📌 বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশে চালু হওয়া বাংলা কিউআর সেবায় দৈনিক লেনদেনের পরিমাণ ১১০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে। এক মাসের ব্যবধানে মার্চেন্ট সংখ্যা দ্বিগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে
বাংলাদেশ ব্যাংকের উদ্যোগে চালু হওয়া বাংলা কিউআর সেবা দেশের ডিজিটাল অর্থনীতিতে নতুন মাইলফলক স্পর্শ করেছে। নিয়ন্ত্রক সংস্থাটির নির্দেশে গত জুলাই মাস থেকে দেশের সব ব্যাংক ও মোবাইল আর্থিক সেবা প্রতিষ্ঠানগুলো নিজস্ব কিউআর কোড প্রতিস্থাপন করে বাংলা কিউআর চালু করেছে। এর ফলে গ্রাহক ও মার্চেন্টদের মধ্যে দ্রুত লেনদেনের প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বাংলা কিউআরের মাধ্যমে দৈনিক লেনদেনের পরিমাণ এখন ১১০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বাংলা কিউআর চালুর ফলে দৈনিক লেনদেনের পরিমাণ ১১০ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে
- 📌 মার্চেন্ট বা বিক্রেতার সংখ্যা জুলাইয়ের ১৬ লাখ থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩০ লাখে
- 📌 এক দেশ এক কিউআর নীতির ফলে গ্রাহকরা যেকোনো ব্যাংক বা এমএফএস অ্যাপ দিয়ে সহজে লেনদেন করতে পারছেন
- 📌 জুলাই মাসের শুরুতে দৈনিক লেনদেন ছিল ৩৭ কোটি টাকা, যা এখন তিন গুণ বৃদ্ধি পেয়ে ১১০ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশে গত জুলাই মাস থেকে দেশের সব ব্যাংক ও মোবাইল আর্থিক সেবা প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের নিজস্ব কিউআর কোড প্রতিস্থাপন করে বাংলা কিউআর চালু করেছে। এর ফলে দেশে ডিজিটাল অর্থনীতি গড়ার লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে এই উদ্যোগ। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, বাংলা কিউআরের মাধ্যমে দৈনিক লেনদেনের পরিমাণ এখন ১১০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে। একই সঙ্গে মার্চেন্ট বা বিক্রেতার সংখ্যাও উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। জুলাই মাসের শুরুতে মার্চেন্ট সংখ্যা ছিল ১৬ লাখ, যা বর্তমানে প্রায় ৩০ লাখে দাঁড়িয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ হালনাগাদ তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা যায়, চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে সব প্রোপ্রাইটরি কিউআর কোডের পরিবর্তে একক বাংলা কিউআর ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এর ফলে গ্রাহকদের মধ্যে বাংলা কিউআরের ব্যবহার দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। জুলাই মাসের শুরুতে দৈনিক গড় লেনদেনের সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৭৮ হাজার, যা গত সপ্তাহে বেড়ে হয়েছে ৩ লাখ ৩ হাজার। একই সময়ে দৈনিক লেনদেনের আর্থিক মূল্য তিন গুণ বৃদ্ধি পেয়ে ১১০ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, এক দেশ এক কিউআর নীতির ফলে মার্চেন্টদের একাধিক কিউআর রাখার ঝামেলা কমেছে। এর পাশাপাশি সাধারণ গ্রাহকরাও যেকোনো ব্যাংক বা এমএফএস অ্যাপ দিয়ে সহজে কেনাকাটার বিল পরিশোধ করতে পারছেন। বেসরকারি ব্যাংকের পাশাপাশি রাষ্ট্রায়ত্ত সরকারি ব্যাংকগুলোও এই উদ্যোগ বাস্তবায়নে বিশেষ ভূমিকা পালন করছে।
"এক দেশ এক কিউআর নীতির ফলে দেশের ডিজিটাল ফিন্যান্সিয়াল ইকোসিস্টেম আরও শক্তিশালী হচ্ছে। গ্রাহক ও মার্চেন্ট উভয়ের জন্যই এটি একটি যুগান্তকারী উদ্যোগ।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বাংলাদেশ ব্যাংক
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১০ কোটি টাকা (দৈনিক লেনদেন), ৩০ লাখ (মার্চেন্ট সংখ্যা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!