📌 গুম, খুন ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার ব্যক্তি ও তাদের পরিবারের পুনর্বাসনে নতুন অধিদফতর গঠনের লক্ষ্যে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে এই অধিদফতর গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে
রোববার মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় গুম, খুন ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার ব্যক্তি ও তাদের পরিবারের পুনর্বাসনে নতুন অধিদফতর গঠনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী আহমেদ আযম খান। তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ক্ষতিগ্রস্তদের স্বীকৃতি দেওয়ার মতোই রাষ্ট্র এসব পরিবারের ত্যাগকেও স্বীকৃতি দিতে চায়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিগত ১৭ বছরে গুম, খুন ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার ব্যক্তিদের পুনর্বাসনে নতুন অধিদফতর গঠনের সিদ্ধান্ত
- 📌 মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে অধিদফতর প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত
- 📌 মন্ত্রী আহমেদ আযম খান জানান, রাষ্ট্র এসব পরিবারের ত্যাগকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দিতে চায়
- 📌 প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন বলেন, মুক্তিযুদ্ধের আদর্শকে পদদলিত করা হয়েছে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায়
- 📌 অধিদফতর গঠনের জন্য মন্ত্রণালয়ের কার্যপ্রণালী সংশোধনের বিষয়ে আলোচনা হয়
📰 বিস্তারিত
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় গুম, খুন ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার ব্যক্তি ও তাদের পরিবারের পুনর্বাসনে নতুন অধিদফতর গঠনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী আহমেদ আযম খান। তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ক্ষতিগ্রস্তদের স্বীকৃতি দেওয়ার মতোই রাষ্ট্র এসব পরিবারের ত্যাগকেও স্বীকৃতি দিতে চায়।
মন্ত্রী আরো বলেন, ভবিষ্যতে যেন কোনো ফ্যাসিস্ট শক্তি জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করতে না পারে এবং কোনো পরিবার যেন স্বজন হারাতে না হয়, সেটির স্থায়ী প্রতিরোধ গড়ে তুলতেই এ রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ও অধিদফতর গঠনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সভায় উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন এবং মন্ত্রণালয়ের সচিব মো: আশরাফুল ইসলাম।
প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন বলেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনা ছিল মানুষের স্বাধীন জীবনযাপন, মানবাধিকার সুরক্ষিত থাকা এবং রাষ্ট্রীয় বলপ্রয়োগ বন্ধ করা। তবে ২০০৯ সালের পর থেকে ভোটের অধিকার হরণ, রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের সেই আদর্শ পদদলিত করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, যারা মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ প্রতিষ্ঠায় জীবন দিয়েছেন, অত্যাচারিত হয়েছেন, গুম হয়েছেন বা নিঃস্ব হয়ে গেছেন, তাদের জন্য কিছু করা আমাদের দায়িত্ব।
সভায় মন্ত্রণালয়ের কার্যপ্রণালী বা ‘রুলস অব বিজনেস, ১৯৯৬’-এর শিডিউল-১ সংশোধন করে নতুন দায়িত্ব মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতাভুক্ত করার বিষয়ে আলোচনা করা হয়। জাতিসংঘের ‘বেসিক প্রিন্সিপালস অ্যান্ড গাইডলাইনস অন দ্য রাইট টু রেমেডি অ্যান্ড রিপারেশন’ নীতিমালা অনুসরণে এই কল্যাণমূলক লক্ষ্য অর্জনে অধিদফতর প্রতিষ্ঠা ও ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করতে সমোপযোগী আইন প্রণয়নের বিষয়েও আলোচনা হয়।
"যারা গুম হয়েছেন, নির্মমভাবে খুন বা বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন, দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছেন, পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন কিংবা শত শত মিথ্যা মামলায় নিঃস্ব হয়ে বছরের পর বছর জেল খেটেছেন, রাষ্ট্র তাদের এই ত্যাগকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দিতে চায়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষ, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী আহমেদ আযম খান, প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭ বছর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!