেকে আড়াই হাজার কোটি টাকা রাজস্ব পেতে পারে
  • 📌 অপ্রদর্শিত সোনা এককালীন ফি দিয়ে প্রদর্শনের সুযোগ দেওয়ার দাবি জানিয়েছে বাজুস

📰 বিস্তারিত

বাজুসের প্রেসিডেন্ট এনামুল হক খান সম্প্রতি রাজধানীর ‘বাজুস জুয়েলারি ফ্যাশন কার্নিভ্যাল-২০২৬’ অনুষ্ঠানে লিখিত বক্তব্যে এই পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খানসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধি ও কূটনীতিকরা।

বাজুসের মতে, জুয়েলারি খাতের অন্যতম বড় বাধা হলো নীতিমালার অস্পষ্টতা। বৈষম্যহীন নীতিমালার মাধ্যমে অলংকার আমদানির পথ সহজ করা গেলে স্থানীয় বাজারে প্রতি ভরি অলংকারের দাম অন্তত ৩০ হাজার টাকা কমানো সম্ভব বলে দাবি সংগঠনটির। একই সঙ্গে ‘স্বর্ণ নীতিমালা-২০১৮ (সংশোধিত)-২০২৬’ বাস্তবায়ন হলে সরকার এ খাত থেকে বছরে ২ হাজার থেকে আড়াই হাজার কোটি টাকা রাজস্ব পেতে পারে বলে জানিয়েছে বাজুস।

সংগঠনটি দেশে থাকা অপ্রদর্শিত সোনা এককালীন ফি দিয়ে প্রদর্শনের সুযোগ দেওয়ার দাবি জানিয়েছে। এতে সরকার এককালীন ৫০০ থেকে ৭০০ কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ের পাশাপাশি দেশের সোনা মজুতের একটি ডিজিটাল তথ্যভান্ডার তৈরি করতে পারবে বলে মনে করছে বাজুস।

"জুয়েলারি খাতকে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাতে পরিণত করতে বিশেষায়িত অর্থনৈতিক অঞ্চল ‘স্বর্ণপল্লী’ প্রতিষ্ঠাসহ নীতিমালা সংস্কারের বিকল্প নেই।"

দেশীয় দক্ষ কারিগরদের কাজে লাগিয়ে ২০৩০ সালের মধ্যে ৫০০টি আধুনিক জুয়েলারি কারখানা গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছে সংগঠনটি। এসব কারখানায় ৫০ হাজার মানুষের সরাসরি এবং আরও এক লাখ মানুষের পরোক্ষ কর্মসংস্থান হবে বলে আশা করা হচ্ছে। জিডিপিতে এ খাতের অতিরিক্ত শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ অবদান রাখার সম্ভাবনার কথাও বলা হয়েছে।

এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে ঢাকায় ১০ বিঘা জমিতে ‘স্বর্ণপল্লী’ নামে বিশেষায়িত অর্থনৈতিক অঞ্চল বরাদ্দ চেয়েছে বাজুস। সেখানে আধুনিক জুয়েলারি কারখানার পাশাপাশি হীরা প্রক্রিয়াজাতকরণ ইউনিট স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। এ ছাড়া অমসৃণ হীরা আমদানি-রপ্তানি বিধিমালা যুগোপযোগী করা এবং হীরা আমদানিতে অতিরিক্ত শুল্ক কমিয়ে প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সামঞ্জস্য আনার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।

বাজুসের হিসাব অনুযায়ী, প্রস্তাবিত স্বর্ণপল্লীতে হীরা প্রক্রিয়াজাতকরণ ইউনিট স্থাপন করা গেলে ৫ হাজার থেকে ১০ হাজার নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। ২০৩১ সালের মধ্যে বছরে প্রায় ২ বিলিয়ন ডলারের হীরার অলংকার রপ্তানিও সম্ভব হবে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রাজধানী ঢাকা
  • 👥 মুখ্য ব্যক্তি: এনামুল হক খান (বাজুস প্রেসিডেন্ট), খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির (বাণিজ্যমন্ত্রী), মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি (পানিসম্পদমন্ত্রী)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ বিলিয়ন ডলার, ৫০০টি কারখানা, ৫০ হাজার কর্মসংস্থান, ১০ বিঘা জমি

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖